poetry লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
poetry লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

SELMA KOPIC


Your bride


I wanted to tell you yes,

to approach you in a white dress

with the footsteps of a frightened deer,

to throw a bouquet in the air

and call myself yours

for the rest of our lives.

Only your hand could lead me

happily to heaven.

But the white dress for me

was never tailored

nor did your ring

adorn my hand.

All of this is really

just in my girlhood dream.

The waves of life

took us to different sides.

Still, I am happy

when I see happy brides.

For me, their happiness is a sign

that happiness exists,

but not to shed a tear,

I find it hard to resist.


৩০ জুলাই ২০২১

কবি মহুয়া চক্রবর্তি কবি ফারজানা আফরোজ কবি সীমা সোম বিশ্বাস

 দেখুন স্বরচিত কবিতা পাঠ 



https://youtu.be/1F8FjWyvIGI 

এখানে ক্লিক করুন সাবস্ক্রাইব করুন ও বেল বোতামে টাচ করে রাখুন সমস্ত আপডেট পেতে

আজকের কবিরা 

কবি মহুয়া চক্রবর্তি 

কবি ফারজানা আফরোজ

কবি সীমা সোম বিশ্বাস


https://youtu.be/1F8FjWyvIGI

কবি মহুয়া চক্রবর্তি 









কবি ফারজানা আফরোজ







কবি সীমা সোম বিশ্বাস



১৭ জানুয়ারি ২০২১

অমিত কাশ‍্যপ

ঠাকুর 


সে দাঁড়ায়, আমি দাঁড়াই

ভোর ছুঁয়ে ধরে তখন, তখন পাশের বাড়ির 

বিষ্ণুচরণ মন্ত্র পড়েন ঠাকুর ঘরে 

বউদি স্নান সেরে বারান্দায় সিঁদুর পরেন


সে দাঁড়ায়, আমি দাঁড়াই

কথারা কোথা থেকে ছুটে আসে 

আবার পালায়, নরম রোদ ধরে 

পাশের রাস্তায় অজস্র যান এখন 


কেউ দাঁড়ায় না, বাজার অফিস দোকান 

ঝমঝম করে খুলে যায়, কি ভীষণ দ্রুততা

ওই দ্রুততা আমাদের যেন ছোঁয়ে না 

সে দাঁড়ায়, আমি দাঁড়াই

১৬ জানুয়ারি ২০২১

দেবব্রত সরকার


আমি এক নিরবিচ্ছিন্ন হাহাকার 


আমি এক নিরবিচ্ছিন্ন হাহাকার 

তাকে খুঁজি তাকে খুঁজি 

বয়স বেড়েছে তার

মিল নেই শরীরীপোশাকে 

মিল নেই ভাষা ভাঙাতাপে  

মিল নেই চোখচামড়াতে 

মিল নেই আমাতেতোমাতে 

তবু ফিরি এ হৃদয়ে বারবার 

কেন সব  ডাকাডাকি দল 

কেন সব করো কোলাহল 

কেন ভয় রক্তবিন্দুতে 

কেন ভয় জাতপাত হাতে 

কেন ভয় ঘাসফুলে ফুলে 

কেন ভয় পদ্মফুল তুলে 

সব ভুলে এসো জনগণ 

এক সাথে করি এক মন 

সব কথা ভেঙে করি ছারখার 

আমি এক নিরবিচ্ছিন্ন হাহাকার

আশিস চক্রবর্তী



প্রতিশ্রুতি


এখনো ক্ষুধার্ত মানুষের ভিড়ে তোমার উপস্থিতি

 শরীরের ওপর চড়ে শোনাচ্ছো বাসি প্রতিশ্রুতি।


তোমার মঞ্চের তলায় রোদহীন হলদেটে ঘাস।

অমূল্য কার্পেটে হারিয়েছে সহস্র মানুষের শ্বাস।


বিশাল সম্ভাবনায় লেগেছে আজ মড়কের ঘ্রাণ

ছেঁড়া পকেটের নীচে ধুঁকছে ভবিষ্যতের প্রাণ।


দুর্গন্ধের মতো শোনায় তোমার সমস্ত ভাষণ।

অজান্তে উধাও দেখো তোমার সাধের আসন।


তোমার উদ্ধৃত দৈব বাণী যেন ধ্বংসের পরিচয়

তোমার হাতের রেখায় লেখা আসন্ন পরাজয়।


দিকে দিকে ওই শোনা যায় সময়ের ভ্রুকুটি

ভাগাড়ে শকুনের মতো ওড়ে বাসি প্রতিশ্রুতি।

জি এম কাউসার আলী (অষ্ট্রেলিয়া)




সেঁজুতি তোর প্রেম


সেঁজুতি তোর মনের সাদা ক্যানভাসে

আমার তুলির নতুন টান কি অনেক আসে?

রঙের উপর রঙ পরে রোজ রঙিন হলি

ঝাপসা হতে রঙিন করে তোর জলকে!

আমার রঙ্গিলা রঙ পড়ে কি ?

তোর মনের ওই ক্যানভাসে?

মন পাখি ঝাপসা হয়ে 

তোর রঙিন ঠোঁটে ঠোঁট ঘসে!!

সেঁজুতি তোর বৃষ্টি ভেজা 

শরীর যদি দেখতে পেতাম?

স্বপ্ন বুকের নরম রাতে 

তোর বুকে সব হারাতাম।

তোর হাসিতে মুক্ত ঝরে

কাঁদলে ঝরে মানিক;

চাঁদের গায়ে জোৎস্না লাগে

তোর কাছেতে ক্ষণিক!

আর পারিনা সেঁজুতি;

তুই একটিবার তো সামনেতে আয়

পরাণ হিয়া কুকড়ে কাঁদে,

তোকে দেখার পরম আশায়!!

বিশ্বাস কর সেঁজুতি?

তোর রূপ সাগরে রোজই ভাসি।

আর কিছু নয়, শুধু একবার বল?

আমি তোমাকে ভালোবাসি।

মোঃ হা‌বিবুর রহমান


 য‌দি এমন হ‌'ত


‌নিরালা ব‌'সে ব‌'সে ভাবি আ‌মি সদা

দিনরাত সমান হ‌'লে হ‌'ত কত মজা!

সূ‌র্য্যি মামা দি‌'ত কিরণ বার‌টা ঘন্টা,

বার ঘন্টা অন্ধকা‌রে থা'ক‌ত ধরাটা।


হ‌'ত মজা বেশ সব‌দে‌শেই দিনরাত,

সমান য‌দি হ‌'ত না হ‌'য়ে তা ফারাক।

আহা! কি মজা না হ‌'ত ফোন ক‌'রে,

কথা ব‌লে আ‌ছে যারা দূ‌র প্রবা‌সে।


ঈদ হ'ত একদি‌নে ম‌ুস‌লিম উ'ম্মার,

দূর হ'ত বি‌ভেদ ম‌ন-মান‌সিক'তার। 

হয়‌ত তা হবার নয় ধরাটা যে গোল,

স্রষ্টাই পা‌রেন এ সমস্যার উৎপাটন।

মমতা রায়চৌধুরী

 



এখনো ভালোবাসা আছে


এখনো ভালোবাসা আছে

 বেঁচে আছে আমার সেই

পৌষের উঠোনে মিঠে রোদ্দুর।

মাঝে মাঝে হাতছানি দিয়ে

 রাজপুত্তুর ডাক দিয়ে যায়,

ঠাকুমা -দিদার রূপকথার গল্পে।

গ্রাম্য নিকানো উঠোন ভেসে ওঠে

মায়াবী আবেশ রচনা করে।

শহুরে সভ্যতায় ফিকে হয় নি,

মেয়েবেলার ভালোবাসার স্বাদ, অকৃত্রিম অনাবিল গন্ধ।

আজও অনুরণিত করে

মনের গভীরে ঝড় তোলে

ভালোবাসার মেয়েবেলা।

শাহীন রহমান




ভেজা চোখ 


হাসি আমার দেখুক হাজার জনে,

অশ্রু আমি লুকিয়ে রাখি নিজে ! 

কান্না এলে প্রাণটা খুলে কাঁদি,

মুশল ধারার বৃষ্টি জলে ভিজে !! 


প্রাণের দোসর পারিসনি তো হতে,

তাতে আমার হয়নি ক্ষতি কিছু ! 

ছল করা মুখ লুকিয়ে ফেলিস তুই 

সামনে এলেই মুখ হয়ে যায় নিচু !! 


এই নয়ন ভরা একটা নদী জল,

সে জল আমি লুকিয়ে রাখি নিজে  । 

কান্না এলে পরাণ খুলে কাঁদি, 

বর্ষা দিনের বাদল জলে ভিজে। 


অশ্রু আমার কেউ দেখেনা কভু, 

এই হৃদয়ে গভীর নিরব কাঁদন ! 

আপন ভাবা সেই মানুষটা তুই 

ঘাতক হয়ে ছিড়লি মায়ার বাঁধন !!

ইকবাল বাহার সুহেল ( ইংল্যান্ড )

 



বিরল বরণ


তোকে ছেড়ে এসেছি 

ফেলে এসেছি অনেক দূরে

যেতে হবে বলে যাইনি ছেড়ে আসিনি ছুড়ে 

শান্ত-অলস-সুন্দরের তপোবন যেন গান লিখে সুরে সুরে। 


চোখের পাতা জুড়ে 

কোনো জানি তাড়াহুড়ো নেই এমন

তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করছি যেমন

জীবনের এই মধু ক্ষণে

বিচিত্র তোর বিরল বরণ শুধুই কাছে টানে। 


কে যেন দূর থেকে বলে মোরে

চিনতে চেয়েছি প্রেম নতুন করে 

তোকে ছেড়ে এসেছি 

ফেলে এসেছি অনেক দূরে

যেতে হবে বলে যাইনি ছেড়ে আসিনি ছুড়ে 

শান্ত-অলস-সুন্দরের তপোবন যেন গান লিখে সুরে সুরে।

রাইহানা আখন্দ্



ভুলি নাই তোমাকে


ভুলি নাই ইন্দ্রাণী সেন   

আজও ভালোবাসি তোমাকে,

নিষ্ঠুর পাষাণ পরানি তুমি   

ভুলে গিয়েছো আমাকে!

কত করে বলেছিনু মোর  

জীবন থেকে যেওনাকো চলে, এখন ইচ্ছে করে তোমার 

পা ধুয়ে দিই মোর কষ্টের জলে।


জাতে তুমি ছিলে সেন 

হায় আমি ছিলেম পাল,

তাইত হলনা মিলন 

আজি মোর মরণদশা হাল।


তুমি ডাক্তার আমি

ইঞ্জিনিয়ার কম ছিলাম কিসে ?

জাত শুধু বলে দিলো

তুমি সোনা আমি শীশে।


ইন্দু তুমিহীন এই পৃথিবী 

আজ বড্ড অসার লাগে,

প্রেম পেলনা মানবতার 

দাম কি কষ্ট বুকে জাগে।


নিশ্বাসে নিশ্বাসে মনে বাজে 

তুমি কেন আমার হলেনা ?

সোনায় মুড়িয়ে দিতে চেয়েছি 

তোমায় তবু কেন বুঝলেনা ? 

ধর্মতো একই ছিল হায়

জাত শুধু আলাদা করে দিয়েছে,

কেন ঘুণাক্ষরেও বুঝিনি 

জাতে শয়তানের ছোঁয়াচ

লেগেছে।


ভগবানকে যেমন কখনোই

আলাদা করা নাহি যায়,

বিশুদ্ধ প্রেমও ঠিক তেমনি 

পবিত্র মর্যাদা পায়।


হায় গো ধরার দুর্জয়িনী

অতি নিষ্ঠুরতমা মেয়ে,

হিয়ায় বসিয়েছ বিষদাঁত

বেদনায় আছি ছেয়ে। 


ইন্দ্রনীল পালের প্রণয়  

জেনো আজও নির্মল আছে,

ইন্দু ভুলি নাই তোমাকে 

যদিও তুমি নেইকো কাছে।

১৪ জানুয়ারি ২০২১

ফাহমিদা ইয়াসমিন ( ইংল্যান্ড)



কবিতার ছন্দ


সাদা কালো এ জীবনের মাঝে

তুমি শুধু করেছো আমায় রঙ্গিন। 

তোমায় নিয়ে লেখা কবিতায় দিয়েছি কত উপমা কত আবেগী আবেশ।


আমার হাতের মুঠোয় রেখেছি তোমার উষ্ণ হাত। 

ভোরের আলোর মতো উজ্জ্বল হয়ে ফুটেছে প্রেমের লাল ফুল।


কত রাত তোমার সান্নিধ্য চেয়েছি 

কতবার চেয়েছি তোমার স্পর্শ অসীম।


তুমি তো দিয়েছো আমায় লাল কৃষ্ণচূড়া ফুলের বেণি। খোঁপায় বেধেছি রাঙা ভোর।


আমি  বসেছিলাম নিয়ে শুধু গানের সুর

তুমিই তো আমার আঁধার আলো

তুমিই আমার সুর কবিতার ছন্দ।

ড: সৈয়দ আজিজ


হৃদয়েশ্বরী


কৈলাশ হতে কেশর এনে মাখাবো তোমার মুখে 

ফুলরেণু ঘ্রাণে পরেশ সুবাসে চিত্তানন্দে সুখে 

সূর্য হতে আনব আবীর, মাখাবো কেশর সাথে 

জোছনা লুটবো ফুটফুটে ঐ মাঘী পূর্ণিমা রাতে 

অসীম আকাশ সসীম নীলের পরাবো কাঁচলখানি 

কণ্ঠে পরাবো মুক্তার মালা সিন্ধু সেঁচিয়া আনি

লু-হাওয়াতে নেকাব পরাবো ধূলার পর্দা টানি 

কোনো দুরাচার যেন স্পর্ধায় কভূ নাহি ডাকে হাতছানি 

সোনার বাংলা শ্যামলিমাতে শ্যামল মাখাবো গায় 

অরুন্ধতীর টিপ পরাবো স্বর্ণালি সন্ধ্যায়,

রংধনু থেকে লাল রং আনি আলতা পরাবো পায়

কুরঙ্গী চোখের কাজল মাখাবো তোমার আঁখির বায় 

নারাঙ্গী রসে সিক্ত করবো আপন যুগল সৃক্কণী 

কবি হৃদয়ের অধীশ্বরী শত কোহিনুর মণি।

১৫ ডিসেম্বর ২০২০

সৌগত রাণা কবিয়াল



বায়োস্কোপ


আজকাল হাতের দশ আঙুলের দশ ইচ্ছে ! 

বেচারা কব্জিসন্ধির হয়েছে বিশাল জ্বালা ,

তাহলে একবার ভাবো তো,

মন শরীরের কি হাল ? 

চারপাশে পেটমোটা ইঁদুরের থৈথৈ উচ্ছ্বাস,

কে রাখে পাড়ার চায়ের দোকানের

কালো ছেলেটির খবর ?

কালো ছেলেটারও একটা 

বুক হৈচৈ জীবন ছিলো,

কিন্তু ঐযে যেদিন থেকে 

ওর দশ আঙ্গুলের ইচ্ছে ফুটলো,

সেদিন থেকেই, ছেলেটার পেটে জল জমছে !

জলের গন্ধ কতো রকম,

যে যখন চাচ্ছে যেমন ! 

গন্ধগুলোরও আজকাল মরণ দশা,

মানুষের যে আজকাল বড্ড সুখের নেশা ! 

এই শহরে সবাই রাজা,

দশ আঙ্গুলের ইচ্ছে রাজা !

শুধু ঐ কালো ছেলেটার সবুজ মাঠের

রংবেরং এর ফড়িংগুলো,

একা হয়েই বেঁচে রইলো !

কাঠবিড়ালের মন নিয়ে 

সব সবুজগুলো ধূসর হলো ,

সুখি হতে হয় বলে

শহরবাসী সুখী হলো,

কি দারুণ সুখী হলো,

আহা,মলো,মলো,মলো,মলো...

                           

ফাহমিদা ইয়াসমিন




বাংলাদেশ


মায়ের মুখে ছিলো

সন্তান হারা শোক

বাবার মুখে ছিলো

কত যে আর্তনাদ

ভাইয়ের শপথ ছিলো

মুক্তি চাই শুধু মুক্তি চাই

প্রিয় স্বাধীনতা আমার।

কালোরাত দূর হয়ে জেগেছিলো আলো

স্বাধীনতা তুমি বড়ই বেদনার

এই সেই কাল রাত

মুছেনি আজো যার হাহাকার।


কতযে লাশ আর রক্তে ভেসেছিলো স্বদেশ আমার

হায়েনাদের বুলেটে

স্বাধীনতা তুমি সেই সবুজ পাতা

আমার কবিতার খাতা

যেখানে শ্রেষ্ঠ কবিতার নাম বাংলাদেশ।

শাহারা খান




শত্রুমুক্ত দেশ


লাল সবুজের ঐ বিজয় নিশান,

উড়ছে বাতাসে পত পত করে।

বিজয়ের ঐ নিশান আনতে,

কত প্রাণ গেলো অকালে ঝরে।


বাবা হারালো স্নেহের সন্তান,

বোন হারালো স্বামী।

পুত্র শোকে কাতর মাতা,

আজও কাঁদে দিবস যামি।


ইজ্জত হারিয়ে কত মা,বোন,

হলো যে বীরাঙ্গনা।

কত মজুর হারালো ভিটা,

নেইকো কারো অজানা।


জীবন বাজী রেখে যারা,

করলো দেশকে স্বাধীন,

তাদের কথা কেমনে ভুলবো,

কেমনে শুধিবো তাদের ঋণ?


মরেও তারা হয়েছে অমর,

জানাই তাদেরে সন্মান।

ইতিহাসের পাতায় লেখা রবে,

তাদের স্মৃতি চির অম্লান।


আজকে মোরা স্বাধীন ভাবে,

হাঁটছি শত্রুমুক্ত দেশে।

দেশের কল্যানে ব্রথ হয়ে,

মরবো দেশকে ভালোবেসে।

এস. এ. তালুকদার



ভয় নেই হারানোর 


নির্লোভ ভালোবাসায় হারানোর নাহি ভয়

হাজার মাইল দুরে গেলেও

হৃদয়ের অলিন্দে সৃষ্ট ভালোবাসা

জাগ্রত রয় __

কাউকে ভালোবাসা মনের স্বাধীনতা

ভালোবাসা পাবার আশা

ভিন্ন হৃদয়ের মর্জি,

আমার ভালোবাসা বিরহহীন

নীর্মল সুখে ভরা__

প্রিয়ার স্বরুপ আমি নব সাজে

হৃদয় দিয়ে গড়ি

কল্পলোকে অভিসারে

ভাসাই প্রেমের তরী,

নির্লোভ ভালোবাসা যার

হারানোর ভয় নেই তার__

সোহেল আহম্মেদ




কিশোর মুক্তিযোদ্ধা


ফারহাত নামে একজন কিশোর 

মুক্তিযোদ্ধা ছিলো, 

নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও ফারহাত 

শত্রুর ক্যাম্পে গেলো।


যাওয়ার আগে তাঁর শরীরে 

বোমা বেঁধে নিলো,

সেই বোমারই বিস্ফোরণে 

ক্যাম্পটি উড়ে গেলো।


জীবন দিয়ে ফারহাতেরা 

আনলো স্বাধীনতা,

কতো ফারহাত জীবন দিলো 

অজানা সেই কথা।


ফারহাতের ত্যাগ স্মরণ হলে 

নুয়ে আসে মাথা,

যাদের রক্তে লেখা হলো 

বাংলার বিজয় গাথা। 


ফারহাতেরা যায়নি মরে

সগৌরবে উড়ে,

লাল সবুজের ডানা মেলে 

বাংলার গগন জুড়ে।


( কবিতাটি বিশিষ্ট কবি ও লেখক শ্রদ্ধেয় ফাহমিদা ইয়াসমিনের লেখা  মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক শিশুতোষ গল্পের বই "ফারহাতের বিজয়" এর কাহিনী অবলম্বনে রচিত )

তাহের মাহমুদ




সংশয় 


ওপাশে কে আছ যে তোমার কাছে চেনাজানা

এপাশে হাজার চোখের ভীড় আমার অচেনা।


ওপাশে সরব আলো আঁধারের ফাঁকে ফাঁকে

এপাশে মন হাসে নীরব অভিমানী সুর আঁকে।


ওপাশে আকাশটা শ-বর্ণ পেখমে নীল ছড়ায়

এপাশে পাতালপুরের ডাক হাঁকে চিরনিদ্রায়।


ওপাশে মন উল্লাসে হাসে সুখের কানাকানি

এপাশে কে ধেয়ে আসে অশুভ শোকের বাণী।


ওপাশে দ্বীপ জ্বেলে রয় দিন আলো দেয় চাঁদে

এপাশে এ কিসের অতো বিদগ্ধ মুখোশ কাঁদে।


ওপাশে এতো কি গুঞ্জন বেঁহুশের কানাকানি

এপাশে এতো সুধা তবু না পাওয়ার হাতছানি।

আমার মা কবি সালেহা খাতুনের লেখা ( সালমা খান )



মন


প্রতিহিংসার আগুনে তুমি সারা জীবন জ্বলবে!

তুমি আমার পথের কাঁটা ঝাড় জঙ্গল উপড়ে দিলাম ছুড়ে ,

পথ পেয়েছি খুঁজে।

সব আনন্দের  উর্রদ্ধে আমি এখন  চাই যারে অন্তরে ,

সে আমাকে দেয়না ধরা,

 মোর ভাবনা থাকে তাকে ঘিরে ,

 সর্বদা থাকে সে আমার হৃদয় জুড়ে ,

গোধুলীর এই শেষ বেলাতে হাঁটছি

  পিছল সরু পথে !

 পা পিছলে না যাই যেন পড়ে!

 রুহটাকে  বস করেছি না যাই যেন ফসকে,

জীর্ণ শীর্ণ হয়ে পড়ে ছিল হ্নদয়ের এক কোণে !

এখন সে মোটা তাজা আমার কথাই উঠা বসা,

 আমাকে সে মানে!

কষ্টে শিষ্টে ভালো আছি আমরা দুজনে,,