চুলচেরা হিসাব
বন্ধু তুহিন
তোমাদের চুলচেরা বিচারে অর্ধেকটা সময় অধিবাস্তব পংক্তি,
বাকি অধের্কের পিচ ঢালা রাস্তায় ভ্রাম্যমাণ আদালত।
থক থকে নাভিশ্বাসের পালাবদলে হাতবদল নর্দমা,
ব্রহ্মতালুর পাশ ঘেঁষে বিচারক, উল্টো পথে।
লোভের চারপাশে যখন অনবদ্য গ্লানি কাজ করে,
তখন সুসময়ের হিসেব কসে একে একে ধসে পরে দেয়াল।
স্বপ্ন দেখতে দেখতে চোয়ালের ভেতর চোয়াল, হারের ভেতর মাংস;
শুকিয়ে যায় শুটকির গন্ধ, বুকের ভেতর এখনও নোনা জল।
উড়তে উড়তে পরতে থাকা নিছক যুবকের লোমকূপ লজ্জিত
রেটিনায় ভাগ্যের গণনা, নাকের ভেতর সুড়সুড়ি, পেটে ক্ষুধা।
ওহে সনাতন, বোঝ এখন কি করে মানুষ বেঁচে যায়;
কাপড়,আতর,বিজ্ঞাপনে অবিন্যস্ত ঢেকে যায় শহর রাস্তা।
ছায়ার ঘুরন্ত বৃত্ত বড় হতে হতে ব্ল্যাক হোল হবে একদিন,
তখন আধভাঙ্গা সড়কে ফ্লাইওভার কিংবা কংক্রিটে তেতে উঠা অস্তিত্বে
আমি ঢেলে দেব মৌন মন ...