২৮ জুলাই ২০১৮

সাইফুল আলিম

মেঘ - বৃষ্টির অভিমান

ঘন কালো মুখটা তাহার
এই অম্বরে ঢাকে
এদিক ওদিক ছুটছে সেথায়
নীল গগনের ফাঁকে ।

পুরো গগনে কোথাও খুঁজে
পাইনি মিষ্টি হাসি
কাশ বনেতে ফুল ফোটে না
দুঃখ রাশি রাশি।

ভোর আকাশের সূর্য হাসি
গোমরে গোমরে কাঁদে
ভর দুপুরের আলোর প্রদীপ
পড়লো মেঘের ফাঁদে ।

মিহি জোৎস্নার আলোর ছোঁয়া
মেঘ রাখিলো বেঁধে
আর করো না অভিমান তুমি
বৃষ্টি  সুধাও কেঁদে।

রাত্র নীশির তারার খেলা
যায় না দেখা আজ
তোমার ভয়ে আর হাসে না
গোলাপ, গন্ধরাজ।

দিনের পর দিন চলে যায়
রাতের পরে রাত
গোমরা হয়ে থাকলে তুমি
আসবে না প্রভাত।

সাক্ষী গগন ভুগছে মানব
নান্দনিক এই কান্নায়
এই পৃথিবীর আবাস ভূমি
ভাসছে জলে বন্যায় ।

শ্রাবণ মাসের জমকালো মেঘ
একটু তুমি হাসো
মান অভিমান ভুলে গিয়ে
আমায় ভালোবাসো।

আর কতো দিন এমনই রবে
গোমরা করে মুখ
বৃষ্টি নামক অশ্রু ঝরুক
পাও যদি আজ সুখ।

মান অভিমান আর কতো কাল
রাখবে বুকে ধরে
মানব জাতির জীবন তরী
ভাঙ্গে কেমন করে।

মেঘ ☁ তুমি রাগ করো না
আমায় ভালবাসো
বৃষ্টির জলে স্নান করাবো
এই না কাছে আসো।

শারমিন সুলতানা রীনা

স্মৃতি

রাত্রির বিষন্ন অন্ধকারের গায়ে ইচ্ছে করে উড়িয়ে দেই কর্পূরের মতো সমস্ত স্মৃতি।

নিদ্রাহীন দীর্ঘতম রাএির রোলিং ধরে চোখের কার্নিস বেয়ে জল হয়ে দাড়ায় যে ছায়া
গাঢ় নিস্তব্ধতা ভাঙে তার মৌখর্যে।

গ্রীস্মের অগ্নিতে পোড়া শরীরে
বিন্দু বিন্দু ঘামের মৌ মৌ গন্ধে
দারুণ মৌতাতে মুহূর্তে শুষে নেই সবটুকু নির্যাস।
রাএি জাগা দুঃস্বপ্নের চাদরে মোড়ানো কোন স্মৃতি তবে ঝেড়ে ফেলতে চাই মাকড়সার জালের মতো?
হাজারো প্রশ্নের মুখোমুখি বিবেকের কাঠগড়ায় দাড়ানো আসামী..
জানি না এর উঃ মৌনতার কাছে হেরে যাই।

অতঃপর স্মিত হাসিতে মুখ খোলে ছায়া..

স্বেচ্ছায় বুকের কপাট খুলে যাকে আটকে রেখেছো তাকে ভুল বলে কেন সরে যেতে চাও
বিরোধী অভিমানে?
আগুন নিয়ে খেলা করার তীব্র বাসনা ছুড়ে দিতে চাও কোন আক্ষেপে?

চেতনার করাঘাতে নতজানু আসামী বেড়িয়ে আসি মৌনতার বৃত্ত থেকে।

একচ্ছত্র সাম্রাজ্যে যখন দৈত টান,সংবিধানের কড়াকড়ি,
কাঁটাতারের বেড়াজাল...
সাধ্যতিত প্রত্যাশা পুড়িয়ে দেয়
স্বাচ্ছন্দের বাড়ি ঘর,
বিবর্ণতায় ঢেকে যায়
সোনালী সকালের সব উপমা?

বেলা অবেলা বলে জানিনা কিছু,

আনার কলি নয়,নয় রাই বিনোদিনি
তোমাকে ভালোবেসে কেবলই হতে চেয়েছি বনলতা সেন।।।