০৩ মার্চ ২০২১

অলোক দাস




 শ্রদ্ধা 


 যে মানুষটা বললো, কাল আসছেন তো? চেষ্টা করবো I পরের দিন বাড়ি গিয়ে দেখলাম, রাজার বাড়ি থমথমে I কারো মুখে  কোনো কথা নেই I শান্তিনিকেতন থেকে সাদা পাঞ্জাবী এনেছিলাম I মহারাজ খুশি হবে বলে I মেয়েকে বললাম, এটা উনাকে পরিয়ে দেবেন I আর বলবেন, আমি এসেছিলাম I খালি বলতেন, তুমি হলে আমার অরিজিৎ I কাজের মধ্যে থাকবেন I বাঁচবেন তো একবার I সবার হৃদয়ে দাগ রেখে যান I ইতিহাস আপনাকে কোনোদিন ভুলবে না I সবায়ের জন্যে আপনার গান ও কবিতা I দুয়ারে দুয়ারে ছড়িয়ে যাবেই I

স্বপন কুমার ধর




কবি ও কবিতা



আমি অক্ষর আর তুমি মাত্রা,

আমাদের নিয়েই হয় শব্দ।

আমরা যদি মিলেমিশে না থাকি,

তবে সব কবিরাই হন জব্দ।


নিজস্ব কল্পনা আর বাস্তবের মিলন ঘটিয়ে,

আমাদের সাজিয়ে অলংকৃত করেন কবি।

আর হয়ে যাই গল্প, উপন্যাস, কবিতা,

যা অলংকারিকের হবি।


কবিতা বিনা হয় না কবির জীবনী,

অনেকে তাই লেখেন, নিজের বিবরণী।

কবিতা বিনা কাটে না তাদের দিন,

তাই তো লিখে চলে তারা, কবিতা প্রতিদিন।


কবিরা করে সমাজের থেকে,

একটু খানি আশা,

কবিতার সাথে তারা যেন পায়,

সমাজের ভালোবাসা।

মমতা রায় চৌধুরী




আবছা হলে তুমি


একটা সময় ছিলে,

অনেক মনের কাছে।

এখন তুমি অনেক দূরে,

গোধূলি  ম্লান আলো।

ক্রমশ তুমি  আবছা হলে,

ধরা ছোঁয়ার বাইরে।

হঠাৎই স্পষ্ট হলে,

এক মনোজ্ঞ সেমিনারে।

আমি কেমন এলোমেলো, 

 জট পাকাচ্ছে ভাবনাগুলো।

তুমি মনের ভাষা এক পলকে

পড়তে গিয়ে হোঁচট খেলে। 

তাতে ছিল না কোন আবেগ,

ছিল না কোন প্রত্যাশা।

শুধুই ছিল জিজ্ঞাসা?

আবছা তুমি আবছা।

বলতে পারি নি কেউ কাউকে।

তবু চোখের ভাষার ধূসরতা 

খুঁজে পেতে চাইলো সেই সজীবতা।

মোহাঃ হাসানুজ্জামান




ছোট্ট জিজ্ঞাসা


আমার স্বপ্ন গুলোকি রবে স্বপ্ন হয়ে

নাকি দেখব নতুন ঊষার কিরণ,

পৃথিবীটা আমাকে করেছে কোনঠাসা

ফুরাবে কবে আমার দুঃসময় ?


অন্তস্হলে নেই আমার কঠিন জোর

করিনি কভু আমি মানবতা লঙ্ঘন,

তবু দুচোখে যেন বিষাদের স্বপ্ন

অস্তিত্বের গহীনে আবেগি মন।



রৌদ্র ভরা দুপুরে আমার পিপাসিত প্রান

স্বার্থ বাদীদের মিথ্যাচারে নিপীড়িত ধ‍্যান,

তবুও মনের মাঝে পরিস্ফুটিত আশা

নতূন দিনে আসে যদি পূবালী ঝড়।


বিক্ষিপ্ত হৃদয়ে আমার দিশাহীন গগন

নির্ভাবনায় আসবে কবে দীপ্ত সন্ধিক্ষণ,

সুস্হিরতা ফিরবে আমার হবে বিরহ দূর

সুখের তৃপ্তির মাঝে রাঙ্গা ফাগুন।

মোঃ শাহিনূর রহমান শাহিন




বিশ্বাস ভেঙ্গনা

  


মন ভেঙ্গে গেলে একবার,

জোড়া লাগেনা আর!

              হয়না মনের সেলাই,

কিছু ভুল - হয়না মাশুল 

           বিশ্বাস ভাংতে নাই!

অবিশ্বাসে অশান্তির সংসার,

দেহ মন ভাঙ্গে সবার!

          প্রেমের হয়রে ক্ষতি,

প্রেম ছাড়া - মন মরা

         জীবনে সবার দূর্গতী!

অসতী অসতের জন্যে,

সতী সততার ভাগ্যগুণে!

          সতী সুখ সমৃদ্ধি,

সংসারে শান্তি - থাকেনা বিভ্রান্তি 

        সত্য মতে প্রেম বৃদ্ধি!

প্রেমিক কে দিওনা ফাঁকি,

একদিন হয়ে যাবে একাকি?

         বিশ্বাসের দাও প্রতিদান,

বিশ্বাস সত্য - প্রেমে নিত্য 

          স্বপ্ন সাজায় মনপ্রাণ!

বাঁধা ঘর ভেঙ্গে যায়,

যদি বিশ্বাস ভয়ে পালায়!

         নিত্য মৃত্যু প্রেমে সবার,

প্রেম হীন - রাত দিন 

        কষ্টে - জীবন করে পার!

নাজনীন নাহার




সুখ নিদ্রা 



মিষ্টি একটা গল্প হবি? হতেই তো পারিস, 

তোর ইতল-বিতল গল্প শুনে 

নিদ্রা যাবো রাতের কোলে!


নিদ্রা গেলে স্বপ্ন হবি? হয়েই দেখিস,

স্বপ্নে থাকবো কপল ছুঁয়ে 

ঘুম ভাঙবে সেই আবেশ নিয়ে!


আবেশ গুলোকে মেখে নিবি? নিয়েই দেখিস,

পুলক জাগা তনুমনে 

সকাল কেমন স্নিগ্ধ লাগে!


সকাল বেলার সুখ নিবি? নিতেই তো পারিস, 

চোখের তারায় এক নিমেষে 

ভরিয়ে দিবো রৌদ্র সুখে!


রৌদ্রমুখর দুপুর হবি? হতেই তো পারিস, 

শীতল ছায়ায় উত্তাপ রেখে 

ডাকবো তোকে রোদ্দুর বলে। 


রোদ্দুর তুই গোধূলি হবি? এটুকু তো হতেই পারিস, 

লাল সূর্যের সৌন্দর্য ছেড়ে 

সন্ধ্যা হবি আমায় নিয়ে। 


সন্ধ্যা ক্ষণে উদাস হবি? মাঝে মধ্যে হতেও তো পারিস,

বসবো দুজন নিবিড় করে 

মন খারাপে রাত জড়িয়ে। 


আবার রাতের গল্প হবি? নতুন গল্প হতেই পারিস,

জনম জনম তোর গল্প শুনে 

সুখ নিদ্রা যাবো আমি মরণে।

মোঃ সরোয়ার হোসেন



অহং



আমি এমন কেন?

রঙহীন ,বিবর্ণ,

ঘোলাটে, ধোঁয়াটে, তামাটে। 

সবকিছু কেমন যেন পোড়া পোড়া

ভস্ম, দগ্ধ স্থির পবনে

চারদিক কুয়াশ চাদরে মোড়ানো 

কেমন যেন চাপ দিয়ে চলছে অবিরত।

আমি যতবার বেড়িয়ে আসতে চাই

ঝাঁটকা দিয়ে জাল চিরে 

তত'ই গভীরে চরম বিষাদে 

আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে পড়ি।


আমি এমন কেন? 

নির্জীব, প্রাণহীন, হিম-শীতল অথবা পাথর, নিথর। 

অস্তাচল নাবিকের মত হাল ছাড়া, পাল ছেঁড়া 

কালের স্রোতে ভেসে চলা এক নর

যার চারপাশে বিশাল জলরাশি

গভীর নিভৃত পায়ের নিচে। 

আশাহীন অসাড় মস্তিষ্ক 

নয়নের মণি দুটো নিষ্প্রভ মলিন 

ঝাপসা আর গোলকধাঁধায় যারা স্বপ্নহারা। 


আমি এমন কেন?

যদ্যপি চাই সবকিছু খাঁখাঁ, ধূসর 

বিষন্ন মরুভূমির মত জীবনহীন শুষ্ক। 

যেন, বেলাভূমির উপর দাঁড়িয়ে থাকা 

যুদ্ধে পরাজিত সৈনিকের মত ক্লান্ত কায়ায়  পালিয়ে আসা এক পলাতক। 

যে ছুটে চলেছি মরীচিমায়ায়।

হিতাহিত জ্ঞান শূন্য 

অহং বলে আজ আর 

আমার নেই কিছু অবশিষ্ট! 

আমি,এমন কেন?

২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১

শ্যামল রায়




ভালোবাসার উঠোন চেয়েছি


এমন একটা ভালোবাসার উঠোন চেয়েছি

দাঁড়িয়ে বলতে পারি ,,তুমি কি করছো?

আমি জোর গলায় বলতে পারব

তুমি কেমন আছো ?আমার জন্য।

আমি ভালবাসার একটা উঠোন চেয়েছি

যেখানে শিউলি ফুল ছড়িয়ে থাকবে

দেখতে পাবো কখনো রোদ্দুর

বৃষ্টি ভেজা

শুধুই তোমাকে শুধু তোমাকে।

আকাশটা আরো নীল দেখতে চেয়েছি

ব্যস্ততার মাঝে তোমার ঢেউ চেয়েছি

আমি নদীর বা সমুদ্রের পাড়ে দাঁড়াই

অপেক্ষা করি-----

তোমার চোখ দেখতে ।।

একটু উষ্ণতার জন্য

একটু বাতাসের জন্য

শ্বাস নিতে

একটা উঠোন চেয়েছি

শুধুই ভালোবাসার উঠোনে

শিউলি ফুলগুলো ছড়িয়ে পড়ুক।।




প্রথম তোমাকে ছোঁয়া


 

আমি প্রথম তোমাকে ছুঁয়েছিলাম যেদিন

শব্দ ছিল। ছিল পলাশ বকুল জুঁই 

নতুন রঙে রঞ্জিত হয়েছিলে

ইচ্ছে ছিল ডিঙ্গি নৌকোয় চেপে

বেড়াবে ঘুরে ঘুরে।

আমি সঁপে দিয়েছিলাম

জীবনের সবটুকু

ঘন কালো অন্ধকার মুছে দিয়ে

আলো বিন্দু খুজে নিয়েছিলাম

ছিল স্বপ্নে ঘেরা সিঁড়ি

সত্যের জয় গান।

আমি যতটুকু ছুঁয়েছিলাম তোমাকে

নির্ভেজাল ভালোবাসাটুকু দিয়ে

খুজে নিয়েছিলাম আত্মতৃপ্তি দুজন

দিন যেয়ে মাস ,বছরের পর বছর

তবুও মনে হয় স্বপ্ন হাঁটতে শেখেনি আজও

বিচ্ছিন্ন এক দ্বীপের মধ্যে

স্বপ্নের ভালোবাসা

স্বপ্নের মেঘগুলো

ঘুরপাক খায়

 পাল্টে যায় কখনো কখনো।

অথচ ইচ্ছের যাতায়াত

এক একটা ভালবাসার ঠিকানা জানতাম

আজ যেন বকুল গাছের নিচেয়

প্রশ্ন একাধিক? সম্পর্কের বুনন এর কাছে

সযত্নে আদর কাঠফাটা রোদ্দুরের এর মতো

রাত  যতটা গভীর হয়

এসব ভাবনারা সেতু গড়ে

আমিও কখনো কখনো

জীবন বোধ খুঁজে নিতে

সচেষ্ট হই। কবিতার ঠোঁটে।

আমারও চুম্বন এঁকে দিতে

তুলি রংএ মন খারাপে ঢেউ হয়।

এখন বেশ বুঝতে পারি

প্রথম চুম্বনের পর

প্রথম ছুঁয়ে দেখার পর

কাটাকুটি খেলা

বড্ড সুখ ও কষ্টে

আমাকে লন্ডভন্ড করে আজ ও।




এ কেমন তোমার মন


এ কেমন তোমার মন

ভুলে ভুলে থাকো সর্বক্ষণ

এ কেমন তোমার মন

পড়েনা মনে একটু খানি

কতইনা স্মৃতিকথা।

প্রথম চুম্বনের কথা

কাছাকাছি আসা

আল ভেঙে সবুজ ছায়া খুঁজে নেওয়া

সবটাই কি বৃথা!

এ কেমন তোমার মন?

ছুটির বিনোদনে

কতইনা খুনসুটি

তোমার সম্মতি ছিল সর্বদা

আজ মনে হয় তোমার কি দশ হাত,

ভুলে যাচ্ছো ক্ষণে ক্ষণে

হৃদয় থেকে ঢেলে দেওয়া স্মৃতি কথা

কপূর হয়ে যাচ্ছে কেন?

অথচ তোমাকে ঘিরে আমার

স্বপ্ন দেখা ,তাপ নিয়ে বেঁচে থাকা

অথচ তুমি ভুলে থাকো কেন?

স্বাদবদল এ এসেছে কি কেউ?

তাই ভুলে থাকছো

আমাকে মরুভূমিতে শুয়ে রেখে?

এ কেমন তোমার মন,

হৃদয় নিংড়ে ভালোবাসা দাও

যতদিন বাঁচবো স্মৃতিতে তোমাকে রেখে।

শিপ্রা দেবনাথ ( টুলটুল)




নিস্তেজ


   

উঠোনের শিউলি গাছটায় রুক্ষতা ভর করেছে

গুমসুম ঘরে জীবনের বর্ণপরিচয় আগুনে ঝলসায়,

প্রিয় কুলিক নদী সেও কোমলতা হারিয়ে

ঘন কমলা রং ধারণ করেছে,

দুচোখে বন্যা নিয়ে সন্ধ্যা নেমে আসে।

উইপোকায় কাটা জীবনগুলো কেমন 

ঘ্যান ঘ্যান প্যান প্যান করে চলছে,

ভাত ফোটার গন্ধও ওদের মনকে আর নাড়া দিয়ে যায় না,

সূর্যের বুক ওমহীন নিস্তেজ

আবেশী নরম ঠোঁট জোড়া এখন খরখরে,

তাতে বসন্তের আবেদন নেই।

মোঃ হা‌বিবুর রহমান




স্বপ্নকথা


কি কথা বল‌বো বল‌বো ক‌রে আর তা হ‌লো না বলা,

হঠাৎ ক‌রেই কেন যেন এ‌লো‌মে‌লো হ‌য়ে গে‌লো তা।

সকা‌লের আ‌লো‌তে মনটা‌ অ‌নেক স্বপ্ন দে‌খে‌ছি‌লো,

দুপু‌রের রো‌দের তে‌জে ম্রিয়মান হ‌য়ে স্বপ্ন হারা‌লো।

বি‌কেলে ‌ঐ স্বপ্ন‌টি ম‌নের কোনায় জড় হ‌লো সহসা,

জা‌নিনা রা‌তের অাঁধা‌রে ‌সেই স্বপ্ন‌টি পালা‌বে কোথা!

নি‌শ্চিৎ ত‌বে স্বপ্ন জা‌গে স্বপ্ন ভা‌ঙ্গে স্বপ্ন ফি‌রে আ‌সে,

এটাও জা‌নি স্বপ্ন এক‌দিন বাস্ত‌বে রুপ নে‌বেই নে‌বে।

সুরজিৎ ব্যানার্জী




হেমলক 



'ভালোবাসা' শরীরের  তাঁবেদারি শোক

বুকে তার "প্রেমিক-এর কর্মী নিয়োগ"

মুগ্ধ গোপন ছিল তাতে আমি দায়ী

ফালতু মেসেজে  বাঁচি শর্তানুযায়ী 


জানতাম সেও খুব ঠোঁটকাটা, জেদী

তবু আশা পুষে রাখা স্বপ্ন কয়েদী

তার কাছে প্রেম মানে দৃশ্য প্রবাহ

স্মৃতি জুড়ে অপলক যাখুশি যাহোক


অথচ গুজব ছিল  চোখের পিপাসা

কেউ তো এবং  বলে  যন্ত্রণা ঠাসা

তার চোখে নিশানাতে মিইয়েছে ঠক

বিশ্বাস মুখে রাখি ঠোঁটে হেমলক


হ্যাংলা আয়নাগুলো সায় দিতে থাকে

মনের আকুতি মেনে ভালোবাসি তাকে

সে কোনো দুঃখ পেলে আমি নিজে দোষী 

কেঁদে কেঁদে হয়ে উঠি মনের বয়সী


গোঙাতে গোঙাতে ফের তাকেই তো ডাকি

কিছু আসে অবয়ব কিছুটা পোশাকি

তার সে চুমুক ছিল রক্তেতে মিশে

আমার তো যথারীতি ফিরে যাওয়া নিষেধ


পুনরায় বেঁচে ওঠা ভালোবাসা বিষে ।

রেবা রেবা




যায় একাকিবেলা বয়ে যায় রে



আয় মনের পথ দরে আয় রে

যায় একাকি বেলা বয়ে যায় রে,

যানিনা কোন সে দূরে থাকে

এমন করে বলে যায় বারে বারে।


ভালো লাগেনা  কোন কিছুই

ঘুমের চোখে কিযে এলোমেলো

স্বপ্নে দেখিছি যারে পাব কি তারে?


একটি জীবন আমার একটি স্বপ্ন

একটি চাওয়া সে শুধুই 

তারি ভালোবাসা পাওয়া।


স্বপ্ন দেখি সাধনা করি

অপেক্ষার প্রহর গুনি উদ্দেশ্য 

সুধুই তাহারে আপন করে পাওয়া।


আমার ভালোবাসা দেহ মন

তাহারি জন্য করে দিতাম বিসর্জন। 

তাহার চোখে জমা বিষাদ টুকু

এক নিমেষেই মুছে দিতাম

কষ্ট গুলো আর পারতোনা 

তাহারে অকারণে কষ্ট দিতে।


আয় মনের পথ ধরে আয়রে

যায় একাকিবেলা বয়ে যায় রে।

তরুণকুমার পাল




 চন্দ্রিমা প্রেম



মনে লাগামছাড়া ভালোবাসার গতি-

মেলেছে অনন্ত অম্বরে রঙিন পাখনা,

ধুকপুক ধুকপুক দ্রুততম হৎস্পন্দন-

আজ আর সে কোথাও বাঁধা পড়ে না-

মানেনা কারো কোন অনুশাসনের বন্ধন-

হয়তোবা সুখের সন্ধানে কোন ঠিকানায় ?

এ মন খুঁজে পায়-খুশির খুশবু সোহাগি রেণু -

সারা অঙ্গে প্রাণ ভরে-মেখে নিতে চায়,

হিয়ার আবেশে গীত সুরের গুঞ্জরণ,

তারই মাঝে উঁকি মারে চুপিচুপি মান অভিমানে মাখানো খুনসুটি

ও রূপে বিভোর তবুও আঁখি দুটি, 

উতলা- দুরন্ত, ভরা যৌবনের ঢেউয়ে 

নিমজ্জমান, এক মোহনিয়া চন্দ্রিমা প্রেমে।

ভালোবাসার বাকি কথা,সযত্নে আছে রাখা 

স্বপ্নময় অন্তরের মোড়া নীল খামে।