১৭ ডিসেম্বর ২০২০

সাহানা সিরাজী



মুক্তি


স্বাধীনতা দিবস সবার থাকলেও বিজয় দিবস কারো নেই,সবার মুক্তি থাকলেও আমাদের মুক্তি নেই।

ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের চোহদ্দী কাঁটাতারের ভেতর থাকলেও  মননের কাঁটাতার উঠেনি; স্বাধীনতা পেলেও সার্বভৌমত্ব  আজো মিলেনি-

শ্রেণি সংঘাত চলছে তো চলছেই

শ্রেণি বৈষম্য চলছে তো চলছেই

সামাজিক ট্রায়াঙ্গল নীতি ভেঙে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো 

হলো না আর এই ঊনপঞ্চাশেও ;


মুক্তির ভেতর আরেক মুক্তি হাহাকার করছে

যুদ্ধের ভেতর আরেক যুদ্ধ নীরবে অশ্রুপাত করছে।

জামার ভেতর ছেঁড়া গেঞ্জির মতো পরিপাটি আমরা

টকটকে লাল বাঁশের ভেতর ঘুণ যেমন 

আব্বার কবর যেমন বেদখল 

আম্মার ঘর যেমন লুটপাট বেখল

আমাদের মুক্তিও তেমনি ঘুণে ধরা বেদখল।


মুক্তির ভেতর অন্য মুক্তি ছেঁড়া কাপড়ের  ঠিকানা

ঠোঁটের ভেতর আরেক ঠোঁট  আইনের সূঁতোয় সেলাই করা,জোরে হাঁচির শব্দেও ঝরে কালো রঙের রক্ত

আমরা পারি না শোক করতে,বিলাপ করতে

আমরা পারি না মুখ বাঁকা করতে


গেরিলাযুদ্ধ সবাই দেখে

অস্ত্রের যুদ্ধ দৃষ্টিগোচর

ডুবতে থাকা  জাহাজের নাবিকের বাঁচার যুদ্ধ কেউই দেখে না; খুলে নিয়ে যায় এমন কী ইঞ্জিনও 

মাছের দৃষ্টিতে ক্যাপ্টেন  তাকিয়ে থাকে 


মুক্তির ভেতর আরেক মুক্তি বাঁচার জন্য চিৎকার করে

আমরা দুহাতে কান চেপে রাখি

আমরা কালো কাপড়ে চোখ বেঁধে রাখি,

আমরা খাবারের প্লেটে পানি ঢেলে উচ্ছ্বসিত  হই,

কেবল সমস্বরে গেয়ে উঠি -

"আমার সোনার বাংলা,আমি তোমায় ভালোবাসি "

সেলিনা আহমেদ



স্বাদের বিজয় 


বিজয় বিজয় বিজয় 

আজ চারদিকে বিজয়ের উল্লাস। 

উল্লাসে উল্লাসিত আজ পুরো বাংলাদেশ । 


জাগো মানুষ জাগো

ভেঙে ফেলো হিংসার দেওয়াল

সব ব্যবধান ভুলে গিয়ে, বিজয়ের 

নিশান উড়িয়ে, মুক্তির স্বাদ নাও।


ঘরে ঘরে আজ আনন্দের জোয়ার, 

তোমাকে ফিরে পাওয়ায় হে স্বাধীনতার বিজয় । 

লাল সবুজে সেজেছে, বাড়ি অফিস, আদালত। 


মা তোমার শঙ্কা কেনো আজ?

টগবগিয়ে খুন ছুটছে ধেয়ে 

লাল-সবুজের পতাকা হাতে 

নবীন প্রবীন, কৃষক, মজুর সবে। 


মা,আজ অন্ধকারে নেই তো কেউ 

আলোর মশাল হাতে প্রতি ঘরে ঘরে। 

তোমার যোগ্য উত্তরসুরী রয়েছে পথ চেয়ে,

 হবে হবে জয়,নেই কোন ভয়।


মা তুমি পরিপূর্ণ, 

তোমার দেশ আর 

নয়তো কারো অধীনে।

রয়েছে আজও 

কেউ কেউ তোমার 

নিন্দুকের দলে। 

ভয় কি মা? 

নিন্দুকেরা আছে বলে,

আমাদের সবার সজাগ দৃষ্টি। 


আজ এই বিজয় দিবসে

 সবাই একসঙ্গে বলি,

এদেশ আমার, এদেশ তোমার, এদেশ লাখো শহীদের। 

বিজয় বাংলাদেশের,

আমাদের বাংলার ।

এন. এইচ. চৌধুরী বিপ্লব



বিজয় কেতনের 


৫২ এর ভাষা আন্দোলন-

৬৯ এর গণ বিস্ফোরণ -

৭১ এর স্বাধীনতার বারুদ। 


দু'শো বছরের ব্রিটিশ শাসন

চব্বিশ বছরের পশ্চিমা শাসনে

যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে জীবন,

অধিকার আদায়ে মুক্তির মিছিলে

প্রতিবাদী কন্ঠে আগুন ছড়াল।


শাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে

বিপ্লবের পথে কোটি পদধ্বনির আওয়াজ,

৭০ এর গণতন্ত্রী জনতার দাবানলে পুড়ল শাসক

তাই ৭১ এর ২৫ শে মার্চের কালো রাতে

নিরীহ ঘুমন্ত জনতার উপর গুলি ছুঁড়ল ।


একি! রক্তের হোলি খেলায়

হত্যাযজ্ঞে সম্ভ্রম কেড়ে নিয়ে,

আমার স্বাদের মানচিত্রে

কলঙ্ক রেখা টানল হায়েনা রূপে।


ঘুরে দাঁড়াল বাংলার আবাল বৃদ্ধ ভণিতা

বেজে উঠল যুদ্ধের দামামা,

বিপ্লব স্পন্দিত বুকে নয় মাস অবিরাম সম্মুখ যুদ্ধে

শহীদের রক্তে ও মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে

হে স্বাধীনতা তোমার এল বিজয় আজকের দিনে।


সেই থেকে ৪৯ বছর ধরে বিজয় তুমি

আস উল্লসিত হৃদে বাতিঘর হয়ে,

দাম দিয়ে কেনা স্বাধীনতার বিজয়

আজও কেন  পৌঁছায়নি স্বাধীনতার মূলমন্ত্রে?


বিজয় তোমায় নিয়ে গর্ববোধে

আমজনতার নেই উৎসবের কমতি,

৭১ এর মত কাঁধে কাঁদে মিলিয়ে

মুছে দিতে চাই সকল অসংগতি।।


সুবর্ণ জয়ন্তীর দ্বারপ্রান্তে কড়া নাড়ছে

স্বাধীনতা দিবসের উৎসবের কলধ্বনি,

বিজয় দিবসে প্রত্যয়ী সব মন

একসুরে বলুক আমার সোনার বাংলা,

আমি তোমায় ভালবাসি- ভালবাসি ।

ফাতেমা ইসরাত রেখা



কথা ছিলো 


কথা ছিলো তুমি আমি হেঁটে যাবো 

এক আরণ্যক বেভুল পথিক,

ভেসে যাবো মহাকালের শপথে কোন 

শ্বাপদসংকুল পথে সামুদ্রিক। 


কথা ছিলো, খুব বিচলিত না হয়ে 

কিছু গোপন কথা হবে, 

ভুল ভ্রান্তিতে আর জমানো নালিশে 

ভালোবাসা মিশে রবে। 


কথা ছিলো বর্ষার রূপালী ঢেউয়ে 

ভাসাবো এই বসন্ত শরীর,

ইচ্ছের পাল তোলা তরীখানি তখন

ছুঁয়ে যাবে প্রণয়ী নদী তীর। 


কথা ছিলো,আশ্বিনের ভরা রোদ্দুরে

ছুঁয়ে দিবো বাবুইয়ের সংসার, 

হলুদ সন্ধ্যায় ডুবে শেষ গোধূলির 

সঙ্গী হবো প্রজাপতি ডানার।


কথা ছিলো শ্রাবণ ধারার স্রোতে 

মুছে দিবো ক্লান্তির ছায়া, 

শূন্য হৃদয়ে ব্যথার দহনে সব ছেড়ে 

বুকে জমা আছে শুধু মায়া। 


সব কথা আজ শুধু কিছু কথার ভীড়ে

নোনাজলে ভাঙে বুকের জমিন,

কিছু গোপন কথার শোভা বাড়িয়ে কষ্ট 

বাড়িয়ে চলছে জীবনের ঋণ।

সালমা খান


 

হারিকেন 


আমি তোমার রাতের আঁধার 

কোন আশায় পথে পথে 

খুঁজি বারে বার ?

অন্ধকারে খুঁজতে গিয়ে, 

রাত্রির শরীর জড়িয়ে নিয়ে,

চলেছি তোমার অভিমুখে

চাঁদের আলোয় দেখিনা 

তোমায়,  

দেখি ,আমার ভালোবাসা 

গুলো হারিকেনের সলতে

হয়ে পোড়ে,

রঙীন স্বপ্ন একটা একটা খুঁটে

খুঁটে দিয়েছিলাম জুড়ে।

তোমার আমার কাব্যকথা

নীরব চলা সাড়াশব্দ হীন,

যতই চাঁদের কানে কানে

বাজাও তুমি বীণ,

চাঁদের আলোয় হয়েছো

মলীন

এখন তোমার ইচ্ছা গুলো

সলতে পোড়া গন্ধ 

চাঁদের আলোয় দেখতে

তুমি মন্দ ।

জোছনার দহনে গেছো তুমি 

 হেরে

আঁধার ভালোবেসে যায়নি 

তোমায় ছেড়ে ।

জোছনার আলোয় তোমার

নেই পরিচয় ,

একটু আলোতেই

অন্ধকারে  

তোমার হয় জয়।

চাঁদ যতই বলুক 

সব তোমার ছল,

তুমিই আমার আঁধার

 রাতের  তীক্ষ্ণ চোখের

 বল ।

মো.শফিকুল ইসলাম শফিক



বিজয় মানে


বিজয় মানে,

নিপীড়িত সম্ভ্রমহারা নারী

বিজয় মানে,

রক্তিমরাঙা শত শবের সারি।

বিজয় মানে,

কাফনবস্ত্রে রাঙা রঙিন সাজ

বিজয় মানে,

অন্তীম মুক্তি কেতন মুকুট রাজ।


বিজয় মানে,

পিতাহারা মাতৃমনের বেদন

বিজয় মানে,

সত্যের মুক্তি চিরো অমর চেতন;

বিজয় মানে,

পীড়নধ্বংসে অপশক্তির নাশ

বিজয় মানে,

ভয়হীন ইচ্ছে স্বাধীন ফেলা শ্বাস।


বিজয় মানে,

বোনের কন্দন অশ্রু মুচন যন্ত্র

বিজয় মানে,

নিজঅধিকার ফলানোর এক মন্ত্র।

বিজয় মানে,

স্বক্ষমতা বুঝে নেওয়া বীর;

বিজয় মানে,

অকতোভয় বসতস্বর্গ নীড়।

১৫ ডিসেম্বর ২০২০

সৌগত রাণা কবিয়াল



বায়োস্কোপ


আজকাল হাতের দশ আঙুলের দশ ইচ্ছে ! 

বেচারা কব্জিসন্ধির হয়েছে বিশাল জ্বালা ,

তাহলে একবার ভাবো তো,

মন শরীরের কি হাল ? 

চারপাশে পেটমোটা ইঁদুরের থৈথৈ উচ্ছ্বাস,

কে রাখে পাড়ার চায়ের দোকানের

কালো ছেলেটির খবর ?

কালো ছেলেটারও একটা 

বুক হৈচৈ জীবন ছিলো,

কিন্তু ঐযে যেদিন থেকে 

ওর দশ আঙ্গুলের ইচ্ছে ফুটলো,

সেদিন থেকেই, ছেলেটার পেটে জল জমছে !

জলের গন্ধ কতো রকম,

যে যখন চাচ্ছে যেমন ! 

গন্ধগুলোরও আজকাল মরণ দশা,

মানুষের যে আজকাল বড্ড সুখের নেশা ! 

এই শহরে সবাই রাজা,

দশ আঙ্গুলের ইচ্ছে রাজা !

শুধু ঐ কালো ছেলেটার সবুজ মাঠের

রংবেরং এর ফড়িংগুলো,

একা হয়েই বেঁচে রইলো !

কাঠবিড়ালের মন নিয়ে 

সব সবুজগুলো ধূসর হলো ,

সুখি হতে হয় বলে

শহরবাসী সুখী হলো,

কি দারুণ সুখী হলো,

আহা,মলো,মলো,মলো,মলো...

                           

ফাহমিদা ইয়াসমিন




বাংলাদেশ


মায়ের মুখে ছিলো

সন্তান হারা শোক

বাবার মুখে ছিলো

কত যে আর্তনাদ

ভাইয়ের শপথ ছিলো

মুক্তি চাই শুধু মুক্তি চাই

প্রিয় স্বাধীনতা আমার।

কালোরাত দূর হয়ে জেগেছিলো আলো

স্বাধীনতা তুমি বড়ই বেদনার

এই সেই কাল রাত

মুছেনি আজো যার হাহাকার।


কতযে লাশ আর রক্তে ভেসেছিলো স্বদেশ আমার

হায়েনাদের বুলেটে

স্বাধীনতা তুমি সেই সবুজ পাতা

আমার কবিতার খাতা

যেখানে শ্রেষ্ঠ কবিতার নাম বাংলাদেশ।

শাহারা খান




শত্রুমুক্ত দেশ


লাল সবুজের ঐ বিজয় নিশান,

উড়ছে বাতাসে পত পত করে।

বিজয়ের ঐ নিশান আনতে,

কত প্রাণ গেলো অকালে ঝরে।


বাবা হারালো স্নেহের সন্তান,

বোন হারালো স্বামী।

পুত্র শোকে কাতর মাতা,

আজও কাঁদে দিবস যামি।


ইজ্জত হারিয়ে কত মা,বোন,

হলো যে বীরাঙ্গনা।

কত মজুর হারালো ভিটা,

নেইকো কারো অজানা।


জীবন বাজী রেখে যারা,

করলো দেশকে স্বাধীন,

তাদের কথা কেমনে ভুলবো,

কেমনে শুধিবো তাদের ঋণ?


মরেও তারা হয়েছে অমর,

জানাই তাদেরে সন্মান।

ইতিহাসের পাতায় লেখা রবে,

তাদের স্মৃতি চির অম্লান।


আজকে মোরা স্বাধীন ভাবে,

হাঁটছি শত্রুমুক্ত দেশে।

দেশের কল্যানে ব্রথ হয়ে,

মরবো দেশকে ভালোবেসে।

এস. এ. তালুকদার



ভয় নেই হারানোর 


নির্লোভ ভালোবাসায় হারানোর নাহি ভয়

হাজার মাইল দুরে গেলেও

হৃদয়ের অলিন্দে সৃষ্ট ভালোবাসা

জাগ্রত রয় __

কাউকে ভালোবাসা মনের স্বাধীনতা

ভালোবাসা পাবার আশা

ভিন্ন হৃদয়ের মর্জি,

আমার ভালোবাসা বিরহহীন

নীর্মল সুখে ভরা__

প্রিয়ার স্বরুপ আমি নব সাজে

হৃদয় দিয়ে গড়ি

কল্পলোকে অভিসারে

ভাসাই প্রেমের তরী,

নির্লোভ ভালোবাসা যার

হারানোর ভয় নেই তার__

সোহেল আহম্মেদ




কিশোর মুক্তিযোদ্ধা


ফারহাত নামে একজন কিশোর 

মুক্তিযোদ্ধা ছিলো, 

নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও ফারহাত 

শত্রুর ক্যাম্পে গেলো।


যাওয়ার আগে তাঁর শরীরে 

বোমা বেঁধে নিলো,

সেই বোমারই বিস্ফোরণে 

ক্যাম্পটি উড়ে গেলো।


জীবন দিয়ে ফারহাতেরা 

আনলো স্বাধীনতা,

কতো ফারহাত জীবন দিলো 

অজানা সেই কথা।


ফারহাতের ত্যাগ স্মরণ হলে 

নুয়ে আসে মাথা,

যাদের রক্তে লেখা হলো 

বাংলার বিজয় গাথা। 


ফারহাতেরা যায়নি মরে

সগৌরবে উড়ে,

লাল সবুজের ডানা মেলে 

বাংলার গগন জুড়ে।


( কবিতাটি বিশিষ্ট কবি ও লেখক শ্রদ্ধেয় ফাহমিদা ইয়াসমিনের লেখা  মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক শিশুতোষ গল্পের বই "ফারহাতের বিজয়" এর কাহিনী অবলম্বনে রচিত )

তাহের মাহমুদ




সংশয় 


ওপাশে কে আছ যে তোমার কাছে চেনাজানা

এপাশে হাজার চোখের ভীড় আমার অচেনা।


ওপাশে সরব আলো আঁধারের ফাঁকে ফাঁকে

এপাশে মন হাসে নীরব অভিমানী সুর আঁকে।


ওপাশে আকাশটা শ-বর্ণ পেখমে নীল ছড়ায়

এপাশে পাতালপুরের ডাক হাঁকে চিরনিদ্রায়।


ওপাশে মন উল্লাসে হাসে সুখের কানাকানি

এপাশে কে ধেয়ে আসে অশুভ শোকের বাণী।


ওপাশে দ্বীপ জ্বেলে রয় দিন আলো দেয় চাঁদে

এপাশে এ কিসের অতো বিদগ্ধ মুখোশ কাঁদে।


ওপাশে এতো কি গুঞ্জন বেঁহুশের কানাকানি

এপাশে এতো সুধা তবু না পাওয়ার হাতছানি।

আমার মা কবি সালেহা খাতুনের লেখা ( সালমা খান )



মন


প্রতিহিংসার আগুনে তুমি সারা জীবন জ্বলবে!

তুমি আমার পথের কাঁটা ঝাড় জঙ্গল উপড়ে দিলাম ছুড়ে ,

পথ পেয়েছি খুঁজে।

সব আনন্দের  উর্রদ্ধে আমি এখন  চাই যারে অন্তরে ,

সে আমাকে দেয়না ধরা,

 মোর ভাবনা থাকে তাকে ঘিরে ,

 সর্বদা থাকে সে আমার হৃদয় জুড়ে ,

গোধুলীর এই শেষ বেলাতে হাঁটছি

  পিছল সরু পথে !

 পা পিছলে না যাই যেন পড়ে!

 রুহটাকে  বস করেছি না যাই যেন ফসকে,

জীর্ণ শীর্ণ হয়ে পড়ে ছিল হ্নদয়ের এক কোণে !

এখন সে মোটা তাজা আমার কথাই উঠা বসা,

 আমাকে সে মানে!

কষ্টে শিষ্টে ভালো আছি আমরা দুজনে,,