২৯ নভেম্বর ২০২০

মাহমুদুন্নবী জ্যোতি


সময় ও জীবন

তীব্র বেগে ছুটে চলা ধুমকেতুর মতোই

জীবন ছুটে চলে চিহ্নহীন সময়ের বাঁকে

শান্ত সমীরের বৈচিত্রময় প্রবাহের মতোই

জীবনকে ছুঁয়ে যায় আনন্দ-বেদনার ঢেউ

বাড়ন্ত দেহের অন্তরীক্ষে প্রষ্ফ‚টিত হয় 

সুবাসিত ফুলের সমাহার। আহ্লাদিত মঞ্জুরীতে

প্রেমার্ত অলির গুঞ্জণে বিমোহিত হয় হৃদয়

কখনো আবার আচমকা অজানা অচেনা

ঘূর্ণাবতে জীবনকে করে তোলে অস্তিত্বহীন

সাগরের মিলনে ধাবমান নদীর স্রোতের মতো

জীবনের মিলন ক্ষণ আর গন্তব্য সুনির্দিষ্ট

স্বচ্ছ জলের ন্যায় গতিপথে জীবন অনর্থক

যদি না জীবনকে ভরিয়ে দেয়া যায় শুদ্ধতার আবিরে

তাহমিনা শিল্পী


প্রতিজ্ঞাপত্র 

কথা দিচ্ছি- 

তোমাকে কোন গন্ধম খেতে দেবো না 

আমাকে প্রকম্পিত করতে বলবো না 

তোমার প্রণয়ের বৃষ্টিতে ভিজিয়ে ভিজিয়ে 

আমাকে সম্মোহিত করতেও বলবো না। 


আরেকবার এসো প্রিয় 

আমরা আবার আদিম সেই প্রাণী হয়ে যাবো 

আমরা কেবল জলের,বাতাসের গান শুনে যাবো 

আমরা প্রকৃতি হয়ে যাবো। 


বিগত পাপ মোচন করে 

আমাদের অভিশপ্ত সন্তানদের জীবন 

পরিশুদ্ধ করবো। 

জি এম কাউসার আলী‘ ( অষ্ট্রেলিয়া )



আসো ফিরে আবার 

এখনো মাঝ রাতে ঘুম ভাঙে 

তোমার শিহরনের ছত্রছায়ায়,

এখনো হাছনাহেনা  সুবাস ছড়ায়

তোমাকে বিমোহিত করার আশায়,

এখনো চাঁদ তাঁরা লুকোচুরি

করে তোমার রূপের ভয়ে !

এখনো জোনাকিরা জ্বলে নেভে

তোমার রূপ আলো ধার নেবে বলে !

এখনো ঝিঁঝিঁ পোকা ডাকে থেমে থেমে

তোমাকে গান শোনাবে বলে ।

এখনো আকাশে ধুমকেতু ছুটে চলে

তোমাকে চমকে দেবে বলে !

এখনো পুর্ণিমা রাত জোৎস্না ছড়ায়

তুমি আমি জোৎস্না স্নাত হবো বলে ।

এখনো আকাশে মেঘ জমে 

বৃষ্টি ঝরবে বলে অবিরাম ধারায়,

দুজনে ভিজবো বলে পরম মমতায়;

এখনো আকাশে বিদ্যুৎ চমকায় !!

ভয়ে তুমি আমাকে জড়িয়ে ধরবে বলে ;

এখনো চেয়ে থাকি তোমার আগমনের আশায়!

এমনি করে আবার ভাসবো মোরা ভালোবাসায়।

আসোনা আবার তুমি যেকোন বাহানায়?

শ্রাবণের এই হরদম বর্ষনমুখর সন্ধ্যায়?

আসো না সপ্তর্ষীর পরিপূর্ণ চাঁদ হয়ে 

আমার হৃদয়ে বিকিরণ ছড়াবে বলে,

শবের তনুবল্লরী হয়ে সারসের কপটতায়!

যদি আসো তুমি বিষাদে হরিষ নামবে!

সজল চোখের গন্ড দিয়ে অশ্রু হয়ে।

পাঁজরের ভিতর বইবে বসন্তের বারতার পেলবতা ! 

আসো তুমি আবার নতুন রূপে চুষে নিতে ?

হৃদয়ের যত ভালোবাসার রঙিন স্বাদ পেতে ?

রেবেকা সুলতানা



মেয়ে মানেই 

ভালো আছি থাকার নাটক শতো

কষ্ট চেপে রেখে মিষ্টি  করে হাসা,

নিজেকে জ্বালিয়ে  অন্য কে আলোকিত করা,

নিজের ইচ্ছে মাটি চাপা দিয়ে 

অন্যের ইচ্ছে তেই নিজের  জীবন রাঙ্গীয়ে নেয়া,

জন্মের আগেই দূনিয়ার আলো

না দেখানোর নিষেধাজ্ঞা  আরোপ, 

নিজের সাজানো ঘর ছেড়ে

অজানা অচেনা ঘরকে আপন করে নেয়া।

অন্যের স্বাধ বুঝতে গিয়ে নিজের স্বাধ নেয়া বারন ,

বংশের বাতী নিভে যাবার করণ, 

যৌতুকের চিন্তা বাবার ঘাড়ে

১৮ হলেই ঘরের বোঝা স্বপ্ন দেখা   বারন

কল্পনার  জগতে হাবুডুবু খাওয়া 

বাড়ী আছে হয় বাবার না হয়  শশুরের

বৃদ্ধ  বয়সে ছেলের 

নিজস্ব বলে কিছু নেই।

মেয়ে মানেই পুত্র  সন্তান 

জন্মানোর বায়োমেট্রিক মেশিন।

নিজের ঘর থেকে  চিন্তাধারা 

বদলালে বদলে যাবে সমাজ।

পুত্র  সন্তান যদি একটি বংশের বাতি হয় কন্যা সন্তান কেন             দুটি বংশের বাতি  নয়??

নূরুজ্জামান হালিম



এক এককো দুই


আমিতে আমিতে কত লুকোচুরি 

ভিতরে বাহিরে বিস্তর কাড়াকাড়ি 

বাহিরের আমি নিরন্তর বদলায়

দিন গুণে গুণে সমাজ সামলায়।

আপনার  আমি বন্দি কঠিন বৃত্তে

স্বপ্নের দহনে মরমে মরে চিত্তে।

দুইকে নিয়ে তবুও চলতে হয়

নিজের কাছে নিজের পরাজয়।

মমতা রায় চৌধুরী


তুমি আমি মিলে হাঁটছিলাম

তুমি আমি মিলে হাঁটছিলাম

নির্জন প্রকৃতির কোল ধরে।

দু চোখে রঙিন স্বপ্ন এঁকে

প্রজাপতির ডানা মেলে।

ঘর বাঁধবো আর কি সব আছে

মনের কল্পনায় সেজে।

রামধনুর সাত রং মেখে

রঙিন হয়ে উঠব দুজনে যে।

দুজনের বাহুবন্ধনের ডোরে

একটু কাছাকাছি এসেছি সবে।

হঠাৎ ই চিৎকারে ফিকে হয়ে গেল 

রঙিন হয়ে ওঠার স্বপ্নগুলো যে।

সব কিছু বোঝার আগেই

এক কিশোরীর ওপর ঝাঁপিয়ে

পরলো নরখাদকের দল যে।

অসহায় নারীর চিৎকারে

আমরা হয়েছি দিশেহারা যে।

তখন দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে

ছুটে গেছি সেখানে।

এক পুরুষ পৌরুষত্ব দেখাতে

আমার স্বপ্ন হলো রক্তাক্ত।

অন্য জান্তব পুরুষরা

পৌরুষত্বে ফলালো দুটি নারীকে

প্রবৃত্তির সুখে নির্যাতিত করে।

তুমি আমি হাঁটছিলাম

একে অপরের ঢাল হয়ে।

তুমি আমি হাঁটছিলাম

জন্ম-জন্মান্তরে একসাথে

থাকবার প্রতিশ্রুতি নিয়ে।

স্বপ্ন ,স্বপ্ন রয়েই গেল

কালিমালিপ্ত করে প্রকৃতিকে।

দু -চোখের রঙিন স্বপ্ন ঝলসে গেল

জান্তব মানুষ পশুর আক্রমণে।

রামধনুর সাত রং গায়ে  

না মাখতেই, বলি হলাম লালরঙে।

তুমি আমি হাঁটছিলাম

নির্জন প্রকৃতির কোল ধরে।

২৮ নভেম্বর ২০২০

জাফর রেজা



পৃথিবীর ভিড়ে 

কোনদিন যদি তার সাথে

দেখা হয় আবার 

পৃথিবীর পথে,

হয়তো তখন নীল হারিয়ে যাবে

আকাশকে সিঁদুর পরিয়ে

ক্লান্ত পাখিরা

ফিরে আসবে পৃথিবীতে।

জেগে উঠবে নক্ষত্র

খণ্ডিত চাঁদের ম্লান আলোয়

সেই  নারী জানতে চাইবে

কেমন ছিলে, কেমন আছো ?

মৃদু হেসে বলবো,অবশেষে ফিরে এলে , 

তোমাকে হারাইনি তবে

পৃথিবীর ভিড়ে ?

‌মোঃ হা‌বিবুর রহমান মুক্তগদ্যে তুলে ধরলেন মন-মানুষে কথা



অধরা মন

মন জা‌নে না ম‌নের খবর, কথাটা ঠিক আ‌ছে কিন্তু কিছু ব্যাপা‌রে মনটা আবার বেশ এক‌নিষ্ঠভা‌বেই কাজ ক‌রে আর মন ঠিকই তার পছন্দসই জি‌নিস‌টি, ম‌নের মানুষ‌টি বা একান্ত প্রিয় বস্তু‌টি বাছাই ক'র‌তে কিন্তু একদমই ভুল ক‌রে না।


মানু‌ষের দু‌'টি মন থা‌কে। এক‌টি প‌জি‌টিভ মন আর অপর‌টি নে‌গে‌টিভ মন। প‌জে‌টিভ মন মানু‌ষকে ভাল প‌থে চালায় আর নে‌গে‌টিভধর্মী মন‌টি মানুষকে মন্দ বা খারাপ প‌থে প‌রিচালনা ক‌রে থা‌কে। 


খারাপ ও ভাল ম‌ন্দের ঠেলা‌ঠে‌লি বা দ্ব‌ন্দ্ব চ‌লে রাত‌-দিন অহ‌র্নিশ। ‌শেষ‌মেশ এ‌দের জয়-পরাজয় নির্ভর ক‌'রে স‌র্বোপরী মানু‌ষের ইচ্ছাশ‌ক্তি বা 'Will Power' এর উপর। 


খারাপ মন‌টি কোনক্র‌মে ভাল ম‌নের উপর প্রভাব বিস্তার ক'র‌তে পার‌লেই কিন্তু ভাল মানুষ‌টি ‌নি‌জেই নি‌জের কাছে নি‌মি‌ষেই হে‌রে যে‌য়ে হ‌'য়ে যায় মুহূ‌র্তেই যেন একদম কু‌পোকাত বা ধরাশায়ী । 


ভাল-ম‌ন্দের এমন দোলাচা‌লে তাই মানুষ জয়ী হ‌'তে পার‌লেই কিন্তু তাঁরা একটা বেশ সন্মানজনক স্থা‌নে পৌঁছা‌তে পা‌রে আর এ কা‌জে যারা ব্যর্থ হয় তারাই প‌রিণা‌মে কিন্তু আস্তাকু‌ড়েই নি‌ক্ষিপ্ত হয়।

মতিয়ার মিল্টন



প্রথম বেলার রৌদ্র

প্রথম বেলার রৌদ্রের মত পথ চলার দৃপ্ত প্রত্যয়ে--অনেকটা পথ হেঁটে এসেছি।

পড়ন্ত বিকেলে,ঢলে পড়া সূর্যের মত পাটে বসে আয়ুস্কাল হাতছানি দেয়;

যেন জীবন থমকে যাবে গোধূলি বেলায়!


শেষ বিকেলের রৌদ্র ওম হয়ে মিশে থাকে রাতের শরীরে,

তাই সকালে সোনা হয়ে ঝরে।


অথচ জীবন থমকে যায় ট্র্যাফিক-জ্যামে,

রৌদ্রের মত নতুন করে যায় না বারবার শুরু করা।


গোধূলি লগ্নে এসে সোনালী অতীতও ফিকে হয়ে যায়।

তবু অপেক্ষায় থাকি --

রাত্রি সাগর পাড়ি দিয়ে প্রথম বেলার রৌদ্র হতে।


কিন্ত জীবন ডুব দেয় একদিন সাগরের বুকে, 

সূর্যের মতো ফিরে আসে না আর সকাল হয়ে।

আইরিন মণীষা


  প্রতীক্ষা

সেদিন তুমি এসেছিলে

ক্ষনিকের তরে ওগো তুমি,

কেন যে আমায় ভালো বেসেছিলে

এখনো প্রতীক্ষায় আছি আমি।। 


ভালোবেসে তুমি বলেছিলে

যাবে না তুমি আমাকে ছেড়ে,

প্রতীজ্ঞাবদ্ধ তুমি বেশ কেঁদেছিলে

নিয়েছিলে তুমি আমারি মন কেড়ে। 


যাবার বেলায় তুমি লিখেছিলে

আসবে তুমি ফিরে আমার জীবনে, 

আমার ক্রন্দনে তুমি খুব হেসেছিলে

আর বলেছিলে তুমি ফিরবে সৃজনে।


বিদায় বেলায় বলেছিলে

আজীবন তুমি রাখবে মোরে ধরে,

সত্যিই কি যে তুমি ভেবেছিলে 

তোমারি বিহনে আমি থাকব মরে পড়ে।

রেহানা বীথি



কমলা পাহাড়ের আগুন ও নক্ষত্র দৌড়

তারপর খুলে রাখলাম জলের বোতল 

আর চেয়ে দেখলাম 

কোনও কোনও হারিয়ে যাওয়া কিংবা আবির্ভাব 

যখন নক্ষত্রদের একান্ত দৌড়ের ভেতর 

আমরা তো কিংবদন্তি ভ্রমণ পিপাসু 

আমরা তখন তারাদের সাথে হাত মেলাচ্ছি... 

ক্যানভাসে এঁকে নিতে চাইছি  অর্ধসমাপ্ত সেই মুখচ্ছবি 

জলের বোতল থেকে বেরিয়ে আসছে বুদবুদ 

একটি শলাকা এবং বারুদের গন্ধে 

পুড়ে ছাই হতে হতে একটি কমলা পাহাড় 

নিজস্ব আগুন জ্বেলে দিচ্ছে সপ্তাহের জমানো স্তূপে

শ্যামল রায়



কবিতার জন্য প্রহর গুনছি 

কবিতার নাম আর কতক্ষণ

কবিতা তুমি কি করছো ---

খেয়েছো?

সব কাজ সেরে ফেলেছো?

আর কতক্ষণ!

আমাকে অপেক্ষা করতে হবে?

কবিতা তোমার সাজগোজ হয়েছে

আকাশী রঙের শাড়িটা

ঠোটে লিপিস্টিক

কপালে টিপ

এসবের কাজ

শেষ হয়েছে কবিতা!

আর কতক্ষণ

আমি তো অপেক্ষা করছি

অনুভবে অনুভূতিতে  প্রহর গুনছি

দু ঠোঁট এগোচ্ছে বারবার

ভালোবাসার কাছাকাছি

সম্মতি চাইতে----

কবিতা তুমি কোথায়?

তোমার চিঠিটা এখনো খামে আছে

মন বলছে ,চিঠির মধ্যে

 তোমার অনেক আদর সযত্নে রাখা

এখন শুধু অপেক্ষা রিংটোন এর

খুঁজি বৃষ্টির জন্য

উষ্ণতায় তোমার হাত দুটি ।

আঙ্গুলগুলোয় ছুয়ে দেখতাম

আর কতক্ষণ।

তোমার জন্য বালিশের কাছে

 রেখে দিয়েছি, গোলাপ

একটি রিংটোন পেলে

শরীরের ভেতর অনুরণন হতো

তাই প্রহর গুনছি

 অপেক্ষার পর অপেক্ষায়।

অলোক দাস এর আতিত জড়ানো মুক্তগদ্য



জেনারেশন 

অপূর্ব বিশ্লেষণ, এতো আমার জীবনের কথা, হ্যাঁ, কলেজ পাশ কোরে হটাৎ প্রফেসর দেখা দিলে রাস্তায়, সিগারেট অমনি মুখ থেকে পড়ে যেতো, ছেলে মেয়ে একসঙ্গে গুলি খেলেছি, ভাইবোন হারিকেনের আলোয় চিৎকার কোরে পড়াশুনা করেছি, পাঠশালাতে মাস্টারমশাই বেত দিয়ে মারতো যদি অঙ্ক ভুল হতো, বাড়ি এসে কিছুই বলতাম না, পাড়ার দাদারা কিছু অন্যায় করলে মারতো, বাড়িতে বলতাম না, বেশি সময় মাঠে খেলতাম, আজ আর মাঠটা নেই, দশতলা বাড়ি হোয়ে গেছে, পুকুরে ছিপ ফেলতাম, অনেক মাছ ধরতাম, পুকুরের মালিক এলে, জামা প্যান্ট সমেত পুকুরে জাপ মারতাম, ভোর চারটে উঠে দুই বন্ধু মিলে আম চুরি করতাম, মালিক বলতো কে? আমরা বলতাম তোর বাবারে, মালিক ভয়ে আলো নিভিয়ে দিতো, সেই গাছ ও মালিক ও নেই, বাড়ি হয়ে গেছে, পুকুরে বিনয় ও আমি দু ঘন্টা চান করতাম (বিনয় পাঁজা, মোহনবাগান ক্লাবের স্ট্রাইকার ছিলো ), বাড়ির পাশে জঙ্গল ছিলো, শিয়াল ডাকতো, স্কুল ছুটি দেবে না, এ কখনো হয়, সামান্য বৃষ্টি, সবাই মিলে সব বেঞ্চি জলে ভিজিয়ে দিতাম, হেডমাস্টার আসতো, মালি ঘন্টা বাজিয়ে দিতো, ছুটি ছুটি, আমাকে ভাড়া কোরে ক্রিকেট খেলতে নিয়ে যেতো অনেক ক্লাব, বন্ধুরা বাড়ি আসতো, চ আজ খেলা আছে, আমি হয়তো মাদুর পেতে পড়ছি, মাকে বল, মাসিমা আজ খেলা আছে, মাকে ভীষণ ভয় পেতাম, চার /পাঁচটা উইকেট বাঁধা ছিলো, কতো প্রাইজ, আজও আছে, হ্যাঁ, আমরাই শেষ জেনারেশন, বয়স্ক বৃদ্ধ, বৃদ্ধাদের সম্মান করেছি, আমরাই রেডিওতে BBC খবর ও গান শুনেছি, এখন আর ভেসে আসে না, আকাশবাণী, খবর বলছি দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়, নমস্কার,