১১ আগস্ট ২০২১

ইকবাল বাহার সুহেল ( ইংল্যান্ড ) 


 


আমাদের “হারাধন"

 

 হারাধনের একটাই .. ধন 

থাকলেই কি আর হারাইলেই কি 

 মায়ে কইতো 

 সাত রাজার ধন কামে আইবো 

 অখন মা মইরা গেছে 

বউয়ে কয় বেখাইম্মা এইটা টাবাইয়া তন !


 হারাধনের একটাই .. ধন 

থাকলেই কি আর না থাকলেই কি

 বাবা কইতো 

মানিক আমার .. হেরে দেইখ্খা 

 কত পরীর ভাঙ্গবো মন 

বাবা অখন মইরা গেছে .. 

বউয়ে কয় থুতু দেই কপালে টাবাইয়া তন ! 


 হারাধনে একটাই .. ধন 

থাকলেই কি বা পইড়া গেলেই কি

 পাশের বাড়ির মাইয়া কইতো 

ছুঁইয়া দেহি করিয়া যতন মাইয়াটা ভাইগ্গা গেছে .. 

বউয়ে কয় মুরদ নাই মরদ বেটা পাটাতন !

 মুন চক্রবর্তী

 




তুমিই মঙ্গল ধ্বনি 

কবিগুরুর স্মরণে শ্রদ্ধার্ঘ কবিতা -- 

ঘুমিয়ে আছি ঘুমের সুখে জেগে আছ তুমি মানুষ হবার মন্ত্র নিয়ে সব আজ কর্পোরেট তুমি অন্তরের। গানে গল্পে কবিতার দানে জগত কে এনেছ হৃদয়ে আমরা হৃদয় বিহীন তার বিহীন তানপুরা। বাঁধতে চেয়ছ অপরিসীম সৃষ্টির লাবণ্য সুধায়। স্বার্থের গহীন অন্ধকারে দেখেছি আকাশ ছোঁয়া অট্টালিকা,আকাশ দেখি নাই। মুক্ত চেতনা রেখেছ বিশ্বের ঘরে, ঘরের মানুষ কে রাস্তায় ঠেলে তোমার গান ধরেছি অবুঝ সাজিয়া। আজ বাতাস নদী পাহাড় ঝরণা কেবল বেচা কেনা। তোমার সাজঘরে পরে আছে মানুষের মঙ্গল ধ্বনি পূজা প্রেম নিয়ে আছ মহর্ষি মুক্তির ঠিকানা রবীন্দ্রনাথ বাইশে শ্রাবণ স্মরণে, আশীস চাই মানুষ যেনো মানুষ হয় মৃত্যুর শেষ যাত্রায়।

শিবনাথ মণ্ডল

 



ম্যাজিক ছাড়ো


পান বিড়ি সিগারেট 

মদ গাঁজা আদি 

পথিবীতে নেশায় বলি 

পণ‍্য নিরবধি। 

যাতে শরীর ক্ষয় 

আর প্রাণহানি দুর্বল শরীর

 মনে বহু দুঃখ মানি। 

তাই বলি ভাইসব 

ছাড় এই সব 

অল্প বয়সে কেন 

হতে যাবে শব। 

মাদক দ্রব‍্য ছেড়ে 

সুস্থ রাখ দেহ 

সংসারে আনন্দ পাবে 

সুস্থ রবে গৃহ।

 যাবৎ জীবন যারা 

 মাদক না ছোঁবে 

শিবনাথ এর কথা

 তারা সুস্থ রবে তবে।।

সজিব আল হাসান 

 



ছোট প্রবন্ধ 


 আমাদের সবচেয়ে সুন্দরতম দিনগুলো আমরা ফেলে এসেছি অতীতে, আমাদের আনন্দময় মুহুর্তরা আটকে গেছে অনেক বছর আগে... জীবনটা তখন সহজ ছিল, হাসিমুখ আনন্দের ছিল, প্রাণবন্ত উচ্ছ্বলতার ছিল... সে এখন অন্য কারোর ....এটা জানার পরও তাকে অনেক ভালবাসি কারন তাকে ভালবাসা, তাকে মিস করা  আমার অভ্যাস হয়ে গেছে তবে তাকে কখনো ফিরে পেতে চাই না  কারন আমি চাই সে তার ভালবাসার মানুষকে নিয়ে সুখে থাকুক.... হ্যা ভালোবাসি। খুব ভালোবাসি। জানি তাকে পাওয়া হবে না। শুধুমাত্র কোনো মিরাক্কেল না হলে তাকে কখনোই নিজের করে পাওয়া হবে না। তবুও তার পাশে আছি। পাব না জেনেও তাকে খুব ভালোবাসি। কিন্তু দিন শেষে মেনে নিতে খুব কস্ট হয় যে যাকে এতটা ভালোবাসি তাকে কখনো পাব না। তবুও আমি তারই আছি। পাওয়ার সাথে ভালোবাসার কোনো সম্পর্ক আছে? তাকে পাবে কি পাবেনা এই হিসেব করে ভালোবাসা যায়? সম্ভব?  উহু সম্ভবইনা। ভালোবাসা ভুতের মত আর ভুতকে কখনো পাওয়ার আশা করতে নেই। আশা করা মানেই ওটা দেনা পাওনার হিসেবে উঠে যাবে। আমি মনে করি ভালোবাসার মানুষটাকে না পাওয়াই স্নেহ। শুরু মাত্র সেই মানুষটা জীবন থেকে চলে গেলেই বোঝা যায় তার প্রয়োজন টা কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিলো আর তাকে পাওয়া কোনো ভাবেই সম্ভব না। তবুও সে আমার অনুভবে হরহামেশা যাতায়াত করে সে আমার সাথে যা করেছে সেটা মেনে নেওয়ার মতো না। তবুও পরন্ত বেলায় তাঁকেই ভালোবাসি জীবনের  সবটা দিয়ে যাকে ভালোবাসি,যে আমার জন্য দুনিয়ার সবটা করতে পারতো আজ প্রায় সাড়ে ৪ বছর পরে যখন পারিবারিক আর বংশগত সমস্যার জন্য বলে আমি তার জীবনে কালো ছায়া,আমি মানুষটা সহ্য করার মতন না তখন এইসব প্রাপ্তি বা অসমাপ্ত জীবনের কাহীনি দেখলে নিশ্বাসটা মনে হয় বন্ধ হয়ে যায় প্রাপ্তির সপ্ন তো আমিও দেখেছি কত.... আর অসমাপ্ত জীবন তো এখন আমারো। অথচ বেচে আছি ২জনই! পরিবারের জোরাজুরি তে ভালবাসার মানুষ্টাকে হারিয়েছি বহুকাল আগেই।অসহায় ছিলাম তাদের কাছে তাই শতচেষ্টা করেও ধরে রাখতে পারিনি তাকে  আল্টিমেটলি বেইমান,স্বার্থপর হয়েই থেকে গেলাম তার চোখে। অনেক ঝড়-ঝাপটা-চোখের জলের বিসর্জন দিয়ে তাকে পেয়েছিলাম। কিন্তু ফ্যামিলির কথা চিন্তা করে শেষমেষ তার সাথে সম্পর্কটা ভেঙ্গে ফেলতে হয়, তার সাথে বুকের মাঝে হাজারো হাহাকার চেপে রেখে  তাকে ফিরিয়ে দিতে হয়! হ্যা, এভাবেই হাজারো ভালোবাসা চাপা পড়ে যায় পারিবারিক স্বার্থে। এখন শুধু কোলবালিসটা শুনতে পায় রাতের পর রাত জেগে দেয়া চাপা চিৎকার ও আর্তনাদ সত্যিকারের ভালবাসে এমন মানুষ পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার,আর তা আামার ছিল। তার মধ্যে চলে আসল পরিবার ৪ বছরের সম্পর্ক তুলে দিছি অন্যের হাতে। কি করবো তাকে রেখে দেবার সাধ্য যে আমার নেই স্বার্থকতা শুধু এতটুকুই মানুষটা আগেও নিস্বার্থভাবে ভালবাসত আামায়,আজও বাসে চোখের সামনে নিজের ভালবাসার মানুষকে অন্যজনের হতে দেখেছি। তারপরও বলি ভালো থাকুক মানুষটা এতো ভালোবাসার গল্প, এতো পাওয়ার আকুলতা, এতো প্রেমিক, এতো প্রেমিকা তবুও বিচ্ছেদের গল্প কেনো চারিদিকে ? এতো প্রেমের মানুষ তাহলে ভালোবাসার গল্পগুলো কেনো পূর্ণতা পায় না? তাহলে কি সব ভালোবাসা ভুল খামে ভুল ঠিকানায় চলে যায়? নিজের হাতে প্রিয় মানুষটার কবর দিয়েছি। প্রিয় মানুষটাকে হারিয়ে দেখেছি হাজার লোকের ভিড়ে নিজেকে একা হতে। সবাই সবার প্রিয় মানুষটিকে হাজার প্রতিকুলতার মাঝে আগলে রাখুক। আমার মত ওয়াশরুমের ট্যাপ ছেড়ে বাড়ি ভর্তি লোক থেকে নিজেকে লুকিয়ে আর কেউ কান্না না করুক, এই আমার চাওয়া। সত্যি বলছি, নিজেকে অনেক অসহায় মনে হয়। নতুন কারো সাথে মানিয়ে না নেওয়ার ইচ্ছা হয়, যা নিজের সমাধি জীবন্ত থেকেও অনুভব করায়। আহা ভালোবাসার কি নির্মম পরিনতি ভাগ্য না থাকলে আসলেই ভালোবাসার মানুষটিকে সারাজীবনের জন্য পাওয়া যায়না যদিও আমার কাছে মনে হয় ভালোবাসলেই যে পেতে হবে সংসার করতে হবে এমনটা কথা নেই।ভালোবেসেই বলি ভালোবাসার মানুষটা আমার হোক বা নাহোক সমস্যা নেই তবে ভালোবাসাটা যেন ভালো থাকে সবসময়।

০৮ আগস্ট ২০২১

গোবিন্দ ধর 




 এঁকেছি মুখ 

 


 কবুতর উড়িয়ে দিয়ে এঁকেছি তোমার মুখ। 

 মুখ ফিরিয়ে নিলেও আকাশ থাকবে বাতাস বইবে। 

ঝড় আসবে।বহুকোটি বছর ধরে অসংখ্য শেওলায় 

 ঢেকে দেবে মমিশরীর।পাষাণ শরীর।এসো শরীর পাখি উড়ে যাক অরণ্যসুন্দর প্রকৃতির গহনমাঝে। 


 কিছুকাল নেচে যাক একটি নির্ভুল সকাল। 

ছাদের কার্নিশ থেকে আগাছা উপড়ে ফেললেই বহুকাল বেঁচে থাকে গৃহসুখি চড়ুই। 

 চলো,আঁকি মুখ-মুখোশ খোলে রাখো 

 বিসমিল্লাহ খান বেজে উঠুক।



 ২৩:০৭:২০২১ বেলা:০৪:৪০মি কুমারঘাট।

শুভমিতা বিশ্বাস





 রীতি কথা 

 

 যেদিন আমার তোমার প্রতি 

সমস্ত রাগ নির্জন হবে 

 সেদিন বুঝে নিও... 

 আমি তোমার হৃতপিন্ড থেকে পালিয়ে এসেছি ।

মোঃ হা‌বিবুর রহমান 




 অব‌শে‌ষে ক‌বিতা লি‌খে ফেললাম 



 একটা ক‌বিতা লিখ‌বো লিখ‌বো ক‌রে অব‌শে‌ষে লিখেই ফেললাম, যে ক‌বিতায় আ‌ছে সুজলা, সুফলা, শস‌্য শ‌্যামলা বাংলা মা‌য়ের কথা। অা‌ছে ষড়ঋত‌ু-গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বস‌ন্তের কথা। বহতা পদ্মা, মেঘনা, যমুনা আর আত্রাই‌য়ের কথাও বাদ যায়‌নি যেথা। আ‌ছে সব মুঘল, নবাব আর ইং‌রেজ আম‌লের একচ্ছত্র শাসনামলের কথা, সাতচ‌ল্লিশে অ‌র্জিত কা‌ঙ্খিত স্বাধীনতা আর একাত্ত‌রের মহান স্বাধীনতা যু‌দ্ধের কথাও আ‌ছে সেথা। বায়ান্নর ভাষা আ‌ন্দোলনের বীর শহীদ সালাম, বরকত ও জব্বার সহ সংশ্লিষ্টদের কথাও আ‌ছে সেথা। ঠাঁই পে‌য়ে‌ছে সেথা নজরুল, রবীন্দ্রনাথের মত বিশ্ববরণ‌্য সব খ‌্যাতনামা ক‌বিদের কথা, দে‌শ মাতৃকার ত‌রে শহীদ হ‌য়ে‌ছেন যারা অকু‌তোভয় সেই বীর মু‌ক্তি‌যোদ্ধা-সেনানী‌দের কথা। আ‌ছে ত্রিশ ল‌ক্ষ বাঙ্গালীর জীবনের বি‌নিম‌য়ে অ‌র্জিত লাল সবু‌জের পতাকার কথা। আরও আ‌ছে মহান নেতা 'বঙ্গবন্ধুর' কথা-যাঁর ডা‌কে যু‌দ্ধে ঝাঁ‌পি‌য়ে প‌ড়ে‌ছি‌লো যারা, এনেছি‌লো ছি‌নি‌য়ে সে‌দিন মহান স্বাধীনতা, বাংলা মা‌য়ের সাহসী দামাল সূর্যসন্তা‌নেরা। ক‌বিতা লিখ‌বো লিখ‌বো ক‌রে অব‌শে‌ষে একটা ক‌বিতা কিন্তু লি‌খেই ফেললাম।

০৫ আগস্ট ২০২১

দেবজ্যোতি কর্মকার

 



পথ



সবাই যেমন মেপে পা চালায়

আমি তেমন কোনও ছন্দ শিখতে পারিনি ;

পারিনি ব'লেই আমার সঙ্গে আর পাঁচজনের মেলে না;

মেলে নি ব'লেই তো আমি অন্যদের থেকে একটু আলাদা ;

আলাদা বলতে তেমন কিছুই নয়--

তাদের মতই চোখ, নাক-কান; এমনকি মাথাটাও অনেকটা এক

আবার গায়ের রংটাও কারও কারও সঙ্গে হুবহু মিলে যায়!

আবার অদ্ভুত হলেও সত্যি যে অনেকের মতই কবিতা লিখি;

জীবনানন্দ পড়ি; রবীন্দ্রসংগীত, মেঘমল্লার শুনি

খুব হাসিতে লুটিয়ে পড়ি, আবার ভীষণ কান্না পেলে কেঁদেও ফেলি;সবার অলক্ষ্যে!

অলক্ষ্যে বলতে তুমি লক্ষ্য করনি তাই --

আসলে এগুলো তো লক্ষ্য করার মতো কিছুই নয়

যাকগে, আলাদা কেন সেটাই এখনও বলিনি তাই তো? 

তোমাদের সঙ্গে চলতে চলতেই হঠাৎ আমি উল্টো দিকে হাঁটি

বেরসিকের মতো এলোপাথাড়ি ছুটতেই থাকি

কখনও ভীষণ একগুঁয়ে, বড্ড জেদি

তখনই তোমাদের, বিশেষত তোমাকে আমার নিজের পথে চালাতে চেষ্টা করি;

এখানেই ঘটে বিপত্তি। 

বিপত্তি ঘটেই চলেছে। চলেছে বলেই এতবার তোমাদের সঙ্গে গোলযোগ বাঁধে; 

যেকারণেই আমাকে নিয়ে তোমাদের এত এত অভিযোগ; এমনকি আত্মিক বিয়োগ!

শুধু কী অভিযোগ? 

কত রাগ, তীব্র ঘৃণা, গালাগাল শুনতে হয় আমাকে! 

এত ভর্ৎসনায় এতটুকু দমি না আমি

আর দমে যাই না বলেই 

আবারও নতুন করে স্বপ্ন দেখি

সে স্বপ্নে বাসা বাঁধে সংসারে হোঁচট খাওয়া কিছু উন্মাদ;

যেখানে অবাধে মিলেমিশে এক হয় লালন সাঁইয়ের মাটির হাঁড়ি;

স্বপ্নের উঠোনজুড়ে সূর্যটা রোজ বনবন ঘোরে

ঘুরতে ঘুরতে সন্ধ্যায় চাঁদ এসে উপচে পড়ে ঘরের বারান্দায় 

অথচ তুমি সেই বারান্দায় দু'দন্ড ব'সে আজও 

ভেজা স্বপ্নগুলোর গল্পই শোননি!

শোননি বলেই না এত গোলমাল হচ্ছে 

গোলমেলে দেখাচ্ছে সূর্যের রং এখনও লাল নাকি খয়েরি, ফিঁকে!

গোলমেলে দেখাচ্ছে চাঁদের আদল ঠিক কার সঙ্গে মেলে! 

আমি এসব দ্বান্দ্বিক সভা উপেক্ষাই করি 

উপেক্ষা করি আমাকে ঘিরে তোমাদের যত সংশয়! ঘৃণা, বিদ্বেষ কিংবা আক্রোশ। 

বারবার তবু তোমাদের নিয়েই স্বপ্ন দেখি। বিশেষত তোমার কাছেই বারবার আশ্রয় চেয়ে উপশম খুঁজি।

খুঁজতেই থাকি, হাতড়াই, হোঁচট খাই! 

তবু পথ মেলে না কিছুতেই!

উম্মে হাবীবা শারিনা




 একটা তুমির অপেক্ষায়


আমি এমন একটা তুমির অপেক্ষায়। 

যে আমার এসিডদগ্ধ বা বসন্তের দাগে ভরা-

মুখে চুমু দিতে দ্বিধা না করে আদরে ভরিয়ে দিবে।

আর বলবে তুমি এত সুন্দর কেন?


আমি এমন একটা তুমির অপেক্ষায়। 

যে আমার ক্যান্সারে আক্রান্তে ঝরে যাওয়া লোম বা-

চুল না থাকলেও আমাকে ভালোবাসবে।

নিজে নেড়া হয়ে এসে বলবে,কারো সাহস হবে না- 

কিছু বলার। এই দেখ তোমার মত হয়ে এসেছি।

তোমাকে যে আমি অনেক ভালোবাসি। 


আমি এমন একটা তুমির অপেক্ষায়। 

যে আমার হলদে খসখসে বা তেলে ছিটকে পড়া- 

হাত শক্ত করে ধরে বলবে,তোমার হাতের স্পর্শে-

আমার অস্তিত্ব ফিরে আসে।আমি নিজেকে খুঁজে পায়। 


আমি এমন একটা তুমির অপেক্ষায়। 

যে আমার চামড়া কুঁচকানো ফাটা পায়ে-

নূপুর বা আলতা পড়িয়ে দিয়ে বলবে, 

বাহ্ তোমার পায়ে খুব মানিয়েছে তো।

আলতো করে পায়ে ঠোঁট ছুঁয়ে দিয়ে বলবে,

আমার যে খুব ভালো লাগে এটা করতে।


আমি এমন একটা তুমির অপেক্ষায়। 

যে আমার কাজের মধ্যে ঘেমে যাওয়া অবস্থায়-

জড়িয়ে ধরে বলবে,এই তুমি এত খুশবু কেন?

আমি যে মাথাল হই।তোমার ঘাম মাখা শরীরে-

লেপ্টে থাকতে এত ইচ্ছে করে কেন?


আমি এমন একটা তুমির অপেক্ষায়। 

যে আমার বাহ্যিক সৌন্দর্য কে নয়,

আমার মনের সৌন্দর্য কে খুঁজবে।

আমার রোগকে,আমার অসুন্দরকে,

আমার বদঅভ্যাসকে,আমার সব খারাপকে 

আপন করে নিবে আর ভালোবাসাবে।


আমি বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ, 

পথ চেয়ে রইবো,এমন তুমির আশায়।

অনন্তকাল তোমারই অপেক্ষায়। 

শুধু তোমারই অপেক্ষায় ।




স্বপন কুমার ধর

 



ভেসে চলেছি



নীল সমুদ্রে ভেসে চলেছি,

নির্জনতার ঢেউকে সঙ্গে নিয়ে,

হৃদয়ে রয়েছে সীমাহীন উত্তাপ,

বাইরে দাঁড়িয়ে বেদনার বুঁদবুঁদ।


চলেছি কোন অচিনপুরির দেশে,

একাকীত্ব হয়েছে চলার সাথী,

মেঘের মধ্যে মেঘ করছে আনাগোনা,

মনের মধ্যে চলছে অজস্র চিন্তাভাবনা।


ভরদুপুরে চলার সাক্ষী সোনালী রোদ্দুর,

উদ্বেল হৃদয়ে কেবল নীরবতার ক্ষতচিহ্ন,

পুলকিত হই যখন ভেসে ওঠে স্মৃতি,

কিন্তু ক্রমশঃ তা আবছা হয়ে মিলিয়ে যায়।


চলতে চলতে উদাস হয়ে যাই আর ভাবি,

সকলেই কেমন যেন ছুটে চলেছে,

একটু ভালোবাসা পাওয়ার তরে,

কিন্তু সে তো অদৃশ্য, অথচ

প্রত্যেকের অন্তরে বিরাজমান,

আত্মিকটানের অনুভূতিতেই,

থাকে সদা জাগ্রত।

শিবনাথ মণ্ডল

 



রক্তের স্বাধীনতা

  

  সূর্যসেন বাঘায‍্যোতিন

শহিদ ক্ষুদিরাম

বজ্রকণ্ঠে বলেছিলেন

বন্দেমাতরম।

বিনয় বাদল দিনেশরা

জীবন দিলেনদান

ব্রিটিশদের তারিয়ে দিয়ে

রাখেন ভারতের সম্মান।

গুলিখেয়ে মাতঙ্গিনী হাজরা

বলে বন্দেমাতরম

রক্ত দিয়ে লেখা থাকবে

স্বাধীনতার নাম।

বড়োলাডকে মারতেগিয়ে

মরল ভারতবাসি

অবিরামের দীপ চালোনা

ক্ষুদিরামের ফাঁসি।

হিংসাছাড়ো আন্দোলন

করেনগান্ধীজী

রক্তদাও স্বাধীনতা দেবো

বলেন নেতাজী।

স্বাধীনতা আনলো দেশে

হিন্দু  মুসলমান

কোটি কোটি বিপ্লবিরা

ভারত সন্তান।

পনেরো ই অগষ্ঠ দেশস্বাধীন হলো

পতাকা উঠলো আকাশে

বিপ্লবিরা জীবন দিলো

ভারতমাতাকে ভালো  বেশে।।