তোমার প্রতিক্ষায়
একটু আসতে যদি ভরা রোদ্দুরে
ভিজিয়ে নিতাম আমি তোমার সমুদ্দুরে,
উষ্ণ ঠোঁটের ছোঁয়ায় প্রেম সুধা ঢেলে
নিজেকে সপে দিতাম সবকিছু ফেলে
চলে এসো প্রাণনাথ আমারি দ্বারে
আমি যে অপেক্ষা দাঁড়িয়ে দুয়ারে।
মোবাইলে টাইম পাশ, সম্বৃদ্ধ উল্লাস সাহিত্য হাসি ঠাট্টা খুনসুটি বিন্দাস পড়তে হবে নইলে মিস করতেই হবে। মোবাইল +91 9531601335 (হোয়াটসঅ্যাপ) email : d.sarkar.wt@gmail.com
তোমার প্রতিক্ষায়
একটু আসতে যদি ভরা রোদ্দুরে
ভিজিয়ে নিতাম আমি তোমার সমুদ্দুরে,
উষ্ণ ঠোঁটের ছোঁয়ায় প্রেম সুধা ঢেলে
নিজেকে সপে দিতাম সবকিছু ফেলে
চলে এসো প্রাণনাথ আমারি দ্বারে
আমি যে অপেক্ষা দাঁড়িয়ে দুয়ারে।
বেজোড়_ঘুঘুর_গান
আমায় ছেড়ে থাকতে তোকে দেবোনাতো,
অবহেলা যতই করিস, ছুঁয়ে যাবো
হৃদ'মাঝোরে আসন গেঁড়ে থাকবো বসে
তোর কন্ঠে আকুল হয়ে সুর উঠাবো।
ফাগুন'বেলা স্নিগ্ধ ফুলের সুবাস হবো
শাওন বেলা ভিজিয়ে দেবো বৃষ্টি জলে।
অহর্নিশী ছুঁয়ে যাবো উতাল হাওয়ায়
প্রতি ক্ষণে করবো দেখা নানান ছলে
আকুল ভালোবাসা নিয়ে পড়বো ঝরে
জষ্টি মাসে বকুল হয়ে তোর মাথাতে।
তোর উঠোনে দেখিস যদি বেজোড় ঘুঘু
ঘুঘু'র ছলে আসবো আমি সই পাতাতে।
উঠোনে তুই ছিটিয়ে দিবি শরষে দানা,
খাওয়ার ছলে মনের কথা যাবো কয়ে।
চুপটি করে দাওয়াতে তুই থাকিস বসে,
মুখখানি তোর দেখে যাবো বিভোর হয়ে।
সেই মধুর স্মৃতি হৃদয় উদাস করেই যদি,
একলা বসে কান্না করিস ঘরের কোনে।
তোর ও মন ভরিয়ে দেবো ব্যাকুল সুরে,
গান শোনাবো একলা বসে দূরের বনে।
কায়ার মায়া
মানছি তোকে বলতে পারিনি,
সময়ে অনেক কিছু,
সেজন্যই কি তুই নিয়েছিস,
অন্য কারো পিছু?
বেকার তখন ছিলাম আমি,
জানতিস ভালো তুই,
সংসার করতে অর্থ লাগে,
তাইতো নিশ্চুপ রই।
হয়েছিলি কী সমব্যথী,
ছিলিস্ তো আমার সমবয়সী!
ভাবি এখন মনে মনে,
দেখাসনি কেন তবে সহানুভূতি?
বাপের বাড়িতে আসিস যখন,
স্বামীর গাড়িতে চড়ে,
জানিনা কেন বুকের ভেতর,
'অতীত', জাগে ধড়াস করে।
স্বপ্নে এখনো দেখি যে তোকে,
সিঁদুর পরিহিতা নারী,
বক্ষে আমার জড়িয়ে আছিস,
ছাড়াতে নাহি যে পারি।
আদরে আদরে ভরিয়ে দিচ্ছিস,
শরীরে শিহরন তুলে,
সুখ প্রাপ্তির জগতে দুজনে,
চলছি দুলে দুলে।
ভোরের আলো চোখে পড়তেই,
সরে গেল তোর কায়া,
সম্বিত ফিরতেই বুঝলাম আমি,
গতরাতের সবই মায়া।
ক্ষমা
নিঃস্প্রান দেহে নিয়ে জীর্ণ হৃদয়,
যদি কখোনো এ মন হারিয়ে যায়,
সীমাহীন পথের কোন এক প্রান্তরে;
পথ ভোলা পথিকের যাযাবর জীবন,
ভাটা পড়ে হৃদয়ে গভীর প্লাবন,
মেনে নিয়ে ভাসমান হয়ে অবসান;
তুমি খুঁজতে এসোনা আমায়।
নিঃসঙ্গ অনুভবের দৃঢ় কল্পনায়,
নির্লজ্জ অনুভুতির নিদারুন যাতনায়,
ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ে আজি,
বেঁচে থাকার কোন ইচ্ছে নেই,
তবু প্রেরনায় এতটুকুও প্রদিপ জলে উঠে,
নতুন করে স্বপ্নের রঙতুলিতে,
তুমি খুঁজতে এসোনা আমায়।
হৃদয় মাঝে ছেয়ে আছে আজ,
শুধুই কুলশিত আর কলঙ্কিত অধ্যায়,
দুঃস্মৃতিতে বেধে যাওয়া এ মনে;
নেই কোন স্মৃতি আজ দুটি চোখে,
ঘুমন্ত পৃথিবিতে ভেসে আসা দুঃস্মৃতি;
তুমি খুঁজতে এসোনা আমায়।
তোমার চলার পথে থাকবেনা কোন বাধায়,
মুক্ত বিহঙ্গনে পাড়ি দিও স্বাধীন চেতনায়;
লজ্জিত অবয়ব আবৃত রেখে-
নতুন দিগন্তের শুভ সূচনা হোক,
রয়ে যাবে চিরদিন শুভ কামনায়;
তুমি খুঁজতে এসোনা আমায়।
যে পথ তুমি আমায় দিয়েছো উপহার,
মিথ্যে অভিযোগে করেছো সমাহার;
শাণিতভাবে আমি তা করেছি স্বাগত,
কেঁদেছে হৃদয় তবু হয়নি পরাজিত,
সবভুলের জানি হয়না চারুতা,
তবু ক্ষমা করে দিয়ে জানাই বিদায়;
তুমি খুঁজতে এসোনা আমায়।
সনেট বাঁকাচাঁদের প্রতিক্ষায়
অমাবস্যার বিষাদী আঁচলে ঝরেছে
আমার বসন্তের ফুটন্ত পুষ্পকলি ;
তিমির দিগন্তে শ্যেন-নজর পড়েছে,
নাইটিংগেল হয়ে কিভাবে পথ চলি;
সুরের ধ্বনি তুলে নিশিকালো আকাশে ;
ঝিঁঝিঁ পোকার ক্রন্দনে,পেঁচাদের ডাকে
নক্ষত্রের সন্ধানে কলরব বাতাসে;
পৌঢ় রাত্রির নেত্র বেয়ে স্বপ্নরা হাঁকে !
কৃষ্ণপক্ষ পেরিয়ে শুক্লার আগমনী ;
স্খলিত মুকুলে অমাবস্যা-ঘনঘটা--
জোনাকি-উদরে প্রতিক্ষা-প্রহর গুনি;
স্ফীত তরঙ্গে জোয়ার-ভাটা জলচ্ছটা--
কাককালো ব্যথাতুর বিষন্ন সন্ধ্যায়--!
তৃষ্ণার্ত আমি বাঁকাচাঁদের প্রতিক্ষায়--!!
রচনাকালঃ-০১/০২/২০২১ রাত ১১টা ২৮ মিনিট। (সনেট নং ৯৪)।
অবহেলা
চক্ষুর সম্মুখে দেখেছি ট্রেনে
প্রতিবন্ধী ভিক্ষুককে ভিক্ষা করতে।
গায়ছে গান মধুমাখা সুরে
কতক মানুষ দিচ্ছে দু-এক টাকা করে।
খোদা এ তোমার কেমন লীলাখেলা
মানুষ হয়েও অন্যের থেকে কেন আলাদা।
বুট শুট পরা বাবুর কাছে হাত পাতিলো
টাকা দিলই না তাকে ঠেলে ফেলে দিল।
ভিক্ষুকটি মেঝেতে পড়ে কাঁদদে লাগলো
একজন ফেরিওয়ালা ট্রেনে তুললো।
আহারে বেচারা কতইনা দুঃখ কষ্ট পেল।
এই গোটা দৃশ্য দেখতে দেখতে
ট্রেন এসে থামলো ক্যানিং স্ট্রেশনে।
যাইবার সময় ভিক্ষুক উচ্চসরে বললেন
বুঝলেন বাবু,বুঝবে সেদিন,আসিবে যেদিন
আমারই জায়গাই যে।
খোদার খেলা খোদায় জানে
কখন কি করিবেন তিনি।
এই বলে অদৃশ্য হলো ট্রেন থেকে
আর সজাগ করলেন মানবজাতির মনকে।
মা তোমায় মনে পড়ে
মনের অলিন্দে কষ্টের চোরাবালির
পাহার জমে যখন উঠেছে বারবার।
মাগো, তুমি এসেছো ভরসার,
হাতছানি নিয়ে জীবনে বারবার।
সংসারের যাঁতাকলে চলেছি ঘুরে
হতাশা যন্ত্রনাকে নিত্য সঙ্গী করে।
তখন আঁকড়ে ধরে প্রাণপণে ,
বাঁচতে চেয়েছি মনপ্রাণে,
শুধু মরীচিকা হয়ে গেছে ।
মাগো , তোমায় বড্ড মনে পড়ে।
জানি আজ আমি অনেক দূরে,
হৃদয়ে ছবি অাঁকি স্নেহসুধা ভরসা করে।
তোমার আশীষে অন্ধকার সরে,
ছড়িয়ে সূর্যমুখী আলোর ভোরে।
চুরি বাঁচাও
ছুটছাট কারনে কেনো করি,দলাদলী আর তান্ডব।
সমাজ কলুষিত হয়,বুঝেও বঝোনা সব।
নিজে নিজেরাই মাতি রক্তের হুলি খেলায়
পিতৃ মাতৃর গর্ভে দেখো,অন্তরে অশ্রুজল।
এই ভেবে,এই ভেবে গাধার দলেরা বুঝবে কবে।
দেশ চুরির উৎপাত বাড়ছে যে দেশে
এ খবর ক'জন নেয়,ক'জনই বা জানে!
স্বপ্নের বাসভবন করবে চুরি অন্যজন।
মানুষ নয় ওরা,মানুষ নামে নরপিচাস
এতে নেই মাথা ব্যাথা,নেই কি নয়নে জল?
নেশার ঘোর কাটবে কবে,কবে হবে উওাপ
আগুন জ্বালাও অন্তরে অগ্নিকুন্ঠে।
মুশারি(মশারি) ছিদ্র থাকলে,প্রবেশ করে মসা।
রক্ত চুসে নিলে,তবেই হয় বেঘুমের হুঁশ।
জানতে,তবু হয়নি ক্ষমতা তোমার সারা।
তাইতো নিলো চুসে, এক ফোটা রক্তের কনা।
দেশ আজ হচ্ছে,মুশারির মতো
কি হবে পরে,একবার ভেবে দ্যাখো।
সমস্ত ছিদ্রটাকে মারো তালি
বাঁচাও স্বপ্নের দেশ মাতৃ ভূমি।
চাল চোরের পিছনে দিতে গিয়ে সময়
দেখো দেশ চুরি করছে,গড়ছে সন্ত্রাস।
আর নয়,আর নয় গর্জে ওঠো সব
মাতৃভূমির রক্ষার জন্য,করো তীব্র প্রতিবাদ।
তাতে,দিতে হয় দেবো আত্মবলিদান
তবু মাতৃভূমিকে হারাতে দেবোনা প্রান।।
মমতাময়ী
অসাধারণ তুমি সদাই তুলনাহীন
নেই তোমার মনে কোন বিদ্বেষ,
বিধাতার কৃপায় মমতাময়ী রুপ
সবার প্রিয় তুমি আমার শ্রদ্ধাভাজন।
থাক সর্বক্ষণ সংসার স্রোতে ব্যাস্ত
ঈশ্বর প্রেরিত সুখের কাণ্ডারি,
অক্লান্ত পরিশ্রম করো সারাজীবন
তুমি ধরণীর অপরাজেয় সৈনিক।
শুভ্র বরফের মতো নির্মল হৃদয়
তোমার স্পর্শে আলোকিত ত্রিভূব,
স্বার্থের গোলকধাঁধায় নিশ্চিহ্ন হও না কভূ
অন্তরে পরিপূর্ণ তোমার মূল্যবোধ।
ভাবনার আকাশে উজ্জ্বল মনোবৃত্তি
অপূর্ণতাও যেন পায় পূর্ণ রূপ,
মনের সীমানায় তোমার সফলতার সুত্র
নীরবে কর শুধু শান্তির খোঁজ।
সৌন্দর্যের রানী তুমি হৃদয় ভরা মায়া
গর্ভজাত সবাই তোমার পরিপূর্ণ বসুন্ধরা,
ন্যায় নীতি তোমার বিশ্ব-কোষে
তোমার স্নেহে অতিবাহিত হোক সবার জীবন।
ভোটের লড়াই
মাঠে মিষ্টি করে দুষ্টু হেসে
বললো মোটা দাদা,
আমার দলে নাম লেখা রে
মনটা আমার সাদা।
আমার ডিফেন্স ভীষণ ভালো
গুজরাটেতে দেখিস,
হাফলাইনটা আসানসোলের
দেখে একবার আসিস।
ফরওয়ার্ডে মেদিনীপুর আর
হাওড়া জুটি জোর,
যখনতখন গোল করবে
কাটবে দিদির ঘোর।
ওদিক থেকে চেঁচান দিদি
আমিই গোলে আছি,
আমায় পার করবে কে রে
দেখি, আসুক কাছাকাছি।
মাঠের যেথায় তাকাবি বোকা
সব জায়গায় আমি,
ভুসো-ধুসো প্লেয়ার পালায়
সামনে আমার ড্যামি।
ইস্টুপিটরা ভাবছে কেবল
চেঁচিয়ে করবে মাত,
বাংলার মেয়ে আমিই কেবল
সতর্ক দিন-রাত।
আরেকটা দল জোট করেছে
নামবে লীগের খেলায়,
নিঃশব্দে ভীড় বাড়িয়ে
একসাথে দল চালায়।
দিনাজপুর আর মুর্শিদাবাদ
আটকাবে সব খেলা,
হুগলি আর বর্ধমানের
আসবে তরুণ পোলা।
স্ট্রাইকারটার বয়স বেশী
অভিজ্ঞতায় ভরা,
অনেকদিনই খেলছে ভালোই
তবু থাকছে গোল ছাড়া।
পাঁচ বছরের ট্রফিখানা
কার দখলে যায়,
দলগুলো সব যতই চেঁচাক
মানুষ দেবে রায়।
জনতা না-কি রেফারি হবে
পাহারা দেবে পুলিশ,
জমবে খেলা একপক্ষের
ভয় পেলে সব ভ্যানিশ।
ভোটের খেলা ঘোটের খেলা
জোটের খেলা ভারি,
বেচাকেনা দরাদরি দখলদারির
দেখছি বাড়াবাড়ি।
2020 সাল
শুধু বিষ শুধু বিষ দাও
অমৃত চাইনা !
(শিল্পী নচিকেতার কথা ও গানটা আরও অনুভূত হল এই বছরে)
অনেকগুলি শব্দ বা বিশেষণ পুরানো হলেও; নতুন করে
বার বার আরও জমাট বাঁধল, ধাক্বা মারল বা মারছে....
ছলনা, মিথ্যে, প্রতিশ্রুতি, কৃত্রিমতা, অসহায়তা,
হারানো ভালবাসা বা প্রিয়জন, চাহিদা, চটুলতা,
লোভ, কৃতজ্ঞতা, অন্ধকার, কর্মহীনতা, রাগ
কেমন যেন আশে পাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে
যেখানে হ্নদয় বা আন্তরিকতার বড়ই অভাব!
তবুও মানুষ স্বপ্ন দেখে, স্বপ্ন দেখায় -যদিও এটির অন্তমিল
অনেক তাৎপর্যপূর্ণ; বিস্তর ফারাক -ও!
ঠিক যেন আদিখ্যেতা আর আন্তরিকতার যতটা পার্থক্য-
হাসি, এটি জীবনের স্ফুলিঙ্গ, তাই কখনো হাসতে ভূলনা যেন;
আজই হঠাৎ , রাস্তাপার হতে গিয়ে জুতোর শোল খুলে যাওয়া-
তারপর পেছন থেকে কিছু ব্যক্তি বা বাইকের কাছে দাড়িয়েথাকা;
ব্যক্তিটির সিগারেট খেতে খেতে অদ্ভুত হাসি! এরকম;
আজ থেকে দশ বছর আগে ঘটলে নিজেকে বোকা মনে হত!
এখন এগুলো বেশ উপভোগ করি; নিজেও হেসে ফেললাম।
আসলে, মন খুলে হাসাটাও একটা টনিকের মত কাজ করে!
2020- এর শেষে এসে মনে হচ্ছে 'করোনা' - অনেককিছু
বদলে দিয়েছে,সেই সঙ্গে অনেকিছু শিখিয়েছে; যা বাস্তব!
শুধু এতো বিষন্নতার মাঝে, মুগ্ধতা যে বড্ড কম হোয়ে গেল!-
(বিশেষ দ্র্যস্টব্য: লেখাটি পুরোটা ব্যক্তিগত নয়, অন্যদের অনুভূতি বা অভিজ্ঞতা নিয়েও লেখা ☺️)
চোখে ধরা পড়ে
উত্তরের হাওয়ায় জানালার পর্দাটা
সরালে দেখা যায়
নানান ধরনের গাছপালার ফাঁকে
গজিয়ে ওঠা নতুন পাতাদের
জোসনা রাতে ভারি মজা লাগে।
আর চারপাশে একাধিক কয়েক তালার বাড়ি
কাছাকাছি ছাদে হঠাৎ দেখা হয়েছিল
সদ্য বিবাহিত নারীকে
দু চোখে ধরা পড়েছিল তার মুখ।
নতুন । ভিতরে আতঙ্ক কাজ করছিল
অথচ দেখতে পেয়েছিলুম তার ইশারা
আমাকে ভাবিয়েছিলো, ঘুম আসেনি
একদিকে যমুনা ছিল অন্যদিকে গঙ্গা ভাগিরথী
দুয়ের মাঝে ঢেউ খেলেছিল সারাটি রাত
দু চোখে ধরা পড়েছিল তার মুখ।
হঠাৎ মুখোমুখি
নতুন কিছু করার নতুন কিছু বলার থাকে
এসব উধাও। সময় নেই বিবাহিত স্বামীর
সময় কাটে না, ভিতরে যন্ত্রনা
এ যেনো ঘন একটা অন্ধকারের জালে জড়িয়ে পড়া
শুধুই আলোর পথ খুজছিলাম
তুমি যদি আলো হও আমি হব দিশা।
আমার বেড়ানো ছাদ হয়ে উঠুক
বৃষ্টিতে ভেজা নীল শাড়ির আঁচল
তুমি থেকো সারাক্ষন চোখে চোখ রেখে
শুধুই আমার জন্য --+।
সনেট চরিত্র
গভীর আত্মবিশ্বাস,চিন্তার বিকাশ
স্বতঃস্ফূর্ত মনোভাব নৈতিক চরিত্র
আদর্শ মতাদর্শী সর্বদায় পবিত্র ;
মনের জগত যার বিস্তীর্ণ আকাশ ;
সংকীর্ণতার উর্দ্ধে যে করে বিচরণ--
স্বার্থত্যাগী,প্রতিবাদী অন্যায় সমরে;
উন্নত মস্তকে চলে কভু নাহি ডরে;
সাম্য-মন্ত্রে প্রজ্বলিত তার আচরণ--!
অপবাদের কলঙ্কে কিবা আসে যায়--
শ্যেনের পিছু না ছুটে স্পর্শে দেখো কান;
কুত্তার কামড়ে দিয়োনা নিজ সম্মান;
বিকৃত মনুষ্যত্বের এ কাঠগড়ায়--
ব্যক্তিত্বহীন চরিত্র-ই কাপুরুষতা--!
যতো দুর্বল হবে হারাবে কদর্যতা--!!
রচনাকালঃ-২৬/০২/২০২১ দুপুর ১২টা ১ মিনিট (সনেট নং ৯১)!