২১ ডিসেম্বর ২০২০

আইরিন মনীষা



বিজয়ের চেতনা

তেইশ বছরের শোষণ নিপীড়ন

সয়েছিলো বাঙালী জাতি,

যায়  না ভুলা সেইসব  নির্যাতন 

রাজাকার ছিলো যেথা সাথী।


সাম্য সমতা ন্যায্যতার দাবীতে

হয়েছিলো বাঙালী সোচ্চার,

যুদ্ধ বেঁধেছিলো এই   ভাটিতে

হানাদার হঠাতে বারবার।


বায়ান্ন ছেষট্টি ঊনসত্তর পেরিয়ে

হয়েছিলো বাঙালীর একতা,

সত্তরের নির্বাচনে জয়কে ছাড়িয়ে

পেয়েছিলাম নতুন বারতা।


বঙ্গবন্ধু দিলেন স্বাধীনতার ডাক

আপামর জনতা জড়ালো যুদ্ধে,

স্বাধীনতার চেতনায় পেলো নতুন বাঁক,

১৬:ই ডিসেম্বর বিজয়ের ছন্দে।


চেতনায় শাণিত আমাদের বিজয়ে

শান্তি সম্প্রীতিতে আছি তো বেশ,

বাংলার আলো বাতাসের স্নিগ্ধ বলয়ে

জুড়াই সদা প্রাণের রেশ।

অলোক দাস



স্বদেশী

  'জয়দেব ' তুমি এখনো বেঁচে, নাগরিক হয়েও তুমি " বিদেশী "I হাল ছেড়ো না বন্ধু, লড়ে যাও I একমাত্র ছেলেকে হারালে, মরলো ক্যান্সারে I তোমার গায়ে এ দেশের সেঁধো মাটির গন্ধ I লোকে বলে আইন নিতে নেই নিজের হাতে, পুলিশের সাহায্য নিন, জন্ম তোমার এই দেশে, তবু পাছো পদাঘাত I কি যে হচ্ছে, কে জানে? লোকে বলে দেহ, মন ও মুক্তি I মুক্তি তোমার নেই, যদিও তুমি সেঁধো গন্ধে ভরা নাগরিক I কে বলে সংখ্যা লগু I এদেশে নেই তোমার সম্মান, মরে প্রমান করো এদেশ তোমারি ছিলো, ইতিহাস জানুক "জয় হিন্দ "I তুমি ছিলে স্বাধীন, বিদেশী নয় I সম্পূর্ণ খাঁটি স্বদেশী I

সৈয়দা আইরিন পারভীন

 


সন্দেহবাতিক একটি রোগ


সন্দেহবাতিক একটি রোগ। যারা একবার এই অসুখে আক্রান্ত হয়ে পড়ে তারা আর মুক্তি পায় না। অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারিদের মধ্যে এই রোগের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। তারা অহেতুক ফেসবুকের বন্ধুদের নিয়ে নানা সন্দেহে এটা ওটা অনুমান করে নিচ্ছে। ফেসবুকে কতজন কতরকম মন্তব্য করে, করতেই পারে। সবার চিন্তা তো এক ছাঁচে তৈরি না। শিক্ষা-সংস্কৃতি বোধও আলাদা আলাদা। নারীদের স্ট্যাটাসে অনেক পুরুষ অনেক রকমের চটুল মন্তব্য করে। সেসব মন্তব্যকে গভীরভাবে দেখার কোন মানে নেই। এটি খুব তাৎক্ষণিক ব্যাপার। ফেসবুক আমার কাছে বিনোদন মাত্র। ফেসবুকপ্রেমী হলেও এটিকে জীবনের সবকিছু মনে করি না। কত ফেবু বন্ধু কতরকম লেখে তা কি গণনা করা যায়? জ্ঞান-বিজ্ঞান-সাহিত্য-রাজনীতি নিয়ে অনেক লেখা থাকে। তার মাধ্যমে অনেক শেখার আছে। আমি সেসব থেকে শিখিও। কঠিন বিষয় এড়িয়ে চলি। সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয় হলো বিনোদন। প্রচুর লাইক কমেন্টে ভরে যায়। এর মধ্য থেকে কারো কোন কমেন্টকে কেন্দ্র করে যদি কেউ স্ট্যাটাসদাতার সঙ্গে তার বিশেষ সম্পর্ক আবিষ্কার করে বসে এবং তা নিয়ে গবেষণা করে, তবে তা অন্যায় বলে মনে করি। কতজনের সঙ্গে কত ঠাট্টা-মশকরা চলে, তার মানে কি তারা পরস্পর প্রেমে পড়ে গেছে? প্রেম কি অতোই খেলনা যে চাইলেই মুদি দোকানে মিলে যাবে? মানুষ লেখাপড়ার মধ্য দিয়ে উদার মানসিকতার পরিবর্তে যদি এরকম সন্দেহগ্রস্ত হয়ে অন্যের মধ্যে খুঁত খুঁজে ফেরে তাহলে সে শিক্ষা অর্থহীন।

সাবা সাবরিন

 



চেতনার ভাষ্কর্য


পাথরের ভাষ্কর্য ভেঙে ফেলা হয়তো সম্ভব। 

কিন্তু যে ভাষ্কর্য , হৃদয়ের লাল-সবুজের

বেদীমূলে চেতনা দিয়ে নির্মিত, সেই ভাষ্কর্য-

আজ পর্যন্ত কেউ কি ভাঙতে পেরেছে? 

না কোনদিন পারবে?


এই ভাষ্কর্য সবাই নির্মান করতে পারে না। 

পেরেছিলেন বঙ্গবন্ধু। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়

বিশ্বাসী কোটি কোটি বাঙালির হৃদয়ে তিনি

নির্মান করেছিলেন অত্যুজ্জ্বল এক ভাষ্কর্য।

যে ভাষ্কর্য থেকে দেশপ্রেমের দ্যুতি বের হয়ে-

ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশের আকাশে, বাতাসে,

পথে, প্রান্তরে, অলিতে, গলিতে, রাজপথে।

যে চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বাঙালি ছিনিয়ে 

এনেছিল স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা।

সেই চেতনার ভাষ্কর্য কি ভেঙে ফেলা যায়?


বঙ্গবন্ধুর চেতনার ভাষ্কর্য- ঊনপঞ্চাশ বছরে 

আরো কোটি কোটি ভাষ্কর্য নির্মান করেছে,

হৃদয় থেকে হৃদয়ে। হৃদয়ের লাল-সবুজের

বেদীমূলে নির্মিত সেই চেতনার ভাষ্কর্য, এভাবেই

হৃদয় থেকে হৃদয়ে ছড়িয়ে পরবে, প্রজন্ম থেকে

প্রজন্মে। হাজার বছর পরেও যে ভাষ্কর্য থেকে

দ্যুতি বের হবে দেশপ্রেমের।

 

বাংলাদেশের দেশপ্রেমী জনগণের হৃদয় থেকে 

বঙ্গবন্ধুর চেতনার ভাষ্কর্য নির্মূল করার সাধ্য -

কোন অশুভ শক্তির নেই। অমর, অক্ষয় হয়ে 

চিরদিনই দ্যুতি ছড়াবে বঙ্গবন্ধুর চেতনার ভাষ্কর্য।

হাকিকুর রহমান


চঞ্চলা কিশোরী


খেলিছে কিশোরী,

খেলিছে চঞ্চলা বালিকা-

ছাড়িয়া এলোকেশ নাচিয়া চলিছে,

গলাতে ঝুলিছে কুঞ্জলতার মালিকা।।


 চপল নয়না, নীরদ বসনা

হরিণী যেন হেঁটে যায়,

যুঁথিকা জড়ায়ে, সুবাস ছড়ায়ে

আড়ে আড়ে ফিরে চায়-

আঁচল ভরায়ে, কেমনে তুলিছে

চন্দ্রপ্রভা, শেফালিকা।।


ভাসালো কে কেয়া পাতার তরী

স্বচ্ছ ধবল ঝিলে,


শাপলা, শালুক উঠায় সেথা


সই-সখীরা মিলে-


কাজলা দীঘির জলেতে ভাসিছে


পদ্ম পাতার থালিকা।।

নাজনীন নাহার




হেমন্তিকা



ধানের শীষে ঝন ঝনাঝন হেমন্তিকা আসে

নতুন ধানের গন্ধে চাষি আপন মনে হাসে,

আমন ধান কাটে কিষাণ, নবান্ন মাঠে মাঠে

নতুন ধানের নতুন চালে উৎসবে দিন কাটে।


শিউলি, কামিনীর গন্ধ ভরা হেমন্তেরই হাঁটে 

বাড়ির আঙিনায় রং ছড়িয়ে হলুদ গাঁদা ফোঁটে,

শীতল হাওয়ায় বাজছে বাঁশি ভোরের শিশির বীণায়

দোয়েল, টুনটুনি, বুলবুলিরা সব মিষ্টি সুরে গায়।


নবান্নেরই খুশিতে মেয়ে নাইওরে আসে বাপের বাড়ি 

নতুন ধানের কত রকম পিঠা-পায়েস করা হয় তৈরি,

নানা রকম নৃত্য গানে বাংলার ঘর সাজে

হাসিখুশির রূপের ঝলক হেমন্তেরই মাঝে।


ধানের মাঠে নাচে দোয়েল ফিঙে প্রজাপতি 

শস্যশ্যামলা ভরা আমার বাংলা রূপবতী,

চাষির গড়া সোনার বরণ দেখতে লাগে বেশ

হেমন্তেরই খুশির দোলায় নাচে সোনার বাংলাদেশ।

১৯ ডিসেম্বর ২০২০

অনিন্দিতা মিত্র


নির্বাসিত শব্দমালা      

এক 


তোমার চেরিডাউন ইস্টের বাড়িতে রোজ যাই আমি, ছুঁয়ে আসি তোমার কবিতার খাতা, তুমি দেখতে পাও না, সবকিছু  দেখা যায় না। ঝিলমিল ঝিলমিল রোদের ফাঁক দিয়ে উঁকি মারে বৃষ্টিভেজা স্বপ্নরা, কঠিন থেকে কঠিনতর হয় বুকের তল। গ্রহ-উপগ্রহের নীল শিরায় শিরায় অচেনা জলছবির শিলালিপি, আত্মহারা হামিং পাখির দল উড়ে আসে তোমার টিউলিপের বাগানে, নাগরিক ক্লান্তি ভেঙে তুমি খুঁজতে চাও সমুদ্রমুখর দিন।                                        


দুই


তোমার দক্ষিণের বারান্দায় এসে ভিড় করছে নরম বসন্তমেঘ, গুঁড়ো গুঁড়ো বরফ জমেছে ফুরুস ফুলের পাপড়ি জুড়ে , মরা প্রজাপতির বিবর্ণ পাখায় স্মৃতির ক্ষতচিহ্ন। ফার পাইনের বনপথ ধরে হেঁটে চলে হরিণ শাবক, নির্জন ছায়াপথের  কোনো এক অন্ধকার বাঁকে সে হারিয়েছে জন্ম-জন্মান্তরের আক্ষেপ । তোমার হাতে  গীতাঞ্জলির হলুদ পাতা, গোধূলির রঙ মেখে নেমে আসবে আমার অভিমান তোমার কবিতা হয়ে।

হাননান আহসান



বাঘের কাণ্ড



বাঘটি ছিল সোঁদরবনের

বিদঘুটে আর খেয়ালে

সপাটে সে মারতো লাথি

ইট-পাথরের দেয়ালে।

মাথাটাকে করতো সাইজ

জমকালো দুই শেয়ালে

বাঘটি ছিল অন্য রকম

উদ্ভটে আর হেঁয়ালে।


বাঘু মামার নেশা ছিল

ন্যাসপাতি আর ফলেতে

আকাঙ্ক্ষা তার ভিতর জুড়ে

বিরাট হবে দত্যি সে।

আসল কথা, এই কসরত

ফুটবলের-ই ছলেতে

ইচ্ছে ছিল স্টপার হবে

ময়দানের এক দলেতে।।

মোহাঃ হাসানুজ্জামান




বিপ্লব


চলন্ত মেশিনের শব্দ

শ্রবণ শক্তি ক্ষীণ 

বয়স প্রায় ষাট ছুঁই ছুঁই

বিরামহীন পরিশ্রমে থাকি ডুবে।

দু-মুঠো অন্নের সংস্থানে

সারাদিন হাড়ভাঙ্গা খাটুনি

শুকনো চোখে ভাঙ্গা কোমর

হাত-পা দুর্বল নেই কব্জিতে জোর।

আমরা করি আজীবন দাসত্ব

কখনো বানাই আট্টালিকা দালান,

শরীরে ঝরে রিক্সা টানার ঘাম

এটা কি নয় জীবন বিপ্লব ?

আমার স্মৃতিতে অন্ধকার অতীত

ঝুপড়ি বস্তিতে করি বাস 

মেঘের ও আছে জীবনচক্র

আমাদের ভবিষ্যৎ কি আতঙ্কের আঁচল ?

বিরহী হৃদয়ে অসীম ক্লান্তি

বুকের ভেতর বিষাদের নৃত্য

মনের অন্তবাসে ছুঁয়েছে আশা

আসে যদি আবার নতুন বিপ্লব।

শাহীন চৌধুরী ডলি




কবিতা, বিবর্ণ ধারাপাত


ইতিহাসের পুনরাবৃত্তিতে রচিত 

মীরজাফরের পালায়


ভঙ্গুর স্বপ্নগুলো 

রাতের নিকষ আঁধারে

আছড়ে পড়ে মৌন মিছিলে।


আলাভোলা চেহারার অন্তরালে 

ক্রমশ প্রতীয়মান  

ঠায় মিথ্যা স্বত্বার খেলা,

ক্ষয়ে যাওয়া চরিত্রের 

বিবর্ণ ধারাপাত।


সন্তর্পণে অস্তিত্বের চৌদিকে


অলংঘনীয় আবেষ্টনী সৃষ্টি,


অনাবাদি স্বপ্ল দাফনে 


শেষ পেরেকের ঠোকাঠুকি 


কফিনের গায়।

রুমানা পারভীন রনি



আঁধারের গান



বুকের উঠোনে ঘনকালো সন্ধ্যা নামে

আকাশ জুড়ে তারার মেলা বসে,

তবুও উঠোন আলোকিত হয় না।

তুলসি তলায় মঙ্গল দ্বীপ জ্বলে না।

শ্যাওলার আস্তরনে হেঁটে বেড়ানো

ডাহুকী মায়ের কান্নায় বাতাস ভারী হয়,

ঢোঁরা সাপের মত কলমীলতা জলে ভাসে

শুক্লপক্ষের চাঁদের ছায়া পড়ে রাত আরও গাঢ় হয়।

শিশিরের শব্দের মত হীরকদ্যুতি ছড়িয়ে

টুপটাপ ঝরে পড়ে জ্যোৎস্নার আলো।

ভাঁটফুল ভুল করে সুরভী ছড়ায় উজার করে

বাতাসে ভেসে বেড়ায় সুবাস তার।

দাওয়ায় বসে রাত্রি যাপন করি

মনের কোণে লুকানো বিষন্নতা উবে যায়

আমি চাতকের মত রাতের সৌন্দর্য দেখি।

রাতের এমন নয়নকাড়া রুপ আগে দেখিনি

আমার ঘোর লাগে শুধু ।

মামুন সুলতান



সশস্ত্র সালাম



রাতে যেখানে ঘুমাই নিরাপদ নিদ্রায় শুয়ে থাকি

কারো হানায় ভাঙে না তন্দ্রাচ্ছন্ন কাঁচাঘুম 

হানাদার হায়েনার বুটের তলায় পিষ্ট হয় না-

নির্মিত স্বপ্নের শত বছরের সুখ।


রক্তিম নদী পেরিয়ে আমরা বিজয় পেয়েছি 

নির্ঘুম রাতের ভয় এখন পুষ্পিত মহাকানন

স্বতন্ত্র পতাকা নিয়ে দুনিয়া মাতিয়ে চলি

আমাদের পরিচয় দুর্বিনীত দুনিয়ায় ওড়ে।


আমাদের রক্তরঙ শিল্পমানে সুউচ্চ চূঁড়ায়

এই রক্তে এঁকে চলি আমাদের বিজয়স্তম্ভ

সশস্ত্র সালাম দিই বিজয়ীবীরের আত্মায়

আনন্দ নদীর বুকে আমরা ভাসি মহাহিল্লোলে।

মধুমিতা রায় এর অনুগল্প


বিশ্বাস...


রবীন পৌনে ছটার বনগাঁ লোকাল ধরে তারপর সারাদিন ব্যাগ কাঁধে এ ট্রেন ও ট্রেন।বিক্রি মন্দ হয় না। তিনজনের সংসার মোটামুটি চলে যায়।ক্লান্ত পায়ে যখন সে ট্রেন থেকে নামে তখন রাত প্রায় বারোটা।সারাদিন চেচিঁয়ে তখন আর কথা বলার শক্তি থাকে না।


গত ছমাস ধরেই প্ল্যাটফর্মের শেডের নীচে মেয়েটাকে দেখছে সে।চুপচাপ বসে থাকে, এলোমেলো চুল,বয়স তিরিশ বত্রিশ হবে,শাড়িটার রঙ সম্ভবত নীল ছিল।

অত ভোরে মেয়েটিকে ওভাবে বসে থাকতে দেখে প্রথমে অবাক হয়েছিল পরে বুঝেছে মেয়েটি স্বাভাবিক নয়।চায়ের দোকানের মলয় বলছিল পাগলীটা কারও জন্য অপেক্ষা করে, কেউ নাকি বলেছিল ফিরবে। 


কয়েকদিন হল রাতেও মেয়েটিকে দেখছে রবীন। রাত বাড়লে প্ল্যাটফর্ম ফাঁকা হতে থাকে। মদ জুয়ার ঠেক বসে এদিক ওদিক।মেয়েটির জন্য খুব চিন্তা হচ্ছে কদিন ধরেই।পাথরের মত একটা মেয়ে, শূণ্য দৃষ্টি.... কেন যে!


আজও ট্রেন থেকে নামতেই মেয়েটাকে দেখল। তেমনি বসে আছে।শীতের রাত। হাতে গোনা কটা লোক প্ল্যাটফর্মে।


রবীন মেয়েটার সামনে গিয়ে দাঁড়ালো। আস্তে করে বলল..... তুমি বাড়ি যাও।অনেক রাত হয়েছে,বাড়ি চলে যাও।


...... তাহলে যে ও মরে যাবে!

অবাক হয়ে রবীন বলল.... কে?

মেয়েটি চোখ তুলে তাকালো তারপর দূরাগত মন্ত্রধ্বনির মত মৃদু অথচ স্পষ্ট স্বরে বলল.....বিশ্বাস।