২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১

এম, এইচ, বাসিত ( ইংল্যান্ড )




সখী



ভালোবাসা দিয়ে সখী

একটু বাঁচতে দাও মোরে

ভলোবাসা নিয়ে সখী

একটু মরতে দাও মোরে,


তোমার গোলাপী অধরের অমিয় সখী 

একটু সেবন করতে দাও মোরে

তোমার সাগর দুটি চোখে সখী

একটু ডুবতে দাও মোরে,


তোমার দৈব-শীতল আঁচলে সখী

একটু বাসতে দাও মোরে

তোমার প্রণয় শিখায় সখী

একটু পুড়তে দাও মোরে,


তোমার অপেক্ষায় সখী 

একটু ক্ষয় হতে দাও মোরে

তোমার আলিঙ্গনে সখী

একটু ফোটে উঠতে দাও মোরে, 


তোমার মাধুর্যে সখী 

একটু অন্ধ হতে দাও মোরে 

তোমার যৌন-সুবাসে সখী

একটু উন্মাদী হতে দাও মোরে,


ভালোবেসে সখী

অমর হতে দাও মোরে।

ওমর ফারুক




ভাবিনি কখনও



কখনো ভাবিনি আমার প্রেমহীন 

অন্ধকারে আলো জ্বালিয়ে দিবে।


কখনো ভাবিনি তোমার স্নিগ্ধ কন্ঠের আহবানে শীতল শয্যা করে দিবে।


কখনো ভাবিনি হঠাৎ করে মনের পিঞ্জিরাতে জায়গা দখল করে নিবে নিজের মতো করে। 


কখনো ভাবিনি আমার অতীতের দুঃখ ভুলিয়ে নতুন করে হাসি ফুটিয়ে দিবে নিজের মতো করে। 


কখনো ভাবিনি আমার কষ্টে'ভরা জীবন টাকে আনন্দময় বানিয়ে দিবে তোমা লাজুক লাজুক দুষ্টমিতে।


এ তোমার জাদু নয়, গুণ যে গুণে

জড়িয়ে আমি হয়েছি প্রেমিক।

এস এম শামীম রেজা




রং নাম্বার


হ্যালো কেমন আছো প্রিয়া,

এটাই কি তোমার হিয়া।

আমারে কান্দাইলা তুমি,

নিজে না কান্দিয়া।

মিস কলে হলো পরিচয়,

তার পর মন বিনিময়।

এভাবে চললো কত দিন,

ভালোবাসা ছিল মোহহীন।

রাতের পর রাত জাগিয়া,

কথা হতো কান পাতিয়া।

রাত ভর কত মিষ্টি কথা,

মুছিয়া দিতে দুংখ ব্যাথা।

এখন সিমটা বন্ধ থাকে,

সৃর্তিগুলো শুধু পিছু ডাকে।

মনটা কাঁদে বার বার,

ওটা ছিলো রং নাম্বার।

মোঃ হা‌বিবুর রহমান



নেয়ামত



‌হে বিরাট ‌হে দয়াময় তোমারই নাম যপি দিনমান ধরি,

মহান ক‌রে‌ছো মো‌দের আছে যত তোমার সৃ‌ষ্টিরা‌জি।


পাহাড় পর্বত নদী নালা আর আ‌ছে যত বি‌শ্বের বিস্ময়,

অধীন ক‌রিয়া দিয়াছ সবই মো‌দের তু‌মি সৃ‌ষ্টির সর্বময়।


পাখপাখালি, পশু আর সৃ‌ষ্টির যত আ‌ছে প্রাণীগু‌লো,

‌মো‌দের কথায় উ‌ঠবোস ক'র‌ছে তারা দিবারাত্র যে‌ন।


আকা‌শে আ‌ছে চাঁদ সূরুজ আর যতসব নক্ষত্রপু‌ঞ্জি

‌শো‌ভিয়াছ তু‌মি ন‌ভো‌তে সবই যেন মানু‌ষেরই লা‌গি।


সাত সমুদ্র তে‌রো নদী সৃ‌জি‌ছ ‌সাগ‌রে যত জলজ প্রাণী,

‌হিসাব ক‌সে দে‌খে‌ছি সবই সৃ‌জি‌ছ তা মান‌বেরই লা‌গি।


আ‌লো বাতাস গাছপালা এসবই তোমার বড় নিয়ামত,

সে‌বি‌বে মানু‌ষের ত‌রে যত‌দিন হ‌বেনা রোজ‌ কেয়ামত।


মানুষ সেরা মানুষই শ্রেষ্ঠ তা‌তে নেই কোন স‌ন্দেহ বু‌ঝি,

দান ক‌রে‌ছো যত ফল ফুল ও শস‌্যভান্ডার রা‌শি রা‌শি।


‌হে আল্লাহ্, হে মা'বুদ হে দয়াময় তু‌মি মো‌দের সৃ‌ষ্টিকর্তা,

‌তোমার খেলা বুঝা স‌ত্যিই বড় দায় সৃষ্ট মান‌বের দ্বারা।

২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১

বিধান সাহা




সঞ্চয়  


চুক্তি যেটুকু ছিল
সেটুকুই থাক
নতুন কিছু
সংযুক্তির প্রয়োজন নেই

চেনা অচেনার
জীবন পথে
নতুন স্বপ্নের আবেশ
নতুন করে
ছবি আঁকে

এটুকুই চাওয়া
যেটুকু পাওয়া হলো
জীবনের চলার পথে
সেটুকুই থাক

মোহাঃ হাসানুজ্জামান




অপ্রতিরোধ্য


প্রত‍্যাশায় বসে হয়েছি অগ্রসর

যানিনা কোথায় হবে এর শেষ

আত্মবিশ্বাসে পড়েনি ভাটা

তাই আজো আমি স্বতস্ফূর্ত।


মানিনি কোন বাঁধা বিপত্তি

করেছি সব কিছু ধূলিসাৎ

এগিয়েছি অধীর আগ্রহে

যানিনা কবে ফুরাবে এই পথ।


আশা আছে প্রবল বুকে

ধরেছি আমি সৎ পথ

অতিক্রম করব সব বাধা

নিয়তি যদি হয় সহায়ক।


আমার পদতলে সব বজ্রঘাত

তবুও আমার পথে আমি নিশ্চল, 

বুকের মাঝে আছে প্রত‍্যাশা

যানি আমি নিশ্চিত হব সফল।


আমার অন্তরে পরিপূর্ণ মনোবল

সংগ্রামের পথে আমি আবিচল,

থামবোনা আমি হব অগ্রসর

আয়ত্বে আনবো আমার আকাঙ্খিত বিজয়।

মমতা রায় চৌধুরী




 অনন্য একুশ


(১)

একুশ মানে জিয়ন কাঠি,

একুশ মানে বাঙালি মননের বাতি।

একুশ মানে ছাত্র-জনতার

রক্তে সিক্ত অমর স্বাধীনতা।

একুশ মানেই আত্মার লড়াই

একুশ মানেই বাঁচার প্রেরণা।

একুশ মানে ৫২র রক্তে ভেজা

বাক-স্বাধীনতার কাননে কুসুমকলি।

একুশ মানে বাঁচার রসদ,

ভালোবাসার দৃঢ় সংকল্প।

একুশ মানে আগামীর পথ চলা প্রভাত ফেরী,

একুশ মানে তুমি আমি চলতে পারি সারাটা পৃথিবীব্যাপী।


(২)

একুশ মানে বলতে পারি

আমার মুখের ভাষা।

একুশ মানেই বলতে পারি

আমি খাঁটি বাঙালি ঘেঁষা।

একুশ মানে চেতনায় জাগা

দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা।

একুশ মানেই বাঁধতে পারি

ভালোবাসার নির্ভেজাল খাসা বাসা।

একুশ মানেই সোনার বাংলার

কুমোর, ছুতোর ,তাঁতি ,চাষা।

একুশ মানেই প্রাণের ভাষা

অমৃত আছে  তাতে ঠাসা।

এই ভাষাতেই গান গেয়ে

নিতাই গোরা আনল দেশে

ভালোবাসার প্রেমগাথা।

একুশ মানে আমার গর্ব,

একুশ মানে প্রভাতফেরির ,

রঙিন স্বপ্ন দেখার গল্প।


(৩)


একুশ মানে খুঁজে দেখা,

বাহান্নের রক্তে ভেজা,

বাংলা ভাষার কান্না।

একুশ মানে দৃঢ় প্রত্যয়ে

 গর্জে ওঠা বেআব্রু বাংলা 

ভাষার রক্ষা শালীনতা।

একুশ মানে বাংলা ও বাংলা ভাষার বিভাজনীতি  বানচাল করা।

একুশ মানে পায়ের মাটি শক্ত করতে,

হাতে হাত রেখে চলা।

একুশ মানে শপথ নেওয়া,

বাঙালি বাংলা ভাষার হৃদপিণ্ড রক্ষা।

ফিরোজ আহমেদ জুয়েল




দাগ

অভিশপ্ত বন্দিজীবন,নির্বাক হাহাকার;

মিনতিতে আর্তনাদ,স্মৃতিতে অম্লান;

বারেবারে উপহাস,অগোচরে উচ্ছাস;

ক্ষনিকের আনন্দে,মন মাতানো উল্লাস।


হারাবে হারাবে সবি,যত ছিলো প্রহসন;

রয়ে যাবে চিরদিন,অনুতাপের ক্রন্দন;

অভিশপ্ত বাতাসের,সুবাশিত গন্ধে;

হৃদয়ে জমেছে,ব্যথারি পাহাড়।


জীবনতো একটাই,নাটকের সমাহার;

না পাওয়ার বেদনায়, প্রতিদিন কেটে যায়।

বাঁচার লড়ায়ে আজ,মৃত্যুর যাত্রী;

ব্যথারি তিব্রতায়,হৃয়টা ফেটে যায়।


অভিলাসের লালসায়,জীবনটা পুড়ে ছায়;

এলোমেলো জীবনটা,আঁধারে ঢেকে যায়;

নিয়তির কাছে যেন,লান্হিত সমাহার;

জীবনের জয়গান,সমাধীতে উপহার।


আসুক আঁধার যতো,কেটে যাবে সহসায়;

স্মৃতি শুধু ভেজাবে,চোখের ভাষায়;

রক্তিম হৃদয়ের জাগ্রত নীতিতে,

পথচলা অবিরাম,নিবৃত্ত-বৈপরীত্য।

সাইফুল আলিম

 



একুশের জয়গান


পরমতলা, মুরাদনগর, কুমিল্লা 


রক্ত মাখা শরীর নিয়ে

কাফেলায় ফিরে যায়

একুশ এলেই স্মৃতিরা দাঁড়িয়ে 

বারে বারে কাঁদায়  । 


জীবনের মায়া করেনি কখনো

স্বপ্ন জাতির জন্য 

প্রেম কাকে বলে দেখিয়ে দিলো

স্বদেশ করতে ধন্য। 


মা,মাটি আর  মাতৃভূমি 

জগতে শ্রেষ্ঠ মধুর ভাষা 

মন আনন্দে কথা বলে

কামার কুমার চাষা।


বাকরুদ্ধ করতে চেয়েছিলো 

পাকের উর্দু বুলি

হয়নি সফল,বুলেট নিয়েও

রক্তে ভিজালো ধুলি।


বাংলা আমার মায়ের ভাষা

বাংলা এদেশের প্রান 

বারে বারে আমায়,মনে করে দেয়

একুশের জয়গান।