শুধুই তোমার ফাঁদে পড়তে রাজি।
বিনা চেষ্টায় মরে যাব চিরতরে
মৃত্যুর ভয় করে নেবো যে আগেই বিয়োগ।
তুমি যদি আমার বলো চলো ডুবে যাই নদীতে,
বলবো আমি নদীতে নয় চলো প্রেমের সাগরে ডুবে মরি।
তুমি যদি আমায় অবহেলার কালো মেঘে ঢেকে দাও
মোবাইলে টাইম পাশ, সম্বৃদ্ধ উল্লাস সাহিত্য হাসি ঠাট্টা খুনসুটি বিন্দাস পড়তে হবে নইলে মিস করতেই হবে। মোবাইল +91 9531601335 (হোয়াটসঅ্যাপ) email : d.sarkar.wt@gmail.com
শুধুই তোমার ফাঁদে পড়তে রাজি।
অসময়ে এলে তুমি
দু 'মুঠো' স্বপ্ন
দু'হাতে দু 'মুঠো স্বপ্ন আছে
দু 'মুঠো স্বপ্ন ছুঁতে যাছে,
দু 'মুঠো ইচ্ছে ও আছে
দু মুঠোর আশে তা বাঁচে।
দু 'মুঠোর ইচ্ছে ঐ একটাই
দু 'মুঠো হাতে দু'মুঠো চাই,
দু' মুঠো ছাড়া চাওয়া নাই
দু'মুঠো যেন দু'মুঠোয় পাই।
জলকণা
ইতিহাস ঘুমায়নি
শপথ সময়ে জন্ম নিয়েছিল যে ছেলে মেয়েরা তাঁরা এক নির্বাক বন্ধন।
সেদিন রক্ত মাংসের ছেলে মেয়েরা কুসুম শয্যা ছেড়ে অর্নিবান পথে।
জন্ম দেওয়া মায়েরা রাতের নিবন্ধে কারাগারের স্বপ্ন লিখেছিল।
মুক্তির শপথে মাতৃ দুগ্ধে পেয়েছিল দেশপ্রেমের বিপ্লবী শক্তি।
আজ লাল কেল্লার বর্ণাঢ্য আয়োজনে কত ছেলে মেয়েদের রক্তে রঞ্জিত,ইতিহাস ঘুমায়নি।
শপথ সময়ে জন্ম নিয়েছিল শতশত নাম তাঁদের অমর বলিদানে প্রণাম।
সেদিনও হরিয়ালী মাঠে শস্য খেলেছিল প্রেম জাগানো স্রোতে।
জোছনার আলোতে পায়ে পায়ে কত কাঁটা বিঁধে চট্টগ্রাম অস্ত্রগার লুন্ঠনে মাষ্টারদা।
প্রেম ছিল ফুল ছিল নদীরও জল প্রতিজ্ঞার আগুণে সব পুড়েছে রক্ত মাংসের ছেলে মেয়েরা।
নামগুলো সোনার হরফে এমনি হয়নি লেখা অভুক্ত সন্ন্যাসী বিবেকানন্দ,শপথে শপথে শিকাগো
জ্ঞানলোকে স্বামীজী।
গভীর অরণ্যের ভয়ঙ্কর মারণ পথে কোনো নারীর শ্লীহানি হয়নি,ছেলেদের স্বদেশ প্রেম মহিমময়ী নারী।
কত রাত্র ঘুমায়নি চোখ স্বপ্ন মাতৃ ভূমির শৃঙ্খল মুক্তি,নেতাজি আজও ঘুমায়নি
ঘুমায়নি ব্রহ্মপুত্র,গঙ্গা,পদ্মা,কাবেরী,যমুনা এলাহাবাদের সঙ্গমে রেখেছে কেবল প্রতিজ্ঞা।
জেগে আছে রবীন্দ্রনাথ,নজরুল,সুকান্ত,জীবনানন্দ আবার আসিব ফিরে--ইতিহাস ঘুমায়নি।
বিপ্লবীর তাপস বেলায় সিরাজদৌল্লা,পলাশীর বাংলা
ফাঁসির মঞ্চে একে একে তরুণ সম্পদ বলিদানে লজ্জিত ভয়ে ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি।
সুখদেব রাজগুরু ভগত কত পূন্যের ফলে এমন ছেলে,একবার বিদায় দে মা বীর ক্ষুদিরাম--স্বাধীনতা স্বাধীনতা।
নেতার সব দাবি ফিরায়ে ওঁরা আছে অমৃতে বিপ্লবী শহীদ
মাতৃ মুক্তির ইতিহাস ঘুমায়নি,স্বরাজ আমার জন্মগত অধিকার---শতকোটি প্রণাম স্বাধীনতা দিবস।
এ কেমন স্বাধীনতা?
শুনেছি স্বাধীনতা
একটি বীজপ্রবাহ।
তবে কেন হয়নি সমাজের
সর্বস্তরে তার অঙ্কুরোদগম?
এখনো দেশের অন্নদাতা ,
অগণিত কৃষক ভাগ্যহত,
অধিকার বঞ্চিত ও দরিদ্র।
তবে এ কেমন স্বাধীনতা?
আজও মানুষ নিরন্ন,নিরক্ষর,
ভাতৃঘাতি সংগ্রাম, সাম্প্রদায়িক কলহ,
মাথাচাড়া দিচ্ছে নিরন্তর।
স্বপ্ন দেখতে ভুলে যাচ্ছে অগণিত যুব জনতা।
যে শিশুর খেলার বয়স
তাকেই শ্রম দিতে হয়
কোন চায়ের দোকান।
নয়তো মায়ের সাথে
মনিবের বাড়ি বাসন মাজায়।
হয়তো বা রাজমিস্ত্রির
যোগান দেয়ায়।
এখনো শিশু শ্রম!
একবিংশ শতাব্দীর
এটাই কি ভবিতব্য?
এই স্বাধীনতা চেয়েছি আমরা?
এখনো দেশে লাঞ্ছিত,
জগদ্ধাত্রী রুপি নারী।
আব্রু রক্ষা করতে,
বলি দিতে হয় অস্তিত্বকে।
আঁতকে উঠি আর ভাবি-
স্বাধীন দেশের নিয়ে ভবিষ্যতকে।
আজও দেশে পণপ্রথা -
রয়েছে মারণব্যাধি রূপে।
দেশের প্রস্ফুটিত গোলাপগুলি
ঝরে যায় কেমন অকালে।
বলতে পারো এ কোন স্বাধীনতা?
যা রক্ষা করতে আত্মত্যাগী
স্বাধীনতা সংগ্রামীরা,
স্বপ্ন দেখেছিল।
আজ কেন সে আজন্ম লালিত
স্বপ্ন হচ্ছে ধুলায় লুণ্ঠিত?
তবুও আশায় বুক বাঁধি
নতুন স্বাধীনতায় উঠবো জেগে।
নীলাচল
শব্দহীন গতিহীন
স্তব্ধতা উদার.. ঔৌ
দৃষ্টিদূর ভরপুর
বর্ণ সমাহার....
কালো নীল....প্রতিবিম্ব
শান্ত চারিধার
পাহাড়ে ঝিকমিক আলো
অনুভব তোমার ll
নারী-পুরুষ
আহা দেব ঠাকুর শিব ব্রাহ্মণ পূজারী
আজ তোমারই দিন দিনমান গুজারি।
সারারাত যে সঙ্গী ছিলেন লীলাখেলায়,
ডাকিলে বেশ্যা তাহারে বেলা অবেলায়।
রাতের প্রমাণ নাহি ডাকি তাই দেবশিব --
দিবালোকে সিংহাসনে রাজার সচিব।
এ ধরায় নারীকুল কেবলি খেলার পুতুল,
শুধু খেলিবার আশে দিয়াছি তাহারে ফুল।
ফুলেই নারীকুল ধন্য আর দেমাগি বেশ,
বিছানাতে গিয়া নিঃশ্বাস হয়ে যায় শেষ।
প্রভাত পাড়ি দিয়ে ফের দম ফেলা শুরু,
অত:পর ফের ঐ শিব ঠাকুর পূজার গুরু।
যুগে যুগে নারী তুমি থাকিলে মূর্তিমান,
নিজেকে বিলিয়া দিয়া করিয়াছ ম্লান।
নিজেকে করিতে পার নি অগ্নিমূর্তিমান,
যুগে যুগে পাইবে তাই তাহার প্রতিদান।
এই দায়ে দোষী নহে কোন পুরুষ
তুমিও দোষী নহে লোভী আত্মার দোষ।
ছবি ও স্মৃতি
0
সে তো অনেক দিন আগের কথা।
ছবিটি কি এখনো দেয়ালে আগের মতোই বাঁকা হয়ে ঝুলে আছে?
জানি তো থাকলেও একরাশ ধূলা জমে আছে,
চার দিকে হয় তো বেহায়া মাকঁড়সা জাল বুনেছে।
ওই ছবিটার সাথে যে দেয়ালটা মরার মতো দাঁড়িয়ে আছে ওটাই
জীবনের বাধা।
আবার কোন এক বসন্তে পাখির ডাক,শ্রাবণের অঝোর ধারা,
তিলোত্তমা গালে বৃষ্টির ফোটা,পাহাড়ী ঝর্ণার কলতান,
অজানা ফুল মৌ মৌ গন্ধে ভরা
জানো তো কতো বিনিদ্র রজনীর যন্ত্রনার দাবানলে পোড়া এই আঁখি।
ছবির রঙ রেখা গুলো হৃদপিন্ডে যে শিরা উপশিরা
তারই ক্ষতচিহ্ন।
তোমার ওই তৃতীয় নয়নের অনুভবে কখনো হয় তো
দেখার অনুভব করনি। তবুও
একই দেশ,একই পৃথিবী শুধু এ পাশ, ওপাশ।
মাঝখানে ভয়ঙ্কর এক বাঁধন।
জানি তো ফিরবে,তবুও ক্লান্ত সময় পিঞ্জরে বার বার দোলা দেয়।
শুধু তুমি ভাল থেকো ....
স্বপ্নের তুলিতে আঁকা ছবি
( বিষন্ন বিনিদ্র লকডাউনের )
চারদেয়াল
হৃদয়ের চিহ্ন এঁকে স্বপ্নভ্রমে,
দশ আঙুলে ছিঁড়ে ফেলে!
তৃষ্ণার্ত ঠোঁটের চিহ্ন নিয়ে;
রঙিন কার্পাসের ধূলাবালি
মন ছোঁয়া শব্দাবলী।
ভোকাট্টা স্বপ্নে চন্দ্রঘুড়ি উড়াউড়ি
মধ্যরাতে প্রেমের আহ্লাদ মেখে
চোঁখ বুজে থাকি,
নিপুন তাঁতিদের মত চোখের পাতায়
কত স্বপ্নের আই-ভ্রু আঁকি।
ঠোঁটে ঠোঁটে তরল জোসনা
তবুও আহত অশ্বের মত লাফিয়ে উঠে
তোমাকে একটিবার ছুঁতে চাই।
সুন্দরকে ছোঁয়া অনধিকার
ঘুম ভাঙলে চেয়ে দেখবো
সুন্দরবেশী তুমিই আমার।
শুধু তোমার জন্য
কবি হবো, শুধু তোমারই জন্য আজ আমি কবি হবো
কবিতার গায়ে তোমার নামে স্বর্গঙ্গা বিছিয়ে পরিচিতি পাবো
কবি ও কবিতা সবটুকু নিপুণতা কৃতিত্ব
দক্ষতা শুধু তোমারই জন্য
শতজনমে শতবার চেয়েছিলাম পাঠক
হয়ে ,না হয় কবিতা হয়ে জন্ম নিব।
শুধু তোমারই জন্য আমি আজ শব্দের
কোলাহল হতে ছন্দ কুড়িয়া কবি হবো !
কেনও ছুঁয়ে দিলে , ছোঁয়া পেয়ে হয়ে গেলাম
কবি কেনও বানিয়ে দিলে কবি
যে ছন্দে হয়তো শব্দ বুকে নবান্নের উৎসবে
মাতোয়ার আমি ধারন করি কল্পিত সেই ছবি ..
তোমার এই কণ্ঠ আওয়াজ যেন রাখালি বাশির
সুর ভাবিয়ে দেয় , হয়ে যাই কবি অনন্য সবি।
সত্যি বলি বেশি না হলেও একটু স্পর্শ দিয়ে যেও
এতো কাছে , স্বপ্নের কাছাকাছি ,
ভয় হয় যদি হারিয়ে যাও , দূব থেকেও খুজে নিও
আমি প্রতিবার তোমাকে যেভাবে ছুঁয়ে দেই ,
তেমনি করে মনে রেখো, আমাকেও ছুঁয়ে দিয়ে যেও
তোমার জন্য আমি কবি হবো , কবিতা লিখবো !
আমাকে তুমি তোমার হৃদয় মাঝে খুজে নিও ।