রীতি কথা
যেদিন আমার তোমার প্রতি
সমস্ত রাগ নির্জন হবে
সেদিন বুঝে নিও...
আমি তোমার হৃতপিন্ড থেকে পালিয়ে এসেছি ।
মোবাইলে টাইম পাশ, সম্বৃদ্ধ উল্লাস সাহিত্য হাসি ঠাট্টা খুনসুটি বিন্দাস পড়তে হবে নইলে মিস করতেই হবে। মোবাইল +91 9531601335 (হোয়াটসঅ্যাপ) email : d.sarkar.wt@gmail.com
রীতি কথা
যেদিন আমার তোমার প্রতি
সমস্ত রাগ নির্জন হবে
সেদিন বুঝে নিও...
আমি তোমার হৃতপিন্ড থেকে পালিয়ে এসেছি ।
অবশেষে কবিতা লিখে ফেললাম
একটা কবিতা লিখবো লিখবো করে অবশেষে লিখেই ফেললাম, যে কবিতায় আছে সুজলা, সুফলা, শস্য শ্যামলা বাংলা মায়ের কথা। অাছে ষড়ঋতু-গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্তের কথা। বহতা পদ্মা, মেঘনা, যমুনা আর আত্রাইয়ের কথাও বাদ যায়নি যেথা। আছে সব মুঘল, নবাব আর ইংরেজ আমলের একচ্ছত্র শাসনামলের কথা, সাতচল্লিশে অর্জিত কাঙ্খিত স্বাধীনতা আর একাত্তরের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের কথাও আছে সেথা। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদ সালাম, বরকত ও জব্বার সহ সংশ্লিষ্টদের কথাও আছে সেথা। ঠাঁই পেয়েছে সেথা নজরুল, রবীন্দ্রনাথের মত বিশ্ববরণ্য সব খ্যাতনামা কবিদের কথা, দেশ মাতৃকার তরে শহীদ হয়েছেন যারা অকুতোভয় সেই বীর মুক্তিযোদ্ধা-সেনানীদের কথা। আছে ত্রিশ লক্ষ বাঙ্গালীর জীবনের বিনিময়ে অর্জিত লাল সবুজের পতাকার কথা। আরও আছে মহান নেতা 'বঙ্গবন্ধুর' কথা-যাঁর ডাকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো যারা, এনেছিলো ছিনিয়ে সেদিন মহান স্বাধীনতা, বাংলা মায়ের সাহসী দামাল সূর্যসন্তানেরা। কবিতা লিখবো লিখবো করে অবশেষে একটা কবিতা কিন্তু লিখেই ফেললাম।
পথ
সবাই যেমন মেপে পা চালায়
আমি তেমন কোনও ছন্দ শিখতে পারিনি ;
পারিনি ব'লেই আমার সঙ্গে আর পাঁচজনের মেলে না;
মেলে নি ব'লেই তো আমি অন্যদের থেকে একটু আলাদা ;
আলাদা বলতে তেমন কিছুই নয়--
তাদের মতই চোখ, নাক-কান; এমনকি মাথাটাও অনেকটা এক
আবার গায়ের রংটাও কারও কারও সঙ্গে হুবহু মিলে যায়!
আবার অদ্ভুত হলেও সত্যি যে অনেকের মতই কবিতা লিখি;
জীবনানন্দ পড়ি; রবীন্দ্রসংগীত, মেঘমল্লার শুনি
খুব হাসিতে লুটিয়ে পড়ি, আবার ভীষণ কান্না পেলে কেঁদেও ফেলি;সবার অলক্ষ্যে!
অলক্ষ্যে বলতে তুমি লক্ষ্য করনি তাই --
আসলে এগুলো তো লক্ষ্য করার মতো কিছুই নয়
যাকগে, আলাদা কেন সেটাই এখনও বলিনি তাই তো?
তোমাদের সঙ্গে চলতে চলতেই হঠাৎ আমি উল্টো দিকে হাঁটি
বেরসিকের মতো এলোপাথাড়ি ছুটতেই থাকি
কখনও ভীষণ একগুঁয়ে, বড্ড জেদি
তখনই তোমাদের, বিশেষত তোমাকে আমার নিজের পথে চালাতে চেষ্টা করি;
এখানেই ঘটে বিপত্তি।
বিপত্তি ঘটেই চলেছে। চলেছে বলেই এতবার তোমাদের সঙ্গে গোলযোগ বাঁধে;
যেকারণেই আমাকে নিয়ে তোমাদের এত এত অভিযোগ; এমনকি আত্মিক বিয়োগ!
শুধু কী অভিযোগ?
কত রাগ, তীব্র ঘৃণা, গালাগাল শুনতে হয় আমাকে!
এত ভর্ৎসনায় এতটুকু দমি না আমি
আর দমে যাই না বলেই
আবারও নতুন করে স্বপ্ন দেখি
সে স্বপ্নে বাসা বাঁধে সংসারে হোঁচট খাওয়া কিছু উন্মাদ;
যেখানে অবাধে মিলেমিশে এক হয় লালন সাঁইয়ের মাটির হাঁড়ি;
স্বপ্নের উঠোনজুড়ে সূর্যটা রোজ বনবন ঘোরে
ঘুরতে ঘুরতে সন্ধ্যায় চাঁদ এসে উপচে পড়ে ঘরের বারান্দায়
অথচ তুমি সেই বারান্দায় দু'দন্ড ব'সে আজও
ভেজা স্বপ্নগুলোর গল্পই শোননি!
শোননি বলেই না এত গোলমাল হচ্ছে
গোলমেলে দেখাচ্ছে সূর্যের রং এখনও লাল নাকি খয়েরি, ফিঁকে!
গোলমেলে দেখাচ্ছে চাঁদের আদল ঠিক কার সঙ্গে মেলে!
আমি এসব দ্বান্দ্বিক সভা উপেক্ষাই করি
উপেক্ষা করি আমাকে ঘিরে তোমাদের যত সংশয়! ঘৃণা, বিদ্বেষ কিংবা আক্রোশ।
বারবার তবু তোমাদের নিয়েই স্বপ্ন দেখি। বিশেষত তোমার কাছেই বারবার আশ্রয় চেয়ে উপশম খুঁজি।
খুঁজতেই থাকি, হাতড়াই, হোঁচট খাই!
তবু পথ মেলে না কিছুতেই!
একটা তুমির অপেক্ষায়
আমি এমন একটা তুমির অপেক্ষায়।
যে আমার এসিডদগ্ধ বা বসন্তের দাগে ভরা-
মুখে চুমু দিতে দ্বিধা না করে আদরে ভরিয়ে দিবে।
আর বলবে তুমি এত সুন্দর কেন?
আমি এমন একটা তুমির অপেক্ষায়।
যে আমার ক্যান্সারে আক্রান্তে ঝরে যাওয়া লোম বা-
চুল না থাকলেও আমাকে ভালোবাসবে।
নিজে নেড়া হয়ে এসে বলবে,কারো সাহস হবে না-
কিছু বলার। এই দেখ তোমার মত হয়ে এসেছি।
তোমাকে যে আমি অনেক ভালোবাসি।
আমি এমন একটা তুমির অপেক্ষায়।
যে আমার হলদে খসখসে বা তেলে ছিটকে পড়া-
হাত শক্ত করে ধরে বলবে,তোমার হাতের স্পর্শে-
আমার অস্তিত্ব ফিরে আসে।আমি নিজেকে খুঁজে পায়।
আমি এমন একটা তুমির অপেক্ষায়।
যে আমার চামড়া কুঁচকানো ফাটা পায়ে-
নূপুর বা আলতা পড়িয়ে দিয়ে বলবে,
বাহ্ তোমার পায়ে খুব মানিয়েছে তো।
আলতো করে পায়ে ঠোঁট ছুঁয়ে দিয়ে বলবে,
আমার যে খুব ভালো লাগে এটা করতে।
আমি এমন একটা তুমির অপেক্ষায়।
যে আমার কাজের মধ্যে ঘেমে যাওয়া অবস্থায়-
জড়িয়ে ধরে বলবে,এই তুমি এত খুশবু কেন?
আমি যে মাথাল হই।তোমার ঘাম মাখা শরীরে-
লেপ্টে থাকতে এত ইচ্ছে করে কেন?
আমি এমন একটা তুমির অপেক্ষায়।
যে আমার বাহ্যিক সৌন্দর্য কে নয়,
আমার মনের সৌন্দর্য কে খুঁজবে।
আমার রোগকে,আমার অসুন্দরকে,
আমার বদঅভ্যাসকে,আমার সব খারাপকে
আপন করে নিবে আর ভালোবাসাবে।
আমি বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ,
পথ চেয়ে রইবো,এমন তুমির আশায়।
অনন্তকাল তোমারই অপেক্ষায়।
শুধু তোমারই অপেক্ষায় ।
ভেসে চলেছি
নীল সমুদ্রে ভেসে চলেছি,
নির্জনতার ঢেউকে সঙ্গে নিয়ে,
হৃদয়ে রয়েছে সীমাহীন উত্তাপ,
বাইরে দাঁড়িয়ে বেদনার বুঁদবুঁদ।
চলেছি কোন অচিনপুরির দেশে,
একাকীত্ব হয়েছে চলার সাথী,
মেঘের মধ্যে মেঘ করছে আনাগোনা,
মনের মধ্যে চলছে অজস্র চিন্তাভাবনা।
ভরদুপুরে চলার সাক্ষী সোনালী রোদ্দুর,
উদ্বেল হৃদয়ে কেবল নীরবতার ক্ষতচিহ্ন,
পুলকিত হই যখন ভেসে ওঠে স্মৃতি,
কিন্তু ক্রমশঃ তা আবছা হয়ে মিলিয়ে যায়।
চলতে চলতে উদাস হয়ে যাই আর ভাবি,
সকলেই কেমন যেন ছুটে চলেছে,
একটু ভালোবাসা পাওয়ার তরে,
কিন্তু সে তো অদৃশ্য, অথচ
প্রত্যেকের অন্তরে বিরাজমান,
আত্মিকটানের অনুভূতিতেই,
থাকে সদা জাগ্রত।
রক্তের স্বাধীনতা
সূর্যসেন বাঘায্যোতিন
শহিদ ক্ষুদিরাম
বজ্রকণ্ঠে বলেছিলেন
বন্দেমাতরম।
বিনয় বাদল দিনেশরা
জীবন দিলেনদান
ব্রিটিশদের তারিয়ে দিয়ে
রাখেন ভারতের সম্মান।
গুলিখেয়ে মাতঙ্গিনী হাজরা
বলে বন্দেমাতরম
রক্ত দিয়ে লেখা থাকবে
স্বাধীনতার নাম।
বড়োলাডকে মারতেগিয়ে
মরল ভারতবাসি
অবিরামের দীপ চালোনা
ক্ষুদিরামের ফাঁসি।
হিংসাছাড়ো আন্দোলন
করেনগান্ধীজী
রক্তদাও স্বাধীনতা দেবো
বলেন নেতাজী।
স্বাধীনতা আনলো দেশে
হিন্দু মুসলমান
কোটি কোটি বিপ্লবিরা
ভারত সন্তান।
পনেরো ই অগষ্ঠ দেশস্বাধীন হলো
পতাকা উঠলো আকাশে
বিপ্লবিরা জীবন দিলো
ভারতমাতাকে ভালো বেশে।।
পরিভ্রমণ
নদীকে না বলে তার পাড়েই স্থাপন করি
সম্পর্কের ভিত্তিপ্রস্তর।
নদী দেখার আগে
দেখি প্রিয়ন্তীকে,প্রিয়ন্তী আমার প্রথম নদী-
অথৈ ইসকুল
হাবুডুবু পাঠে হাতেখড়ি
জীবনে ভোর সকালে।
আগুনের সাথে পরিচয় পাথরের।
সভ্যতার পায়ে লেগে গেল দৌঁড় গতি,
লোহার চাক।চাকা আবিষ্কার
চক্রাকারে ঘোরা সেই থেকে শুরু,--
পরিভ্রমণ।
ফুল,মধু ও ঘ্রাণে।
চোখে ধরা পড়ে
উত্তরের হাওয়ায় জানালার পর্দাটা
সরালে দেখা যায়
নানান ধরনের গাছপালার ফাঁকে
গজিয়ে ওঠা নতুন পাতাদের
জোসনা রাতে ভারি মজা লাগে।
আর চারপাশে একাধিক কয়েক তালার বাড়ি
কাছাকাছি ছাদে হঠাৎ দেখা হয়েছিল
সদ্য বিবাহিত নারীকে
দু চোখে ধরা পড়েছিল তার মুখ।
নতুন । ভিতরে আতঙ্ক কাজ করছিল
অথচ দেখতে পেয়েছিলুম তার ইশারা
আমাকে ভাবিয়েছিলো, ঘুম আসেনি
একদিকে যমুনা ছিল অন্যদিকে গঙ্গা ভাগিরথী
দুয়ের মাঝে ঢেউ খেলেছিল সারাটি রাত
দু চোখে ধরা পড়েছিল তার মুখ।
হঠাৎ মুখোমুখি
নতুন কিছু করার নতুন কিছু বলার থাকে
এসব উধাও। সময় নেই বিবাহিত স্বামীর
সময় কাটে না, ভিতরে যন্ত্রনা
এ যেনো ঘন একটা অন্ধকারের জালে জড়িয়ে পড়া
শুধুই আলোর পথ খুজছিলাম
তুমি যদি আলো হও আমি হব দিশা।
আমার বেড়ানো ছাদ হয়ে উঠুক
বৃষ্টিতে ভেজা নীল শাড়ির আঁচল
তুমি থেকো সারাক্ষন চোখে চোখ রেখে
শুধুই আমার জন্য --+।
সানা মনির জন্মবার্ষিকী
এই করোনার মহা মারিতে
আসলো ছুটে ভবে
স্মৃতির পাতায় নাম লিখিয়ে
রাখলো তাহা সবে।
১৫ই জুলাই দু’হাজার বিশ এ
জন্ম নিলো সানা
এই সময়ে করোনার বিষে
ভোগছিলো তার নানা।
বিশ্বে যখন আসলো গজব
বান্দর ই সব দায়
সানা মনি চোঁখ খুলিয়া
আজব দুনিয়া চায়।
পাড়া পরশী উঠলো জেগে
কান্না শুনে তার
এমন সময় মহা বিশ্বে, আবার
জন্ম হলো কার!!
প্রথম কান্নায় দাদি নানিরা
উঠলো মেতে হেসে
আদর করে বুকে টেনে
চুমায় ভালোবেসে।
চাচারা সবাই দেখতে ছুটে
চাঁদের ন্যায় ঐ মুখ
ফুফু খালা সব খুশির সংবাদে
ভরে গেছে তাদের বুক।
দাদু ডেকে কয়,দেখো না চেয়ে
খেলছে কেমন করে
এ বুঝি এলো ভাগ্যবতী
বিশ্ব মানবের তরে।
বাবা যে সদা, করে বকা যকা
দুর্ভিক্ষে কেনো এলো
রাস্তা, ঘাটে গড়াগড়ি করে
কতো যে প্রান গেলো।
দোয়া মাঙ্গে বাবা, ওগো দয়াময়
করোনা ই এখন শিষ্যে
সানা মনিকে বাচিয়ে রেখো
এই যে মহা বিশ্বে।
দিনের পরে মাস চলে যায়
আসলো বছর ফিরে
স্বপ্ন সবার হবে যে বড়
জ্ঞানী গুনীদের ভীরে।
নিপা কেঁদে কয় ওগো দয়াময়
নিওনা করোনায় প্রান
সানা যে আমার পরশ মনি
রাখিও সদা মান।
জন্ম দিনে এই মিনতি
করি বারংবার
গোলাপ,বেলী,বকুলের ন্যায়
প্রভু করো চমৎকার।
সৃষ্টি কর্তা
আকাশ পানে চাঁদ সূর্য নক্ষএ কত গ্রহ তারা
জমীন পানে জীব প্রজাতি গাছ প্রকৃতি নদী-নালা
নীচ থেকে উপর মাঝে,ইট সাজিয়ে ছাদের মতোন
দিয়েছো যে পৃথিবীকে আকাশ নামের ছাদটাকে!
তারীর মাঝে নাইকো আজ,আমরা সুরক্ষিত।
খোদা তোমার রং বে রংয়ের খেলায় যে আজ
পৃথিবী নামক গ্রহের মানুষ,করছে হা হা কার।
অন্য গ্রহে যেন,দিওনা এই মরণ ব্যাথী করুন দোসা।
খোদা তুমি করলে ঘোষণা,পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জীব আমরা।
কোন ভুলে দিচ্ছো মোদের এত কষ্ট যন্ত্রণা।
হে খোদা তুমিতো দোয়ার সাগর দাওনা মোদের ভিক্ষা।
দুহাত তুলে দোয়া করি পৃথিবীকে শান্ত করো আবার।
পৃথিবীকে শান্ত করো আবার।
৮নং তিতকুমার,বাসন্তী,২৪পরগনা।
প্রেরণাদাত্রী
হেরে গেছি আমি সময়ের কাছে,
দুঃখ নেই তাতে।
যুগিয়েছো তুমি নবোদ্যমে আশা,
ভগ্ন হৃদয়কে তুমি করে তুলেছো তাজা,
পাশে থেকে সদা, বলে গেছো তুমি,
" তুমিই জয়ী হবে "।
উদাসী মন নিয়ে যখন, বসি গিয়ে তীরে,
দেখি নৌকাটি চলে যায় দূরে।
আনমনে ভাবি আর কতদূরে,
দেবে সে সুদূরে পাড়ি।
পাশে এসে বসে, তুমিই বলেছো,
" তুমিই জয়ী হবে "।
শিক্ষা, খেলা কিংবা বিনোদন,
জীবিকার খোঁজে ব্যর্থ যখন মন।
ক্লান্তি ও গ্লানি ঘিরে ধরেছিল মোরে,
একবারের জন্যেও তুমি, কিন্তু যাওনি সরে।
স্পর্শকাতর কথায় প্রেরণা যুগিয়েছো, বলেছো -
" তুমিই জয়ী হবে "।
আজ যত ভাবি নিজেরই অজান্তে,
পৌঁছে গেছো তুমি কোন্ দূর-দূরান্তে!
তারা হয়ে হয়তো দেখছো আমায়,
এ জীবনে আর, পাশে পাবোনা তোমায়।
হেরে গেছি আমি, তোমারই ভবে,
বলবে না কেউ " তুমি জয়ী হবে "।
মেঘে বজ্রপাত
বিমানে একটি ছট্ট শিশু, খেলনা নিয়ে ব্যাস্ত I হটাৎ বাজ পড়লো বিমানে - বিমানটা হারালো ভারসাম্য I প্রাণের ভয়ে শিশু থেকে বৃদ্ধ ভয়ে অস্থির I শিশুটি আপন মোনে খেলে যাচ্ছিল I এক ব্যাক্তি খেয়াল কোরে শিশুটিকে I তোমার কোনো ভয় নেই কেন? ছোট্ট মেয়েটি বললো, এই বিমানের পাইলট আমার বাবা I বিমানটি অবত্রন করলো নিরাপদে I তাই বাবারা বেঁচে থাকুক, সব শিশুদের হৃদয়ের মাঝে ভালোবাসায় I
সুন্দর তুমি
তুমি সুন্দর
প্রত্যুষে বিকশিত
নির্ঝঞ্ঝাটে গোলাপের লালাভার চেয়েও তুমি সুন্দর
তুমি সুন্দর আরও সুন্দর
ওই সিঁথিতে দোলন্ত লাল সিঁথি পাটি।
তুমি সুন্দর
রক্তাভ নবোদিত সূর্যের চেয়েও তুমি সুন্দর
তুমি সুন্দর আরও সুন্দর
মৃদুগামী অধর হাসি।
তুমি সুন্দর
পূর্ণিমা তিথির পুষ্করিণীর চেয়েও তুমি সুন্দর
তুমি সুন্দর আরও সুন্দর
ঔজ্বল্য দু'টি কাজল আঁখি।
তুমি সুন্দর
দ্যুতিময় ধৌতশিশির বিন্দুর চেয়েও তুমি সুন্দর
তুমি সুন্দর আরও সুন্দর
আকর্ষক ওই নাসিকায় উদ্বেলিত নথ।
তুমি সুন্দর
আরও সুন্দর তোমার দুরন্ত অলক
ফের হারালাম পলক
প্রাণবন্তক লাবণ্য ওই মুখশ্রীর স্পর্শ পেতে
আমি এক তৃষিত চাতক।
হাসি যেন তার মায়াময় জোছনা
সৌভিক দুটি আঁখি
ঠোঁট দুটি তার বর্ণোজ্জ্বল
যেন নব্য ফোটা গোলাপ পাপড়ি।
চাঁদ বাকা ভ্রু ওই
রংধনুর টান
সে যেন অতন্দ্রি কবিতার
এক সতেজ প্রাণ।
বেশ মানিয়েছে ঠিক
ওই কপালের কালো টিপ
আর চমকানো কর্ণের দুল
সে যে বিশ্ববিধাতার গড়া উত্তমা ফুল।
মুখ যেন তার
ফাল্গুনী আকাশের ঔজ্জ্বল্য চাঁদের গড়ন
মাথা ভরা মেঘ কালো কেশে
সে যে গন্ধ বিলায় সারাক্ষণ।