২৭ জানুয়ারি ২০২১

এন এ আলম ( সীমু )




কবি


ওহে কবি তুমি রবি তুমি কখনো চাঁদের জোছনা 

তুমি প্রেম তুমি বিদ্রোহ

তুমি নদী আটকে দেওয়া বালুচরের অটল মোহনা 


ওহে কবি তুমি জ্বলন্ত অগ্নির জ্বলন্তঅক্ষর,

মনের জ্বলন্তভাষা। 


ওহে কবি তুমি শীতল প্রেমের রাজপুরুষ 

তুমি মিঠা, ঝাল কিছু তামাশা। 


ওহে কবি তুমি পাতালপুরীর রূপকথা

আবার,  

তুমিই বিধবার সাদা বসনা। 


ওহে কবি তুমি অনাহারক্লিষ্ট মায়ের করুণ চোখের যাতনা 

ওহে কবি তুমি ক্ষুধার্ত দেব-শিশুর 

ভাবলেশহীন ভাষা বোঝা এক সাধনা 


ওহে কবি  তোমার কবিত্বশক্তি যেন কখনওই

কলম চালাতে থামেনা। 


ওহে কবি তুমি রবি

তোমার আলো যেন কভু নিভে না।

মহুয়া চক্রবর্তী




 ভালোবাসা 



ভালোবাসা -  তাকে কি দেখেছো কখনো !  সে কেমন হয় গো , তার স্পর্শ পেয়েছো কি? জীবন জুড়ে শুধু অবহেলার চোরাবালি, যেখানে শুধু তলিয়ে গেছি আমি। 

 ভালবাসাকে শুধু দূর থেকে দেখেছি,

দূর থেকেই সে দিয়ে গেছে হাতছানি

যখন কৃষ্ণচূড়ার বুকে, লাল আবিরের দল খেলে,

 আমি তখন বিষাদ মনে শূন্য পথ পানে চেয়ে থাকি, সে আসবে ভেবে। 

মনের ঘরে জীবন প্রদীপ খানি জ্বালিয়ে রাখি।

তুমি আসবে বলে, কামিনীর সাজে সেজে, 

আশার প্রদীপ জ্বালিয়ে হাত

নিজের প্রাণের মাঝে।

কবে আসবে তুমি,

সম্মুখের পথে

দীপ্ত শিখাটি নিয়ে আছি

তোমার পথপানে চেয়ে   পুড়বে বলে রয়েছে আশায় 

আমার নিরব হিয়া।

কবে পাবো তোমার ভালোবাসার

ছোঁয়া।

মিলন ভৌমিক




কল্পনার দেশ


পৃথিবী যদি কল্পনার দেশ হতো

মানবজাতি থাকত সুখে।

সীমাহীন দারিদ্রতা পৃথিবীতে

যদি না থাকতো, থাকতো মহাআনন্দে।

দুঃনীতি,কম'হীন,দূবলশ্রেনী

যদি না থাকতো, প্রতিবাদ, বিক্ষোভ,ধম'ঘটে,

 হতোনা গণআন্দোলন।

সাইকোথ্যাব যদিনা থাকতো

ওরা অনেক বছর বাঁচত।

শক্তিধর রাষ্ট্রযন্ত্রের দাদাগিরি

শোষনও শাষনে যদিনা থাকতো

ছোট্ট রাষ্ট্র গুলো শান্তি পেত।

বুদ্ধিজীবীরা পৃথিবীময় যদি একহতো

স্বর্গের দেশ হতো।

মহাভারতে রথের কল্পনা থেকে

রকেটের যদি হয় সৃষ্টি,

যুগের শেষে কল্পজগৎ

হতে পারে বাস্তব মুখী।

কল্পদেশে থাকবো বেঁচে

অনন্তকাল ধরে,

বিদায় চাইনা পৃথিবীর কাছে।

টুলটুল দেবনাথ (শিপ্রা) নিবন্ধ




মধুসূদনের কাব্য প্রতিভা

মধুসূদনের কাব্য প্রতিভা(১ম ভাগ)


ছাত্রজীবন থেকেই মাইকেল নিজের কবি শক্তির পরিচয় দিয়েছিলেন। কবি প্রধানত ইংরেজি ভাষাতে কবিতা রচনা করতেন এবং একদিন তিনি মহাকাব্য রচনা করতে সক্ষম হবেন বলে মনে করেছিলেন। সে সময় রিচার্ডসন তার কবিতা পড়ে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছিলেন। ভূদেব মুখোপাধ্যায় ছিলেন মধুসূদনের বন্ধু এবং তিনি স্বীকার করে গিয়েছেন যে ইংরেজি সাহিত্যে তাদের সময়ে কোন ছাত্রই মধুসূদনের সমকক্ষ ছিলেন না।

                 

কলেজ জীবনে কবি তার এক বন্ধু কে বলেছিলেন, 'I happened to be a great poet, with I am almost sure I shall be'. তার এই কথা পরবর্তীকালে প্রমাণিত হয়েছিল।আ ১৮৪৩ সালে তিনি আত্মীয়-স্বজন পিতা-মাতা কাউকে না জানিয়ে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করে মাইকেল নামে অভিহিত হন। ফলে তিনি হিন্দু কলেজে পড়ার অধিকার হারান এবং পরে Bishop's কলেজে ভর্তি হন। তারপর ১৮৪৮সালে একদিন সকলের অজ্ঞাতসারে মাদ্রাজে চলে আসেন। মাদ্রাজে তিনি শিক্ষকতা শুরু করেন পাশাপাশি ' পত্রিকা পরিচালনার কাজ হাতে নেন।মাদ্রাজে থাকাকালীন সময়ে তিনি তামিল,তেলেগু, গ্রিক ও হিব্রু ভাষার উপর অধিকার অর্জন করেন। পূর্বে তিনি সংস্কৃত ইংরেজি এবং ফরাশী ভাষাতেও বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেছিলেন। মাদ্রাজ থেকে প্রকাশিত 'Madras Circulator' Magazine 

এ মধুসূদন দত্ত 'Timothy pen poem' ছদ্মনামে A Vision Captive Lady' শীর্ষক একটি ইংরেজী কাব্যে পৃথ্বীরাজ সংযুক্তার কাহিনী তুলে ধরেন। সময়টা ছিল ১৮৪৮-১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দ ।তিনি এই কাব্য রচনা করেg অনেকটা খ্যাতি লাভের আশা করে থাকলেও ফল হলো তার বিপরীত। তার উপর ইংরেজ সম্পাদকের কাছে অনেক ভর্তসিৎ হন। পাশাপাশি বেথুন সাহেব মধুসূদনের কাব্য পাঠে তার প্রভূত প্রশংসা করে থাকলেও গৌড় দাস লিখেছিলেন যে,মধুসূদন যদি মাতৃভাষার শ্রীবৃদ্ধির জন্য তার প্রতিভা নিয়োজিত করেন তবে তিনি স্বদেশের ও উপকার করবেন এবং নিজেও সুখ্যাতি লাভ করবেন।গৌরদাস বসাক একথা বন্ধুকে জানিয়ে দিয়ে বেথুন সাহেবের সাথে সহমত হয়ে মধুসূদনকে বাংলা কাব্যে অবতীর্ণ হতে অনুরোধ করেন।

স্বপন কুমার ধর



 চলো, কাজ করি


না, আর বসে থাকবো না, চলো কাজ করি,

বসে থাকার অর্থই,

মস্তিষ্কে আজন্মার জন্ম দেওয়া,

প্রতিনিয়ত বেঁচে থাকার লড়াইয়ের জন্য,

কারো কাছে হাত পাতা, মাথা নিচু করা,

কিছু আবেদন-নিবেদন-আর্তি একান্তে,

দয়ার ভিক্ষে না পেলে, চোখে জল, ঝাপসা চারিদিক,

মনে অশান্তি, জীবন হতাশময়।


না, আর বসে থাকবো না, চলো কাজ করি,

বাধা-বিপত্তিতে হার মানবো না,

নিজের পায়ে দাঁড়াবো, আগামীর পথ খুলবো,

আলো আসবেই, অন্ধকার কাটবে- ই,

গাছের পাতারা উদ্বেল হবে,

সমুদ্রের ঢেউ ও পা ছুঁয়ে যাবে,

সীমাহীন আকাশের একপ্রান্ত থেকে,

অন্ধকারময় জীবনে শুকতারা ও দেখাবে,

আলোর প্রবেশ দ্বার, জীবন হবে গতিময়,

না, আর বসে থাকবো না, চলো কাজ করি।

আইরিন মনীষা




আবার কি হবে দেখা 



বেলা যে আমার পড়ে এলো 

স্মৃতিফলকে রয়ে গেলো, 

ভাবি বসে এই অবেলায়

আসবে কি ফিরে আঙ্গিনায় । 


বলছি আমি তোমার কথা

বিরহে বাড়ছে মনের ব্যথা,

অভিসারে তুমি আসতে যখন

খুঁজে পেতো সুখ মননে তখন। 


আবার কি হবে দেখা বন্ধু

দুইজনে গড়বো  প্রেমের সিন্ধু,

মিলনের সুরে হারাবো দুজনে

দূর দূরান্তের ওই নির্জনে...।


অপেক্ষার প্রহর হয় না শেষ 

রয়েছি এখনো তোমাতেই বেশ,

আসো যদি ফিরে কাননের পর

আমার জীবনে আসবে নতুন ভোর।

২৬ জানুয়ারি ২০২১

সানি সরকার




ঈশ্বরের খিদে ও শীতকাল 


শীতের রাস্তায় দাঁড়িয়ে ঈশ্বররা হাসছেন 

এই হাসির ভেতরে খিদে চেপে রাখার 

ওষুধ মেশানো আছে? 


পথ চলতি একজন ব্যক্তি বললেন : 

শীতের রাস্তায় 

এতগুলি মানুষ 

তাঁদের শীত করে না... 


পাশ থেকে আরেকজন বললেন : 

কোনও কোনও মানুষদের 

শীত করতে নেই, খিদে পেতে নেই 

আমরা সকলেই জানি, কখনও কখনও 

ঈশ্বরের শীত ও খিদে থাকতে নেই... 


শীতের রাস্তায় দাঁড়িয়ে ঈশ্বররা হাসলে 

আমাদের শীতকাল ফুরিয়ে যায় 

ওঁদের দেখে আমাদের শীত, তেষ্টা ও খিদে মরে যায়

আনার কলি ( টোকিও, জাপান )




 মনোযোগ 


তোমাকেই দেবো সবটুকু 

অম্ল, বিষ , সুধা যা কিছু।

প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্প , সুনামি 

অতঃপর যতটুকু বেঁচে যাই আমি। 

ঊষার আশা , গোধূলির শেষ চাওয়া 

অবশেষ তার যতটুকু যায় পাওয়া। 

জানতো আমার আছে সামান্য রতন 

ক্ষয়ে যাওয়া আয়ু , মুক্ত মন। 

যা কিছু আমার দেবো তোমায়

শুধু মনোযোগটুকু দিও আমায়।

হামিদুল ইসলাম



পাঞ্জা

          

              

বৃষ্টির শব্দে আজ মুখরিত হৃদয় 

        প্রতিটি শিরায় শিহরণ

           মাতৃদুগ্ধে স্বাদ নেয়

                    ইতিহাস ।।


বৈরিতার শঙ্খচূড়ায় হতাশাগ্রস্ত জীবন 

       বিভেদের ছায়ারা সজাগ

         প্রতারণা বন্ধুর গলায় 

                   বারোমাস ।।


হেলায় হারিয়ে ফেলি চেতনার রোমকূপ

      শ্বাপদদের সাথে বাঁধি ঘর

        মৃত‍্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ি

                    নিরন্তর ।।

শান্তা কামালী




প্রথম বসন্ত দিনে 



তোমার বক্ষে যুগল শঙ্খচূড় উদ্ধত 

ভঙ্গিমায় ডুব দেয় বারেবারে... 

তখন তুমি সান্ধ্য সিনানরতা

হেমাগ্নি সরোবরে... 


দূর হতে আমি দেখেছি

 অরূপ  রূপ,

মদন জ্বরে পুড়েছি একাকী 

নীরবেতে নিশ্চুপ। 


ভ্রমর হতে চেয়েছিলো মন 

অনুক্ত প্রলোভনে,

ঢেউ গুলো যেমন জড়িয়ে ছিলো 

নিবিড় আলিঙ্গনে... 


তেমন ই ভাবে চেয়েছিলো 

আমার এই বাহু দুটি 

তখনই প্রস্ফুটিত শাপলা কোঁড়কে 

অকাল কুজ্ঝটি...


নিঃজ্ঝুম চারিপাশ.... 

হাঁপড়ের মতো ফুলে ওঠে ফুসফুস,

কি এক ঝড়ের পূর্বাভাস। 


সমাপ্ত হলো স্নান... 

আমার বুকের শুকপাখী টা

গায় পুরাতনী গান...


"নিশীথ জাগিয়া রয়েছি বঁধুয়া.... 

আমি শুক তুমি সারি...

যুগ যুগ ধরে আমাদের দু'জনা

বাইবো জীবন তরী।

শ্যামল রায়ের দুটি কবিতা




 মানুষই ভগবান 


মানুষের ধর্ম মানে আদর্শবোধ মূল্যবোধ সততা

মানুষের পাশে দাঁড়ানো সাহায্য করা

এর প্রকৃত অর্থ ধর্ম যার নাম মানবিকতা

এখানে সম্পূর্ণ হতে পারি আমরা

বিভিন্ন নামে ডাকতে পারি

কখনো ভগবান কখনো আল্লাহ কখনো যীশু খ্রীষ্ট।

যে সব মানুষের বিবেক ও চেতনাবোধ নেই, 

তারা সম্পূর্ণ মানুষ নয়। ধর্মের নামে কুৎসা শুধু হয়।

চেতনা বোধ না থাকলে

মনুষত্ব তৈরি হয় না

তাই বেঁচে থাকার মাঝে নানান কিছু ভাবি আমরা

কখনো নানান উক্তি করে থাকি

 চিত্রা না থাকলে বলি জ্ঞান নেই, তাই পশু। 

আবার কখনো কোন  মানুষ 

জ্ঞানরুপ দেশলাই দ্বারা 

সংসারের তথা মানুষের 

অজ্ঞানতা দূর করে আলোর

পথ যারা দেখিয়ে থাকেন তারা মানুষ

  নাম হতে পারে ধর্ম ,যিনি দিশা দেখান,

 তিনি হচ্ছেন ভগবান আল্লাহ

 বা যীশু খ্রীষ্ট হতে পারেন।

 এই ভাবনাটা এখন অনেকটাই দিশাহীন 

তাই মাতামাতি ধর্ম নিয়ে মানবিকতা নেই। 



সবকিছুই ডাকছে

 

 সমুদ্রর ঢেউ ডাকে

আমরা বলি গর্জন করছে

আমরা সকলেই ডাকি

তারমধ্যে এরকমটা হতে পারে

পাখি ডাকছে চঞ্চল অচঞ্চল পরিবেশে 

কুকুর কাঁদছেতো কাঁদছেই চারপাশ জুড়ে

গরু ডাকছে, বিড়াল কাঁদছে 

শিশু কাঁদছে কৃষক কাঁদছে 

পাশের বাড়িতে কাঁদছে।

কেঁদে ওঠার সুর সব কিছুতেই 

 চারপাশ জুড়ে।

আমি-তুমি দেখেও দেখছি না, শুনেও শুনছি না।

প্রতি ঘরের দেয়ালে কান পেতেশোনো, দেয়ালও কাঁদছে। 

তুমিঝ দ‍্যাখো, শুনেও শুনছে না, কেউ

গুমরে গুমরে কাঁদছে সবাই

শুধুই দেখছি ,ভাবছি না কেউ ই

যারা ভাবছি ,করার নেই কিছুই--- 

কান্নায় শুধুই  এখন জল ।




মুন চক্রবর্তী




মাটির সন্ন্যাসী শপথ


এই মাটির শপথে এসেছিল ছাব্বিশ জানুয়ারি 

যাঁর শুধু অনুরাগ ছিল না,ছিল বিপ্লবী আগুন

স্বরাজের মিছিলে বুলেটে বুক দিয়ে গেছে অগনন

সমতার জয়গানে কলম লাঙল মাটির আলিঙ্গনে।


হাজার প্রাণের বলিদানে প্রজাতন্ত্রের বিজয় তিলক 

মাটির সন্ন্যাসী শপথে ভাগবত,ভগবতী,ভাগীরথী মৌন সাধক।


রক্ত ফেনিল উচ্ছাসে ভেঙেছে সব প্রাচীর, কণ্যা কুমারীর বুকে মগ্ন তাপস।

এই মাটিতে "হল বলরাম স্কন্দে উপাড়ি ফেলিব বিশ্ব' কবির হুংকারে ঘর ঘরে বীর বীরাঙ্গনা কাজী নজরুল।


শস্য শ্যামলার প্রজারা পৃথিবীর মানচিত্রে শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি 

লাল কার্পেটে হাঁটছে যখন দলাদলির দালাল

বুকের রক্ত ঝরছে নির্বোধ কাঙালের,সমতার বিচার রাখছে ইতিহাস।

মাটির সন্ন্যাসী শপথ বিপুল সম্ভারের সম্ভবনা নিয়ে 

রৌদ বৃষ্টি ঝরে ভোটের বাক্সে বন্দী অরাজকতা।


রক্ত দিয়েছে ঢেলে তারুণ্যের সকাল,গোধূলিতে শ্মশান কবরে শুকনো ফুলে--

বৈরাগ্যের মৃত্যু সাজিয়ে মুনি ঋষির তপ ভূমি প্রজাতন্ত্রে বেশ আছে

সব ভুলেছে মিছিলের অভুক্ত প্রজা,মাটির সন্ন্যাসী শপথে।


জাতীয় পতাকা বিক্রির বাজারে ছেলে মেয়েরা 

শহিদ তর্পনে ছেঁড়া কাপড়ে মূখের  হাসিতে

মিলেছে নির্বাক শপথ জাতীয় পতাকার নীচে 

"জন গন মন" তেরঙ্গায় কবিগুরুর মাটির সন্ন্যাসী শপথ।

সুলতানা চৌধুরী পারু ( ইংল্যান্ড )



জন্ম হোক নতুন গল্পের 



সবাই তো ভালোবেসে দিতে চায় 

আমি না হয়.একটু আঘাতই দিব


দেখতে চাই তোমার কলম থেকে 

কতো ভালোবাসার কালি ঝরে.! 


ঝরে পড়ে পড়ুক অনবরত 

শিলা বৃষ্টির মতো

বৃষ্টি হয়ে ;


পৃষ্ঠা গুলো ভিজে গিয়ে কবিতার জন্ম হোক -জন্ম হোক নতুন গল্পের।