আঁধার নীরবতা
কেমন করে সইবো সখি,
কেমন করে বল...?
অবাক হয়ে চেয়ে দেখি,
বৃষ্টি চোখের জল...!
হৃদয় আমার কাঁদে সখি,
প্রাণটা আমার পুড়ে...!
কষ্ট নামের মেঘ জমেছে,
আমার আকাশ জুড়ে...!
চোখের জলে ভিজিয়ে সখি,
পদ্ম ফুলের পাতা...!
মন আকাশে মেঘ জমেছে,
আঁধার নীরবতা !
মোবাইলে টাইম পাশ, সম্বৃদ্ধ উল্লাস সাহিত্য হাসি ঠাট্টা খুনসুটি বিন্দাস পড়তে হবে নইলে মিস করতেই হবে। মোবাইল +91 9531601335 (হোয়াটসঅ্যাপ) email : d.sarkar.wt@gmail.com
আঁধার নীরবতা
কেমন করে সইবো সখি,
কেমন করে বল...?
অবাক হয়ে চেয়ে দেখি,
বৃষ্টি চোখের জল...!
হৃদয় আমার কাঁদে সখি,
প্রাণটা আমার পুড়ে...!
কষ্ট নামের মেঘ জমেছে,
আমার আকাশ জুড়ে...!
চোখের জলে ভিজিয়ে সখি,
পদ্ম ফুলের পাতা...!
মন আকাশে মেঘ জমেছে,
আঁধার নীরবতা !
ভালোবাসার জয়
কোনো একদিন তোমাকে নিয়ে আমি নিরুদ্দেশের পথে হাঁটবো।
পরিচিত লোকালয় বাস,ট্রেনে পার হবো।
বিরান কোনো ভূমিতে আমরা দুজন নেমে যাব।
যেখানে সবে নবান্নের উৎসব শুরু হয়েছে।
বাড়ির বেটা ছেলেরা মাঠে,আর মেয়েরা উঠোনে কাজ করছে।
আমরা দুজন হলুদ ধানে পা ভিজিয়ে বাড়ীর উঠোনে পা রাখবো।
মেয়েরা আমাদের চোখে তাকাবে।
ওরা বুঝবে, আমরা ভালোবাসার মানুষ।
ওরা বুঝবে, আমরা দুজন প্রেমিক নারী পুরুষ।
দুটো পিঁড়ি এনে ওরা আমাদের বসতে দেবে।
নতুন ধানের ফিন্নি,পায়েস এনে আমাদের খেতে দেবে।
আমরা ওদের ভালোবাসার দুটো সবুজ পাতা সহ গোলাপ উপহার দেব।
অতঃপর দুজন হাত ধরাধরি করে এগিয়ে যাব অজানা পথে।
ছোট নদীর গায়ে পা দিতেই কোথা থেকে ছোট মাছ এসে, ছোট্ট লেজ নাড়তে নাড়তে আমাদের চেনা পথ চেনাবে।
নদী পার হলে একটি ছোট কু্ঁড়েঘর।
বয়সের ভারে নুজ্য হয়ে যাওয়া নারী আমাদের হাতের ইশারায় ডাকবে।
বলবে আমি তো তোমাদের অপেক্ষায় ছিলাম।
এত দেড়ি কেন করলে তোমরা আসতে!
গরম ভাপ ওঠা ভাতের সাথে ভাজা ইলিশ খেয়ে আমরা বসলাম পুকুর ধারে।
তুমি ছিপ নিয়ে বসতেই,আমি কেমন অস্থির হয়ে উঠলাম।
তুমি আমাকে বোঝো সব সময়।
সব ফেলে আমার হাতে হাত রাখলে।
আমরা কেমন করে দুজনের চোখে হারিয়ে গেলাম!
দুজনের ভালোবাসায় হেসে উঠলো ছোট হলুদ ফুল,নেতিয়ে পড়া বুনো ঘাস।
ওরা সতেজতা ছড়িয়ে দিল আমাদের চারপাশে।
আমরা অতৃপ্ত আত্মা বসত গড়লাম প্রকৃতির মাঝে।
কেউ জানলো না,পৃথিবীর মেরে ফেলা আমরা দুজন মানব পৃথিবীর বুকেই আজ পরিতৃপ্ত আত্মা।
ভালোবাসার জয় তো এমন করেও হয় বলো!
( ঢাকা থেকে যশোর যাওয়ার পথে চলতি ট্রেনে লেখা )
প্রিয় আপনি
ভালো আছেন নিশ্চয়ই। কি করা হয় আপনার আজকাল! আমাকে ভাবার অবসর হয় কি?
আমি যেভাবে আপনাকে দেখবো বলে চাতক পাখির মতো প্রহর গুণি আপনিও কি তাই? রাতের উজ্জ্বল চাঁদ টা দেখে খোলা আকাশের নিচে শীতল পাটির ছোঁয়ায় আপনার সাথে গল্প মাখতে ইচ্ছে হয়। আপনিও কি তাই ভাবেন?
নাকি আপনার রাত কেটে যায় ভুল প্রেমিকার সাথে ফোনালাপে! নাকি আপনি বেঁচে থাকেন কোনো পবিত্র চোখের ভালোবাসার মাঝে ভুল মানুষ হিসেবে! আপনি কোথায় থাকেন জানি না তবে আপনি সবসময় আমার প্রার্থনায় থাকেন।
বারবার ভুল প্রেমিকার প্রেমে পরাজিত হয়ে চোখে জল আসা মানুষ টা আমার হোক। শুদ্ধতম ভালোবাসা কে অবহেলায় পায়ে ঠেলে যে পুরুষ সে আমার "আপনি" না হোক।।
একদিন হুট খোলা রিক্সায় ঘন্টার পর ঘন্টা শহরের অলিগলি ঘুরবো।
বাদাম ভাজা, ভেলপুরি থেকে ফুচকা বিলাসে ভালোবাসা উড়াবো। একদিন আপনার সমস্ত ক্লান্তি শুষে নেব বৈশাখী স্পর্শে।
সেদিন টা খুব বেশি দূরে নয় প্রিয়।
অপেক্ষায় থাকবেন, আমি অপেক্ষাতে পথ চলি।
দীর্ঘসময় পর হয়তো আমরা কাছাকাছি থাকার জন্য আর কোনো কারণ খুঁজে পাব না।
তবুও আমরা কেউ কাউকে ছেড়ে যেতে পারব না।
দায়বদ্ধতার অভ্যাসে নয়; কেবল মাত্র ভালোবাসার স্বভাবে।
কাছাকাছি থাকলে শূণ্যতা আপনাকে ছুঁবে না জানি কিন্তু যদি না থাকি সেই শূণ্যতা টুকু সহ্য করার শক্তি আপনার কখনোই না হোক।
ভালোবাসি নাই বা বললেন।আমাকে ছাড়া থাকতে পারবেন না কেবল এই স্বভাবে নাহয় একজন্ম পাশেই থাকলেন।।
বাঁধাশব্দ
আলো আঁধারে এমন
আমি গল্প লেখার ভূত
তাই, শব্দ দিয়েই গড়ছি এখন
ঈশ্বরেরই দূত
আমি পাগল হয়ে পৃথিবী ঘোরাই,
রাজা সাজি নিজে
আমি উৎসবের বাজি পোড়াই
চোখের জলে ভিজে !
তাহাজ্জুদে বসেছি আজ প্রভুর দরবারে
তাহাজ্জুদে বলেছি আজ প্রভুর দরবারে,
শান্তি তুমি কবে দেবে বলো আমারে?
দুখে ভরা আমার জীবন সইতে পারিনা,
বিনাদোষে অপরাধী মানতে পারছি না;
চোখের জলে নালিশ দিলাম আজকে তোমারে!
তাহাজ্জুদে বলেছি আজ প্রভুর দরবারে।।
মেনে চলি তোমার ভয়ে তোমারি বিধান,
সময় কাটাই তোমার ধ্যানে পড়ি পাক কোরান ;
শয়তানেরি পাঁকে পড়ে জ্বলছি আমি হায়,
প্রভু তুমি বলে দাও আজ বাঁচার কী উপায়?
কেনো বলো দিলে আমায় পাপের সংসারে?
তাহাজ্জুদে বলেছি আজ প্রভুর দরবারে!
শান্তি তুমি কবে দেবে বলো আমারে?
রচনাকাল:-৩১/০৯/২০২১ ভোর ৫ টা।
স্মারক স্তম্ভ
দিশাহীন প্রান্তে নতমস্তকে দাঁড়িয়ে গুনছে প্রহর
আর্তনাদ এখন উলঙ্গ শিশুর নিত্য কথা
আলোর নিচে তাবু গেড়েছে অন্ধকার
প্রতিবেশীর লাশে ভরাট হয় কবর ধ্বংসের উল্লাসে রসদ জোগায় উলঙ্গ ভারতবর্ষ
ঊর্ধ্ব বাহু নিয়ে ভিজতে থাকে বিরামহীন জীবন
ফিবছর স্বাধীনতা এলে জনগণ নতমস্তকে স্মরণ করে বীরগাথা
বীরেরা আলোর নিচে শোনায় আর্তনাদের কাহিনী
বিকৃত ইতিহাস ডানা মেলে ওড়ে
সংবিধানের জলসায় তারস্বরে ধর্মসংগীত বাজে
আমরা নেচে উঠি
স্মারক স্তম্ভের মাথায় শকুনেরা সভা করে
রোজনামচা
সাদা উর্দি পরা সুসজ্জিত গার্ড
মালদার স্টেশনের একবগ্গা রেলঘাটির উঁচু জানলা থেকে
মুখ বাড়িয়ে আছেন।
স্টেশনে ট্রেন ঢোকার মুহূর্তে সুনিশ্চয়তায় সবুজ নিশানায়
ট্রেনকে জানান উষ্ণ অভ্যর্থনা।
সারাদিন কত শত ট্রেন আসে এই নিরপরাধ স্টেশনে,
আর তত বারই তিনি কর্তব্য সামলে তাকিয়ে দেখে
জীবনের কতরকম সাজ পোশাক।
শিশুর দুরন্ত হাত ধরে সামলাচ্ছেন মা
মোবাইলে সশব্দে কথা বলছে এক বাঙালি,
জানলার পাশে বসে দাঁতে ঠোঁট কাটাচ্ছেন অন্যমনস্ক তরুণী।
একটা চৌদ্দ কি পনেরো বছর বয়সের লিকলিকে ছেলে
হাঁকিয়ে বেড়াচ্ছে জানালায় জানালায়,
আর তার নিশ্বাসে ভেসে চলা রক্ত এক ডালি বাদামের সাথে মিলেমিশে একাকার হয়ে ঠোঙায় ঠোঙায় হচ্ছে
কারো কারো আঙুলের ডগায় ভালোবাসার শব্দ।
একটা বৃদ্ধ আর জবুথবু লোক এঁই ডিম,এঁই ডিম বলে
হেঁকে বেড়াচ্ছে।
তখন ডিম কেনার আর সময় নেই কারোরই
ট্রেন চলে ধীর থেকে দ্রুত গতিতে----
স্টেশনের পাশেই তাঁর দু'কামরায় কোয়ার্টারে,
কাজ সেরে বাড়ি ফেরেন তিনি,
উঠোনে টাঙানো ছেঁড়া-ফাটা জামা-কাপড়;
রান্নাঘরে এক মুঠো চাল নিয়ে রান্নায় ব্যস্ত তাঁর রোগা গৃহিনী।
রাতের খাবার খেয়ে ছেঁড়া কাপড়ের পুরনো কাঁথা বিছানো বিছানায় দুজনে শুয়ে কাটিয়ে দেন সারাটা রাত
সূর্য এসে ডেকে তোলে ভোরে,
এসে যায় অন্য এক রোজের সকাল।।
হায়রে মানুষ
একটু ছিল বয়েস যখন ছোট্ট ছিলাম আমি
আমার কাছে খেলাই ছিল কাজের চেয়ে দামি।
উঠোন জুড়ে ফুল ফুটেছে আকাশ ভরা তারা
তারার দেশে উড়তো আমার পরাণ আত্মহারা।
জোছনা রাতে বুড়িগঙ্গা তুলতো যখন ঢেউ
আমার পিঠে পরীর ডানা পরিয়ে দিতো কেউ।
দেহ থাকতো এই শহরে উড়াল দিতো মন
মেঘের ছিটার ঝিলিক পেয়ে হাসতো দু’নয়ন।
তারায় তারায় হাঁটতো আমার ব্যাকুল দু’টি পা
নীল চাঁদোয়ার দেশে হঠাৎ রাত ফুরাতো না।
খেলার সাথী ছিল তখন প্রজাপতির ঝাঁক
বনভাদালির গন্ধে কত কুটকুটোতো নাক;
কেওড়া ফুলের ঝোল খেয়ে যে কোল ছেড়েছে মা’র
তার কি থাকে ঘরবাড়ি না তার থাকে সংসার ?
তারপরে যে কী হলো, এক দৈত্য এসে কবে
পাখনা দুটো ভেঙে বলে মানুষ হতে হবে।
মানুষ হওয়ার জন্য কত পার হয়েছি সিঁড়ি
গাধার মত বই গিলেছি স্বাদ যে কি বিচ্ছিরি।
জ্ঞানের গেলাস পান করে আজ চুল হয়েছে শণ
কেশের বাহার বিরল হয়ে উজাড় হলো বন।
মানুষ মানুষ করে যারা মানুষ তারা কে ?
অফিস বাড়ির মধ্যে রোবোট কলম ধরেছে।
নরম গদি কোশন আসন চশমা পরা চোখ
লোক ঠকানো হিসেব লেখে, কম্প্যুটারে শ্লোক।
বাংলাদেশের কপাল পোড়ে ঘূর্ণিঝড়ে চর
মানুষ গড়ার শাসন দেখে বুক কাঁপে থরথর।
‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস’- গান শোননি ভাই ?
মানুষ হবার ইচ্ছে আমার এক্কেবারে নাই।
কবির বারান্দা
মুক ও বধির হয়ে থাকি...
যেমন ওই গাছ, ওই শীতল প্রাচীর,
ঠাণ্ডা জলের মতন অতল ছুঁয়ে আছি
আর কী নেবে
খুব শান্ত ও ধীর আমাদের চাষাবাদ
খাদানের ভেতর নেমে আসি
ওই আমাদের শস্যবীজ
ওই আমাদের অনন্ত কাঁচা মাটির গন্ধ
ওই আমার শস্যদেবী পাথর হয়ে গিয়েছে
এখন মাঠের মধ্যিখানে খেলা করছে সার্কাস বালক
রিং নিয়ে, ঘোড়া নিয়ে, প্রাচীণ দড়ির ওপর
আর কুচকুচে কালো বুক ফুলে আছে
হাসি লেগে আছে ঠোঁটের সমস্তটায়
এতটাই চঞ্চল সে, পৃথিবীটিকে হাতের ওপর নিয়ে
ঘুমন্ত মানুষের মতো ক'য়েকবার ঘুরিয়ে দিল
এইসব তোমার গোচরে আসে না
তবলার স্থির তালের ভেতর
আস্তে-আস্তে চাঁদের দু'পিঠ পরিক্রমণ করলে এক্ষুণি
এতটা-ই আস্তে, যেন মাথা থেকে পা-বেয়ে
একটি-একটি করে সরীসৃপ যাতায়াত করল
এবং তুমি কিছুই টের পেলে না মুহূর্তের জন্যেও
মুক ও বধির এই বিদ্যানিকেতনে
কেন যে কোনও ব্ল্যাকবোর্ড নেই, নৌকো নেই…
শুধু একটি ব্ল্যাকহোল, যে-যেমন আসে
আর তেমনি চলে যায়
কবিতার মুক্তির পথের দিকে
কবির তর্জনী নির্দেশ করা...
এইভাবে কবির কলঙ্ক জমা হয়
আত্মা ও পরমাত্মার মাঝের বারান্দায়
কবির সার্কাস বালক ঘুমকে সিলিংয়ে টাঙিয়ে
ট্রেনের হুইশেল আর দেয়াল ঘড়ির শব্দ গুনছে
রাত্রি পৌঁনে চারটেয়...
তুই নেই বলে
তুই নেই বলে
অসময়ে বৃষ্টি এলে আজ ভিজতে যায় চলে
তুই নেই বলে
পুরোনো কিছু স্মৃতি আর তোর মুখখানা আজও আমায় সমানভাবে করে বিচলিত
তুই নেই বলে
এখন কেউ মায়া দেখাতে এলে আমি অনেকটাই থাকি অাড়ালে
তুই নেই বলে
বসন্ত এসেও বসন্ত মুখ ফিরিয়ে গেলো
তুই নেই বলে
কবিতার ছন্দগুলোও আজ বেশ এলোমেলো
তুই নেই বলে
কেউ আর শাসন করে না, বকে না আমায় হাসি ঠাট্টার ছলে
তুই নেই বলে
জানিস আজকাল কথা বলতে খুব জড়তা হয়
তুই নেই বলে
বালিশটা এখন রোজই ভিজে
চোখের কিছু জলে
তুই নেই বলে
সুখ পাখি এসে দূরে গেল চলে
তুই নেই বলে
শ্রাবণ ধারার মেঘে,আবেগেরা আছে মুখ ঢেকে
তুই নেই বলে
এ শহর আজ চলে মিথ্যে কাব্যের ছলে।
যদি এমন হয়
ধরুন কোনো এক ভোরে ঘুম ভাঙতেই জানলেন আমি নেই!
তারপর? আমি হীনা সকাল গুলো কেমন কাটবে আপনার?
কোনো এক মধ্যদুপুরে হঠাৎ আমার কথা মনে পড়ল ভীষণ
কিন্তু তপ্ত দহনে পুড়াবার জন্য আমাকে আর খুঁজে পেলেন না ; আমি নেই আর, কেমন লাগবে তখন?
কোনো এক বরষায় হঠাৎ যদি আমার সাথে গল্প মাখতে ইচ্ছে হয়। আমি তখন ইহলোকের গল্পের উর্ধ্বে হারিয়ে গিয়েছি ; কি করবেন তখন?
কোনো এক গোধূলি বেলায় আমাকে নিয়ে হারিয়ে যাওয়ার কথা দেয়া ছিল হয়তো তবে নির্দিষ্ট সেই গোধূলি আলো আসবার আগেই আমি সন্ধ্যার ঠিকানায় নাম লিখালাম।
আমার সাথে হারিয়ে যাওয়া হলো না আর।
আমার অপেক্ষায় সময় কাটাবেন তখন? নাকি অন্য কোনো স্পর্শ আপনাকে আমার স্মৃতি টুকু থেকে ও নিয়ে যাবে দূরত্বে!
আসবেন বলে বলে কাছে আসার তারিখ টা কেবল পিছিয়ে দিলেন অথচ ভুলে গেলেন মৃত্যু অপেক্ষার ধার ধারে না। আপনার অবহেলা, অপেক্ষা টুকু উপেক্ষায় ফেলে যদি মৃত্যু নামক অতিথি আমাকে ডেকে নিয়ে যায়!!
জানেন তো আপনাকে মনে পড়লেই আমি আজকাল আকাশ দেখি। আপনাকে বলতে না পারা কথা গুলো, আক্ষেপ, অভিযোগের কাব্য গুলো কেবল মেঘেদের ঠিকানায় উড়িয়ে দেই।
মন খারাপ হলেই শূণ্যতা দেখি। আমার আর তখন নিজেকে শূন্য মনে হয় না। বিশালতার আকাশের মাঝে ক্ষুদ্র আমি টা পরিপূর্ণ।
The sky cannot be seen from the Grave..
The Sky cannot be seen From the grave..
সেমন্ত, আপনি আমার আকাশ হবেন? যে আকাশ টা বুকে পুষে অতল অন্ধকারে হারিয়ে গেলেও আকাশ দেখতে না পারার দুঃখবোধ আমায় আর পোড়াবে না।
দগ্ধ দীর্ঘশ্বাসঃ
দীর্ঘশ্বাসের অতি দীর্ঘ দগ্ধ গুলো,
যতই কাছে যাই,ততই দূরে পাই,
দিকে দিকে শুধু ভরা হাহাকার ,
নাই শুধু নাই ।
চৈত্রের দ্বাহে পোড়া শুস্ক কানণে,
বিরস কন্ঠে শুধু পাখির ডাকের আর্তনাদ ।
তৃষিত বুক ফাটা পিপাসায় চেয়ে থাকা,
অগ্নি আকাশের পানে আর পানে ।।।
অসুস্থ্য পৃথিবী
মাটির নীচেজল কমছে
ডাঙায় জলোচ্ছৃস
আর কটাদিন পরে মানুষ
চাঁদে করবে বাস।
বারে বারে নিম্মচাপ
প্রকৃতির কি খেলা
হরকা বানে ঘরবাড়ি ভাসে
গাঙে যেন ভেলা।
মেঘ ভাঙা বৃষ্টি কোথাও
যেখানে সেখানে ধস্
কোথাও আবার দাবানল
মাটিতে নেই রস।
হিমালয় পড়ছে গলে
সূর্যের বেড়েছে তাপ
সমূদ্র থেকে উঠেআসে
গভীর নিম্মচাপ।
গাছ গাছালী হচ্ছে কাটা
বাড়ছে গাড়ী বাড়ি
পৃথিবীর ভারসাম্য এবার
দেবে আকাশ পাড়ি।।