মোবাইলে টাইম পাশ, সম্বৃদ্ধ উল্লাস সাহিত্য হাসি ঠাট্টা খুনসুটি বিন্দাস পড়তে হবে নইলে মিস করতেই হবে। মোবাইল +91 9531601335 (হোয়াটসঅ্যাপ) email : d.sarkar.wt@gmail.com
১৩ মার্চ ২০২১
স্বপন কুমার ধর
অন্বেষণে
কাকে যে খুঁজছিলাম,কাকে যে খুঁজছি,
দুপুর থেকে বিকেলের,হলুদ রোদ্দুরে চলেছি,
কখনো আবার আষাঢ়-শ্রাবণের গহন কালো মেঘের মধ্যে,
অবিরত দিন-রাত, বিকেল থেকে সন্ধ্যে,
হয়েছে অরন্যের ছায়া, দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর,
পূর্ণিমার আলোকে উদ্ভাসিত মন,হয় উজ্জ্বলতর,
রোদ-ছায়া-বৃষ্টির আলো আঁধারে,
অনবরত প্রশ্নের আনাগোনা চলে, মনের গভীরে।
হয়তো বা পেয়েছি, কিংবা পাইনি,
বুঝেছি কি বুঝিনি, অনুভব ও করিনি,
কামনা-বাসনার অদৃশ্য,অতৃপ্ত চাহনি,
অচেনা, অজানায় হয়তো সায় ও দিইনি,
গুমোট ঘরে বদ্ধ যেমন, বেঁচে থাকার বাসনা,
ফুলের গন্ধের দৈহিক রুপ ও জাগায় যাতনা,
অন্বেষণে অন্বেষণে চলমান রয়েছি,
কাকে যে খুঁজছিলাম,কাকে যে খুঁজছি।
ওয়াহিদা খাতুন
ধানক্ষেত
আঁকাবাঁকা তরঙ্গে বাতাসে তোলে দোল,
সবুজ বনটিয়া হয়ে মিলেছে পাখা ;
তশরি-পরশ নিতে ডাকে কচি কোল;
হিমেলী বায়ুতে মুদিত সবুজ শাখা ;
অপ্সরীর প্রাঙ্গণ জুড়ে সূর্য-কিরণ--
তার আলোর বিটপীতে শিশির-ঘ্রাণ ;
সবুজের আঁচলে দক্ষিণা সমিরণ--
ধানক্ষেত জুড়ে কচি শিসের রৌদ্রস্নান !
মেরুকন্যা হয়ে কুয়াশার শাড়ি পরে
গায় ফসলের গান;বসে আনমনে--
বুকে খেলে কচি শিশু দেখে মন ভরে--
শতাব্দী-শান্তনা শুনি এ সবুজ রণে--
দোদুল্যমান ধানশিসের স্নিগ্ধ বায়ু--!
মুগ্ধতায় ভরিয়ে দিলো প্রতিটি স্নায়ু--!!
১২ মার্চ ২০২১
আবীর চ্যাটার্জী
কেমন আছো
কেমন আছো? ভালোই আছি
বলছি বটে সত্যি টা কি?
কেমন আছো ভালোই আছি
খেয়ে পরে বেঁচে আছি
ফেলে এসেছি অনেক বছর
সেগুলোর নেই এখন কদর.
স্মৃতি গুলো ঘুরে বেড়ায়
বুকের ভেতর কষ্ট বাড়ায়
ভালোই ছিলাম সেসব দিনে
এখন চলি গুনে গুনে.
বারণ ছিলো শাসন ছিলো
ছোট্ট বেলার দিন গুলিতে
তখন শুধু ভাবতাম মনে
বড় হবো কবে কে জানে.
এখন অনেক বড় হয়েছি
নিজের ভালো নিজেই বুঝি
কেউ করে না শ্বাসন এখন
তবুও খুজি ফেলে আসা দিন.
কেমন আছো ভালোই আছি
অনেক মানুষ হারিয়েছি
আপন অনেক চলে গেছে
তবুও বলি ভালো আছি.
চিঠি লিখতাম পোষ্ট কার্ড এ
প্রণাম করতাম গুরু জনে
পড়ার পরে খেলে বেড়াতাম
কত ছিল বন্ধু সনে.
মাথা নোয়াবার কেউ নেই আজ
বুকটা আছে থাকবে কে
আপন মানুষ হারিয়ে গেছে
এটাই এখন জীবন যে.
তবুও বলি ভালো আছি
দু মুখো এক চাবি নিয়ে
সুধায় যখন কেমন আছো
একটা কথা বলি যে?
ভালোই আছি ভালোই আছি
একটা চাবির দুটো মুখ
বুঁকের চাপা কষ্ট ঢেকে
বলি শুধু হাসি মুখে
ভালোই আছি বেঁচে আছি
সবার সুখে আমার সুখ.
প্রেমাংশু শ্রাবণ
১১ মার্চ ২০২১
স্বপন কুমার ধর
মোদের ভাষা, বাংলা ভাষা
ব্রিটিশ তাড়াতে বাঙালি ঝরিয়েছে,বহু প্রাণ অকাতরে,
শহীদদের রক্ত ব্যর্থ হয়নি, স্বদেশ স্বাধীনতার তরে।
যেখানে যখন অন্যায় হয়েছে, করেছে বাঙালি প্রতিরোধ,
তাই তো ব্রিটিশদের চক্ষুশূল আর ছিল যত আক্রোশ।
বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা করেও, পারেনি ব্রিটিশ তা করতে,
আপামর বাঙালি গর্জে ওঠায়, বাধ্য হয়েছিল পিছু হটতে।
বাঙালির ঐক্য ভাঙ্গতে না পেরে, স্বাধীনতার প্রাক্কালে,
দ্বি-জাতি তত্ত্ব প্রয়োগ করে, আমাদের স্বাধীনতা দিলে।
বিশ্বকবি, বিদ্রোহী কবি, কবিগণ বহুমুখী,
প্রতিভার বিষ্ফোরন ঘটিয়ে চলেছেন, সারা বিশ্বব্যপী।
বঙ্গবন্ধু গড়েছেন যে দেশ, গেয়েছেন ঐক্যের গান,
সারা বিশ্বে আজ ও তার অবদান যে অম্লান।
মোরা যেখানেই থাকি, যে অবস্থাতেই থাকি,বাংলা মোদের ভাষা,
এই ভাষাতেই ঐক্যবদ্ধ মোরা, বাড়ায় মনের আশা।
গর্বের ভাষা, আমাদের ভাষা, রয়েছে নিজস্বতা,
আমরা বাঙালি, বিশ্ববাসী ও তা মানে,
এটাই তো বাঁচার সার্থকতা।
এরশাদ
শূন্য হারানোর খোঁজ
(কোন এক মানবীকে )
আমার একটা "তুমি" ছিলো।
ডায়রীর শূন্য পাতায় রুপোলী জ্যোৎস্না মাখতে মাখতে
তোমার অধর হয়ে উঠতো কাব্যতিথী।
সেই তোমাতেই হয়ে উঠতো আমার কবিতার শরীরের অবয়ব
তোমার মনে আছে?
তোমার আঙুলের খাঁজে শব্দ তুলে রেখেছিলাম পরম যত্নে
বলেছিলাম,সামলে রেখো প্রিয়তমা আমার
আমি যদি হারাই কোনদিন,তবে শব্দগুলোকে বাজিয়ে দেখো
কোথাও না কোথাও আমার শুন্যতা তোমাকে তাড়িয়ে বেড়াবে অবলীলায়!
তোমার চোখের তারায় আমি রেখেছিলাম আমার আকাশ
বলেছিলে,আমার আর অন্ধকার নেই
প্রজ্জ্বলিত আলোর স্বপ্নে বিভোর হয়ে
আমিই জ্বেলেছিলাম সান্ধ্য প্রজ্জ্বলিকা প্রিয় আমার।
তুমি আজ দূরবর্তী মণুমেন্ট যেনো
আমি শুধু কুয়াশার আস্তরনে ধূসর চোখে দেখি তোমার প্রজ্জ্বলিত আভা
আমার একটা "তুমি" ছিলো
আমার একটা "তুমি" ছিলে
সূদুর অতীত থেকে অদৃশ্য ডাক আসে আমার বারবার
আমার এখন "তুমি"নেই
আমার এখন " তুমি"টা
শূন্যতেই।
মাসুদ করিম চৌধুরী
একটি গোলাপ
আমার হাতে হাতটি রেখে দিয়েছিলে
একটি গোলাপ ফুল
সেই হোলাপে সান্তি আমার কেড়ে নিল
হৃদয় আজ হয়েছে ব্যাকুল,
গোলাপ পাপড়ি আজো আছে সেই
স্মৃতির পরশ মাখা
হৃদয় মাঝে আছে কেবল ব্যাথার
পরশ গাঁথা।
ডায়রির পাতায় পাতায় আজো সে গোলাপ পাপড়ি সুভাস যে ছড়ায়
নয়ন জুগল জলে ভরে অন্তর কাঁদে
ভালোবাসার ঘায়,
গোলাপ পাপড়ি হাতে নিয়ে নয়ন মেলে দেখি
মনে হলো কেবলি দিলে হাতটি আমার ধরি
কাঁটা বিধলো হাতের মাঝে রক্ত ঝরে তাই
চার পাশটি নিরব অতি পাশে তুমি নাই।
কবিতা হালদার
ভালোবাসা
এমনও দিনে যারে বলা যায় সে কথাটি
না-বলা ভাষায়,
"ভালোবাসি"
দেখি আঁখিকোণে আছে লেখা;
সযত্নে ফুল হয়ে ফুটে ওঠে
গোলাপের বাগিচায়;
অনন্ত কাল ধরে বয়ে যাবে
শ্রোতশ্রিণি নদী হয়ে
মায়ের মমতা অঞ্জলি
"ভালোবাসা"- আছে, মাখা।
আজ নয়নের কোণে থাক লেখা,অন্তর হতে সে ডাক ফুলের মালায় কবরীতে থাকুক গাঁথা।।
হাবিবুর রহমান হাবিব
মানুষের এক একটি জীবন যেন এক একটি রঙ্গমঞ্চ
একই মানুষের কত রূপ! দুনিয়াটা যেন একটা রঙ্গমঞ্চ বা নাট্যশালা। একই মানুষ কত রূপে কত চরিত্রে চরিত্রায়িত হ'চ্ছে। কোন পুরুষ কখনও বা সে বাবা, কারো সন্তান, আবার কখনও বা চাচা, খালু, ফুফা, মামা, নানা, দাদা, শ্যালক, কর্মকর্তা বা কর্মচারী, চাকুরে বা ব্যবসায়ী কিংবা অন্য কিছু।
একইভাবে মেয়েদের ক্ষেত্রেও ঘর সামলানো ছাড়াও উপরোক্ত মোটামোটি একই ধরনের দায়িত্ব বা কর্তব্যের পাশাপাশি হয়তবা আরও কিছু অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন ক'রতে হয়।
তাই পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে প্রত্যেকটি মানুষকে সাংসারিক কাজকর্ম, সামাজিকতা রক্ষা, চতুরতার সাথে চাকুরী কিংবা ব্যবসাহিক কর্মকান্ড পরিচালনা এবং তত্তাবধানসহ নানাবিধ দায়িত্ব/কর্তব্য পালন ক'রতে যেয়ে সব সময় সমাজের বিভিন্ন চরিত্রের মানুষের সাথে মিশতে হয় বা সংস্পর্শে আসতে যেয়ে প্রতিনিয়ত জীবন-নাটকের রঙ্গমঞ্চ বা নাট্যশালায় অভিনয় ক'রতে হয়।
জীবনের প্রতিদিনের কর্মকান্ডই যেন নাটকের এক একটি 'উপাদান বা গল্প' আর আমরা প্রতিটি মানুষই যেন সে নাটকটির এক একজন মহানায়ক।
তাই গল্প, নাটক, যাত্রা কিংবা সিনেমার মত অন্য যে কোন মাধ্যমে সমাজের যে কোন একজন সাধারণ মানুষকে অভিনয় করার সুযোগের পাশাপাশি প্রশিক্ষণ দিলে তার মান হবে;
-হয় কুঁড়ি-উনিশ কিংবা কুঁড়ি-আঠারো বা তার সামান্য কিছু কম হ'লেও সে বেশ মোটামোটি গড় মানের একটা অভিনয় উপহার দিতে সক্ষম হবে ব'লে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস ক'রি।








