১৯ ডিসেম্বর ২০২০

মামুন সুলতান



সশস্ত্র সালাম



রাতে যেখানে ঘুমাই নিরাপদ নিদ্রায় শুয়ে থাকি

কারো হানায় ভাঙে না তন্দ্রাচ্ছন্ন কাঁচাঘুম 

হানাদার হায়েনার বুটের তলায় পিষ্ট হয় না-

নির্মিত স্বপ্নের শত বছরের সুখ।


রক্তিম নদী পেরিয়ে আমরা বিজয় পেয়েছি 

নির্ঘুম রাতের ভয় এখন পুষ্পিত মহাকানন

স্বতন্ত্র পতাকা নিয়ে দুনিয়া মাতিয়ে চলি

আমাদের পরিচয় দুর্বিনীত দুনিয়ায় ওড়ে।


আমাদের রক্তরঙ শিল্পমানে সুউচ্চ চূঁড়ায়

এই রক্তে এঁকে চলি আমাদের বিজয়স্তম্ভ

সশস্ত্র সালাম দিই বিজয়ীবীরের আত্মায়

আনন্দ নদীর বুকে আমরা ভাসি মহাহিল্লোলে।

মধুমিতা রায় এর অনুগল্প


বিশ্বাস...


রবীন পৌনে ছটার বনগাঁ লোকাল ধরে তারপর সারাদিন ব্যাগ কাঁধে এ ট্রেন ও ট্রেন।বিক্রি মন্দ হয় না। তিনজনের সংসার মোটামুটি চলে যায়।ক্লান্ত পায়ে যখন সে ট্রেন থেকে নামে তখন রাত প্রায় বারোটা।সারাদিন চেচিঁয়ে তখন আর কথা বলার শক্তি থাকে না।


গত ছমাস ধরেই প্ল্যাটফর্মের শেডের নীচে মেয়েটাকে দেখছে সে।চুপচাপ বসে থাকে, এলোমেলো চুল,বয়স তিরিশ বত্রিশ হবে,শাড়িটার রঙ সম্ভবত নীল ছিল।

অত ভোরে মেয়েটিকে ওভাবে বসে থাকতে দেখে প্রথমে অবাক হয়েছিল পরে বুঝেছে মেয়েটি স্বাভাবিক নয়।চায়ের দোকানের মলয় বলছিল পাগলীটা কারও জন্য অপেক্ষা করে, কেউ নাকি বলেছিল ফিরবে। 


কয়েকদিন হল রাতেও মেয়েটিকে দেখছে রবীন। রাত বাড়লে প্ল্যাটফর্ম ফাঁকা হতে থাকে। মদ জুয়ার ঠেক বসে এদিক ওদিক।মেয়েটির জন্য খুব চিন্তা হচ্ছে কদিন ধরেই।পাথরের মত একটা মেয়ে, শূণ্য দৃষ্টি.... কেন যে!


আজও ট্রেন থেকে নামতেই মেয়েটাকে দেখল। তেমনি বসে আছে।শীতের রাত। হাতে গোনা কটা লোক প্ল্যাটফর্মে।


রবীন মেয়েটার সামনে গিয়ে দাঁড়ালো। আস্তে করে বলল..... তুমি বাড়ি যাও।অনেক রাত হয়েছে,বাড়ি চলে যাও।


...... তাহলে যে ও মরে যাবে!

অবাক হয়ে রবীন বলল.... কে?

মেয়েটি চোখ তুলে তাকালো তারপর দূরাগত মন্ত্রধ্বনির মত মৃদু অথচ স্পষ্ট স্বরে বলল.....বিশ্বাস।



আরজু মুক্তা



ভালো আছি


ভালো আছি বলি

কিন্তু ভালো নেই।

ভিতরে হতাশার জং লেগেছে

তাজা দীর্ঘশ্বাস,

ভালোবাসা বিলীন হয়ে

এখন কুয়াশা।


চোখে উদ্বেগের কালি

সারা দেহে ধূলির ঝড়,

হৃদয়ে গোলযোগ।

কোলাহল আর মিছিল

বিক্ষুব্ধ শ্লোগান,  হরতাল।


ব্যস্ত পথচারী থমকে আছে

অনাহারপীড়িত এক দুর্ভিক্ষের

মুখ আমি!

ভিতরে উন্মাদনা, অস্থিরতা


ভালো আছি বলি

কিন্তু ভালো নেই।

শামীমা আহমেদ



দ্বৈরথ



দুটি ভিন্ন সত্ত্বার অনুভুতি,অনুরণন, অনুভব,

অনুক্ষণ আমায় ঘিরে--- 

বারবার সামনে এসে দাঁড়ায়!

আহবানে অনুরাগে আবেগে অনুরোধে---

 

টেনে নেয় আমায় দু'প্রান্তের সীমানায়।

দুটি হৃদয়ের কথকতা আনে অস্থিরতা মননে।

আবেশের যাত্রী হয়ে হেঁটে চলি দুটি ভিন্ন বন্দরে।


বসি কিছুক্ষন নদী তটে---

এক জলধি নীরবতায় ডুবায় আমায়

অস্ফুট স্বরে বলে যায়

 কি যেন কি হারিয়ে! 

রক্তিম আভায় অস্তরাগের ক্ষণে।

বুঝে যাই, না পাওয়ার বেদনায়----

অবহেলার অনুশোচনা

আজ বোবা কান্না হয়ে 

ভাসায় তোমায় দূর সুদুরে-----

আবার,

মনের আর্শিতে ভেসে উঠে যার মুখচ্ছবি

নয়নের ভাষায় এক গভীর চাহনী

যার চঞ্চলতা আনে

প্রজাপতির রঙিন পাখা।

মুগ্ধতা ছুঁয়ে যায় আমায় ঘিরে--

যে দেখায় অলীক স্বপ্ন!

আবার প্রাপ্তির আনন্দে করে দিশেহারা।


নিজের ভেতরে চলে হৃদয়ের দ্বন্দ্ব।

শূন্যতায় খুঁজে ফিরি পূর্ণতা।

দোলাচলে মন।

নিঃসীমে উড়ে  ভাবনার মেঘ।

অজানা গন্তব্যে পথ চলা।

কোন ডাকে সাড়া দেবে মন?

সে প্রশ্নের উত্তর খোঁজে মন প্রতিক্ষণ।

রেবেকা সুলতানা রেবা




অজানা সুখ


   

মানুষ মানুষের তরে হারিয়েছে মানবতা

পোড়া মন আর কতো সইবে অসহ্য যন্ত্রণা 

স্তব্ধ হয়ে যাচ্ছে প্রতিটি শিরা উপশিরা

চার পাশের আপন হয়ে যাচ্ছে পর তারা

একটু একটু করে হচ্ছে সব অচেনা,

দিন দিন বাড়ছে দূরত্ব,কষ্ট, দুঃখবোধ

একটু একটু বন্ধি হচ্ছি হতাশার বেড়াজালে

মুক্তি পেতে চাই আমি খোলা আকাশে

চলে যেতে চাই আমি দূর বহুদূর

দগ্ধ হতে চাইনা আমি সর্বগ্রাসী দাবানলে

নিতে চাই প্রান ভরে স্বস্তির নিঃশ্বাস 

প্রেম /ভালোবাসা আন্তরিকতা নেই আমার বিশ্বাস।

আমি যেতে চাই অজানা অচিনপুর

যেখানে থাকবেনা কোন কোলাহল

কারো জন্য জ্বলবে না আর  এ পোড়ামন

হৃদয়ের গহীনে বইবেনা  আর রক্তক্ষরন,

থাকবেনা কোন অবহেলার বিন্দু  বিশেষ 

কাঁদাবে না আর ব্যাথার পাহাড়,

আমায় মুখরিত করবে এক অজানা সুখ।

১৮ ডিসেম্বর ২০২০

সানি সরকার




হরিণপালিকা 


এই জন্মের কাছে কোনও ঋণ নেই


শুধু তোর চুম্বন ছাড়া


ওই ওষ্ঠের জন্যে এই যাপন 

ওই শিমুলতুলোর জন্যে অমরত্ব  



তোর কোলের ওপর হরিণের মতো মাথা রেখে 

আমি পৃথিবীর সমস্ত সুন্দর এই দেহের ভেতর নিয়ে নেব 

ও-আমার হরিণ পালিকা...



দিবি না?

পিয়াল রায়



ভয় 


স্বপ্নে কুকুরের জিভ

চেটে দিলে পায়ে

চমকে উঠি

ঘুম ভেঙে লালাভেজা পা

শুকবো কোথায়? 




সিঁড়ি থেকে 

পড়ে যেতে যেতে ভাবি

মাথা ঠুকে গেলে

মগজের এত এত রস

রাখব কোথায়? 




একবার একটা বুড়ো লোকের

চোখ চুরি করে পালাতে পালাতে

আরেকটু হলেই ঢুকে পড়েছিলাম 

অন্ধ এক প্রেতাত্মার পেটে



হৈ হট্টগোল বড় প্রিয়

সেখান থেকে মুছে গেলে 

মাঝেমাঝে ভাবি

নিজেকে ভেজাব কোথায়? 




আজকাল এমন হয়েছে/

কেবল ভাবতে ভালো লাগে 




জানি না ভাবতে ভুলে গেলে

ভয়গুলো লুকবো কোথায়?

কাকলী দাস ঘোষ মুক্তগদ্য

 


উপলব্ধি 


অনন্ত বিশ্বের পথে তুমি হাঁটতে চাও। দুপাশে কত গাছ-নদী-মাটি-কত রাস্তা-মন্দির-মসজিদ-গির্জা কত কী। তুমি এগিয়ে যাচ্ছ আবার পিছিয়ে আসছ। মাথার ঊপর নীল আকাশ। কত পাখী উড়ছে সেখানে। তুমি কিছু চাও-কিছু একটা। কিন্তু কী সেটা? অর্থ-সম্পদ-ভালবাসা-স্নেহ-মায়া-মমতা-প্রতিপত্তি-নাম-যশ। তুমি ভাবছ হয়তোবা এই সবকিছুই তুমি খুঁজছ। তাই তো এগোতে চাও। কিন্তু হঠাৎ শুনলে তোমার খুব আপন কেউ তোমাকে পিছু ডাকছে। হয়তো বা তোমার মা-বাবা-ভাই-বোন কিম্বা তোমার স্বামী অথবা স্ত্রী কিম্বা সন্তান। না-সে বা তারা তোমার স্বপ্নের পথে বাধা হতে চায়না-তবুও ডাকছে-হয়তো কেউ অসুস্থ কিম্বা তোমাকে বড় প্রয়োজন। তুমি কেঁপে উঠলে। তুমি পিছিয়ে এলে। তুমি তো সব চাও। কিন্তু এগিয়ে যাওয়ার পথেও এত শূণ্যতা কেন-এত দীর্ঘশ্বাস কেন? 


এর উত্তর কী ? আসলে ব্যথা যে সব হৃদয়ে। সব ভুলে অনেকদূর এগোনোর পরে একটা শ্বশান-একটা গোরস্থান-একটা চার্চের পাশে নিস্তব্ধ সমাধিস্থল। তোমার মনে পড়ে গেল-কতদূর যেতে পার তুমি? কতটুকু ক্ষমতা তোমার??? তোমার পায়ে মাড়ানো পিঁপড়ে আর তোমার মধ্যে কতটুকুই বা তফাত! ! ! 


এবার আরও বড় শূণ্যতা। এবার চাই-চাই চারপাশে মানুষ চাই-আরও আরও কাছের মানুষ। চাইছ সবাই তোমাকে ভীষণ ভালবাসুক-সবাই তোমাকে ঘিরে থাকূক। আলো চাও অনেক আলো। কিন্তু পেলে কী ? 


হৃদয়ে হাত রেখে দেখ-মনে হচ্ছে না-কই কোথাও তো কেউ নেই। আসলে তুমি ভীষণ ভীষণ একা হয়ে এগিয়ে চলেছ সেদিকে যেদিকে তোমার একান্ত নিজস্ব নিঃশ্বাসও হয়তো তোমার সঙ্গে ছলনা করবেই॥  



সোহেল রানা

 



কথা রেখেও কেউ কথা রাখল না

               

  


তোমাকে হারাবো বলে তো হাতে হাত রাখিনি।। 

হৃদয়ে স্পন্দন প্রতিটি শ্বাস প্রশ্বাসে শুধু তোমাকেই চায়। 

প্রথম দেখাটা আজও তোমার মনে পড়ে, 

মাথার চুলের উপর যখন আমার পছন্দের মতো, 

খোঁপা পড়ে অজানা পথে পাড়ি দাও! 

তোমার মাঝপিটের নিচে কালো রঙের তিলটা এখনও আছে। 

আমার পছন্দের মতো শাড়িটা পড়ে বঙ্গ রমণী লাগে। 

তোমার শ্যাম্পুমাখা চুলের গন্ধটা আজও মনে পড়ে। 

তোমাকে হারাবো বলে তো হাতে হাত রাখিনি।। 

মেহুল আজও কি আমার কথা মনে পড়ে, 

মনে নাই বা পড়লো আমার তো মনেই আছে। 

মেহুল আমার মতো কি শাহিনের সাথে কথা গুলো শেয়ার করো। 

কথা রেখেও কেউ কথা রাখল না? 

লাল লিপিস্টিকটা কি আজও শুখনো ঠোঁটে লাগাও! 

তোমাকে হারাবো বলে তো হাতে হাত রাখিনি।। 

কথা রেখেও কেউ কথা রাখল না? 


নীলাঞ্জন কুমার


সারবত্তা 



প্রার্থনা করো , 

সব কিছুর সারবত্তা 

ছুঁয়ে যেন খুঁজে পাই 

নিজস্বতা ।


অহং উড়িয়ে শেষ অবধি 

সেই আকাঙ্ক্ষা স্পর্শ 


এই মনে ।




স্তব্ধতা কি টেনে নিয়ে যায় 

সারাৎসারের কাছে !


জানা নেই।

সুশান্ত কুমার পাল




বেড়াজাল 

      

শত শত মিথ্যার বেড়াজালে-

 সত্যের প্রকাশ বড়ই কঠিন,

স্বার্থান্বেষী-ক্ষমতালিপ্সু- মানুষ  সর্বদা-উদগ্রীব,

মিথ্যা রচনায় ভরিয়ে দিতে-

শতাব্দীর পর শতাব্দী,

দশক এর পর দশক, প্রজন্মের পর প্রজন্ম,

 হজম করে ফেলে,

মিথ্যা রচনার রাঙানো ইতিহাস,

তখন সত্য বড় রুগ্ন হয়ে -

চাপা ক্রন্দনে ভরিয়ে দেয় আকাশ বাতাস ।।

-মিথ্যা কথন সত্যকে ভাসিয়ে দেয় অতল সমুদ্রে,

  ----'টেনে তুলবার বারবার চেষ্টা বিফলে যায় -

 মিথ্যা হজমকারী মানুষের 

আন্দোলনে। 

সত্য বারংবার- 

  দীর্ঘশ্বাস ফেলে ডুকরে-

 ডুকরে কেঁদে ওঠে-

হাহাকার করে,

সত্য-- 

 পুনর্বার চাপা পরে যায়-

মিথ্যার বেড়াজালে ।। 

      --------------

নাসরিন পারভীন

 


 করে সহজ কর জীবনকাল


জমে উঠেছে অস্থায়ী প্রলেপে বরফে পথ 

শুভ্র-সাদা সুন্দর অথচ ভুলে ভরা পিচ্ছল 

দুর্গম পথের এ দিকহীন পান্থনিবাস

 আমাকে সচরাচরই করে ঘরছাড়া 

যেই আমি চলতে শুরু করেছি

গন্তব্যে পৌঁছেই বুঝে গিয়েছি

গোড়াতেই ছিলো গলদ আমার।

কষ্টের জলাশয়ে শব্দহীন চিৎকার

আমার ; আমি লক্ষ্য ভ্রষ্ট  নিথর শৈবাল।

মন খারাপের শহরে 

ইবাদতের পবিত্র  সিজদায় 

নতজানু হয়ে চেয়েছি দিকদিশা,

খুলে দিয়ে অাত্মকথনের রোজনামচা  

প্রভু পথ দেখাও আমারে, করি মিনতি। 


মিনতির দরবারে আর্জিটুকুতে

জ্বেলে দিও হেফাজতে আশীর্বাদের বাতি আলোর দিশারী কর এবার,

অন্তঃকরণে কর তোমার তপস্বিনী 

পূন্য দান, তফসিল তাফসিরে 

স্মরণটুকু আমার গ্রহন কর,

গ্রহন কর তসবিহ তাকবীর 

সিজদার করজোড়ে মোনাজাত,

দুই-দুয়ারী মতাদর্শ বেভুল বান্দারে

মমতা রায় চৌধুরী




মা তোমায় বড্ড মনে পড়ছে


মা তোমায় আজ বড্ড মনে পড়ছে।

ভাবছি পাখির মতো উড়ে যাব স্নেহের  স্পর্শ পেতে।

বেশ তো ছিলাম তোমার স্নেহের নীড়খানিতে,

 ঘটা করে বিয়ে দিয়ে পুরলে খাঁচাটিতে।

 ভেবেছিলে বড়লোক বাড়ির বউ হয়েছে,

এমন সৌভাগ্য কজনার আছে?

 কিন্তু মাগো বড় বাড়িতে বড় যন্ত্রণা,

 বিনি পয়সার ঝি খাটছি সর্বদা।

যন্ত্রণার মন বালুচরের ঢেউগুলো,

আছড়ে পড়ে হৃদয়বীণায়।

এই তো সেদিন ভাতের ফ্যান ঝরাতে

গিয়ে হাতটাই গেল পুড়ে।

কেউ তো তোমার মতো আসলো না ছুটে?

বলল ও   না ,তোমার কি হয়েছে?

বলল শুধু, রান্না‌ হতে কেন দেরি হচ্ছে?

পোড়া যন্ত্রণায় ছটফটাচ্ছি স্নেহ স্পর্শ পেতে। 

সারাটা রাত্রি কেটেছে আজ অনিদ্রাতে,

 ছাড়তে হচ্ছে বিছানা অতি প্রত্যুষে।

 তোমাকে তাই বড্ড মনে পড়ছে।

সকালে বিছানা না ছাড়ার কারণে,

পাড়া-প্রতিবেশী আত্মীয় স্বজনে,

হাজারো কথা শুনিয়েছে তোমাকে।

মিষ্টি হেসে শুধু বলতে-' উঠবে সময় হলে'

আজ কে উঠবে আমার  ঢাল হয়ে?

জানো মা , গতরাতে জ্বরেতে গা যাচ্ছিল  পুড়ে,

সেই ঘোরেতে ভুল বকেছি সারাটা রাত ধরে।

তাতেও বকুনি জুটেছে শতগুণ কপালে।

তোমাদের জামাই এসব তোয়াক্কা  না করে,

 সবার কথা ভেবে চলে শুধুই দিনে রাতে।

ভেবে পাইনা আমার মূল্য কতটা তার কাছে?

যন্ত্রণাদগ্ধ হৃদয়ে বড্ড মনে পড়ছে।

সর্বদা মন খারাপে, যন্ত্রনার ব্যথা উপশমে,

 এখন কোথায় পাবো তোমাকে?

মন বালুচরে তাই মিছেই  মরি খুঁজে।

আমার একলা মনের আকাশ জুড়ে  

শুধু তুমি , তুমি ই আছো যে নক্ষত্র রাজি হয়ে।