২২ আগস্ট ২০২১

নীলাচল চট্টরাজ





স্পন্দন



নীল আকাশে মেঘের খেলা
রঙিন হোলো মন
সাগর জলে   নৌকো ভাসে
ঢেউয়ের স্পন্দন
 

শিবনাথ মণ্ডল




বাঁচাও বাঁচাও


গাড়িঘোড়া বাড়ছে 
 বাড়ছে বাড়ি 
কল কারখানা 
আর ধোঁয়ারগাড়ি। 

গাছপালা কাটছে 
পড়ছে চড়া 
পৃথিবীটা একদিন 
হয়েযাবে খড়া। 

তখন বন্ বন্ 
ঘুরবেনা ধরা 
জীব জগৎ তখন 
হয়েযাবে মরা। 

এসো সবাই একসাথে 
শপথ করি 
আমরাই জগৎ সবুজে 
ভরাতে পারি। 

সম্মান রাখবো 
দেশের নারীর 
 মানোবতার বোধ 
যেন রাখতে পারি। 

অপচয় নষ্ট 
করবো না জল 
দ্বায়ীত্ব রাখলে 
পাবো সুফল। 

সকলে গাছ বাঁচাও 
প্রকৃতি বাঁচাও 
পৃথিবীর সন্তান 
জীব বাঁচাও। 

গাছ আমাদের 
বাঁচায় প্রাণ 
গাছ কাটা বন্ধ 
হোক বিধান।

২০ আগস্ট ২০২১

Where can I will publishe my won poetry or writing content .

Where can I will publishe my won poetry or writing content .

আমি কোথায় আমার নিজের লেখা কবিতা ও অন্য কোন লেখা প্রকাশ করতে পারবো ।

আলোদেব্





প্রতিটি লেখক তার লেখা প্রকাশের জন্য এখন আর আগের মতো তাঁকে অপেক্ষা বা সময় অথবা অর্থ ব্যয় করতে হয় না। আগেকার সময় এমন কি বলা যায় ২০১৫ সালেও লেখকদের লেখা পাঠানোর পদ্ধতি ছিল বাই পোস্ট বা হ্যান্ড টু হ্যান্ড। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে মানুষের দৈনন্দিন জীবন ধারা। তার মূল কারন হলো টেকনলজি । এখন মানুষ প্রিন্ট মিডিয়াতে সেভাবে গুরুত্ব না দিয়ে তাঁদের প্রভাব অনেক বেশি মাত্রায় পরছে সোশ্যাল মিডিয়ায় । তার কারণ গুলি হলো। প্রিন্ট মিডিয়ায় কত জন পড়ল বা পড়বার পর বহিপ্রকাশ কি তা অনেক ক্ষেত্রেই বোঝা যায়না । কিন্তু সোশ্যাল যেকোনো সাইডেই লেখক তাঁর পাঠকদের কথা বা মন্তব্য পেয়ে থাকেন। এতে খুশি অনেক বেশি। সহজেই সেই সাইডে গিয়ে দেখে নিতে পারেন। আবার অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় লেখকদের লেখার ভিউস অনেক কম তাই বলে এই নয় যে কোন দিন ভিউস বাড়বে না। হতাশ হবার কিছু নেই । দ্বিতীয় , যখন খুশি লেখা পাঠানো যায় । তার সময় বা মাপ কাঠি নেই। তৃতীয় , প্রায় প্রতিদিনই লেখা প্রকাশের সুযোগ, চতুর্থ , একটা সুনির্দিষ্ট পাঠকদের উল্লাস। পঞ্চম , পাঠক ও লেখকের সঙ্গে সারাসরি যোগাযোগ এবং লেখালেখি বিষয় নিয়ে মানবিক বহিপ্রকাশ । ষষ্ট , লেখার অনেক পরিধি । সপ্তম , অতি সহজেই খুঁজে পাওয়া যায় । অষ্টম , লেখকের লেখার প্রতি আগ্রহ অধিক পরিমাণে বেড়ে যাওয়া সম্ভব। নবম, অনেক বেশি লেখক সেই সোশ্যাল নেটওয়ার্কে এক সঙ্গে লেখার সুযোগ থাকে। দশম, নতুনদের লেখা প্রকাশের অনেক বেশি সুযোগ ইত্যাদি । সোশ্যাল মিডিয়াতে লেখা চুরি হবার বিষয় ও অনেক বেশি ক্ষেত্রে দেখা যায় । এছাড়াও এর ভয় ও অনেক গুণ বেশি কারণ কখন তরঙ্গ তার গতি হারাবে কেও জানে না। তাহলেই কোটি কোটি মানুষ এমন কি নির্ভরশীল কোম্পানি গুলো ধুলিস্যাৎ হয়ে যাবে নিমিষে। তবে প্রিন্ট মিডিয়া এদিক থেকে অনেকগুণ সেফটি। এবং যতই সোশ্যাল মিডিয়া আসুক না কেন প্রিন্ট মিডিয়ার কদর কখনোই কমবে না। এ ক্ষেত্রে লেখকরা ভেবে চিনতে লেখা প্রকাশ করবার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন । কোনটা সোশ্যাল ও কোনটা প্রিন্টে দেব । তবে এখন আপনাদের লেখা প্রকাশের স্থান অনেক বেশি। অনেক অনেক পোটাল ম্যাগাজিন ব্লগজিন রয়েছে যে গুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে আপনার লেখা আপনি প্রকাশ করতে পারবেন । নিচে তার কয়েকটি লিঙ্ক দেওয়া হলো যেখানে সারাসরি লেখা পাঠিয়ে আপনি লেখা প্রকাশ করতে পারবেন । 

যেমন - 

 https://swopnosiri.blogspot.com/?m=1 http://www.jaladarchi.com/2021/08/views-of-sri-aurobindo-on-education-prasun-kanjilal.html https://m.dailyhunt.in/news/india/english https://vimeo.com/159811915 https://writers.com/best-places-submit-poetry-online https://www.dreamerswriting.com/dreamers-magazine/ https://www.desh.co.in/ https://www.desh.co.in/ http://www.shabdaguchha.com/ http://www.kaurab.com/english/

মোহাম্মদ সোহেল রানা




বাকরুদ্ধ 


 আমি কি লিখবো কলম দিয়ে শব্দরাই যে হয়ে যাচ্ছে বাকরুদ্ধ, স্বাধীন সোনার বাংলাদেশে আজ বাঁচার জন্য করতে হয় কেনো যুদ্ধ? চলন্ত বাসে স্বামীকে বাকরুদ্ধ করে স্ত্রীকে কীভাবে করা হয় গণধর্ষণ, নিরাপরাধ মানুষ প্রতিবাদী হলে কেনো হয় তার উপর গুলি বর্ষণ। ভাইয়ের সম্মুখে আদরের ছোট্ট বোনটিকে বখাটে করে লাঞ্ছিত, স্বাধীনতা বলো তুমি এদেশে কেন মানুষ কতোকাল রবে পরাজিত? ধর্ষিতা হয়ে মা বোন পায়নি রক্ষা নির্যাতন করে তাকে করেছে খুন, বিচারের আশায় আমরা সবাই ঘুরি হাইকোর্ট বেঞ্চে এখন ধরেছে ঘুণ। লাঞ্ছিতার লাশ তদন্তের নামে কেন উঠানো হবে বারবার কবর থেকে? এই প্রশ্নের জবাব দিতে পারবে না কেউ প্রকৃত অর্থে দোষী ছিল কে? সত্যি কথা বলতে গিয়ে সাংবাদিক রাতের আঁধারে হয় খুন না হয় গুম, প্রকৃত দোষী বুক ফুলিয়ে চলে অহর্নিশ এই সমাজে তারাই প্রচলিত ডোম। অন্যায় অবিচার দেখে প্রতিরোধ নয় স্বাধীনতা কি তাহলে এখন বাকরুদ্ধ? প্রশ্নের জবাব কে দিবে স্বাধীন দেশে? এভাবে সবাই কতদিন থাকব অবরুদ্ধ। প্রতিবাদ করতে গিয়ে মরণকে বরণ করতে হয় হয়তো মন্দ নিয়তি জন্মেছি এ দেশে বুঝেও এখন অবুঝের মতো সব সইতে হয়, বাঁচতে হয় প্রতিনিয়ত মানুষকে বোবার বেশে।

কাইউম খান ( ইংল্যান্ড )




আমি স্বাধীন 


 আমি স্বাধীন। বাবার স্বপ্নের ফসল আমার এই স্বাধীনতা। আমি পিতা আমি হতাশ, আমি দিতে পারিনি আমার প্রজন্মকে স্বপ্নের স্বাধীনতার স্বাদ। স্বপ্ন দেখিয়েছিলাম সাত কোটি মানুষকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক মুক্তি বৈষম্যবহিন সমাজের, কিন্তু আমি তা দিতে পারিনি, তবুওআমি হতাশ নই। আমি বিব্রত, আমি লজ্জিত আমি একজন মুক্তি যোদ্ধা। স্বপ্নকে সফল করতে নিজের বর্তমানকে বিসর্জন দিয়েছি, প্রজন্ম কি পারবে সপ্ন কে সফল করতে? তাই আমি বিব্রত, আমি শংকিত আমি সদ্য প্রজন্মের পিতা, তবুও আমি আশাবাদী আমি স্বপ্ন দেখি, আমি বিসর্জন দিতে পারি, তাই আমি স্বপ্নকে সফল করতে পারবো আমি যে প্রজন্মের পিতা ।

আলমগীর হোসাইন 

 


স্বার্থের দ্বন্দ্ব 

 

 স্বার্থের দ্বন্দ্ব আপন হয় শত্রু ভাবাপন্ন জ্ঞান গর্বে বেচে নেয় হীন কুট কৌশল অনৈতিক পন্থা অবলম্বন মিথ্যার আশ্রয় ঘৃণার নিন্দিত নরকে সিক্ত জীবন ক্ষয়। জীবন ক্ষনস্থায়ী মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও চাকচিক্য লোভের মোহে গোমরাহিতে নিয়ম ভাঙ্গার পথে নিত্য আসা যাওয়া ভুল করেও ভাবেনা মিথ্যা ক্ষণিকের। সত্য সততা পর্যদুস্ত হয়ে গেছে মিথ্যায় দুনিয়ার চাকচিক্য অবৈধ সম্ভোগে মত্ত মৃত্যু দূত ওঁৎ পেতেছে মানব বসতিতে তবুও নির্ভয় পরশ্রীকাতরতায় উদ্যত। প্রতিহিংসার অনলে পুড়ে জীবন ক্ষয় গোপন অভিসারে ক্ষনিক চিত্ত সুখে অহংকারী মনোভাব পোষণে নগ্ন ধৃষ্টতা স্বৈরাচারী পন্থায় নিত্য বিজয় উল্লাসরত। বিবেকের আদালতে সমর্পণ হয় না মন দুনিয়ার আদালতে মনুষ্যত্ব মানবতা নেই জীবন বোধের নীতি বাক্য রূপকথার গল্প কালের বিবর্তনে বিলুপ্ত ডাইনোসরের মতো। মানুষের দুস্কর্মের ফল মহামারীর আবির্ভাব প্রকৃতির নির্মম প্রতিশোধ অস্বাভাবিক মৃত্যু থেমে নেই মিথ্যাচার ছদ্মবেশে কালক্ষেপণ অহংকার দম্ভোক্তি কঠিনতর করোনাকাল। ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস পেয়ে মানুষ সর্তক হয় করোনার পূর্বাভাস বুঝে উঠতে পারেনি কেউ অভিশপ্ত সেই জীবন ন্যায় প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ যে কবর হাশর পুলসেরাতে প্রায়শ্চিত্ত নিশ্চিত। সাময়িক শান্তির সুবাতাস ক্ষণসময়ে স্থির রংধনুর রঙের মতোই মিশে যাবে নিশ্চিত বিবেক বুদ্ধি জ্ঞান গর্বের কুকীর্তি জৌলুস প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহমান রবে নিশ্চিত। হোক সমঝোতায় বিনয়ী হয়ে ঐক্যবদ্ধ রই পণ করি সহাবস্থানে স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখি রোজ ক্রোধ ঘৃণা জিঘাংসায় ঐতিহ্য হারাবে স্বরূপ নিঃস্বার্থ মায়ের উদর সমুজ্জ্বল থাকুক আমৃত্যু।

১৭ আগস্ট ২০২১

জাফর রেজা


এক আশাবরীর গল্প 

 ( সংক্ষিপ্ত আকারে লেখা একটি সত্য ঘটনা। আশাবরী নামটি কাল্পনিক)


 পৌষের শেষ রাতে কয়েক জোড়া পা খাটিয়া কাধে 

এগিয়ে যাচ্ছে, মুখে, ' বলো হরি বল '

 খাটিয়ায় শুয়ে থাকা মেয়ে মানুষটির নাম আশাবরী। 

অন্য দশটি মেয়ের মতই আশাবরী'র চোখে ছিল স্বপ্নছিল 

কল্পনার মানুষটি'র সাথে ঘর বাধার, 

পৃতৃহীন আশাবরী'র ভাগ্যে এসব কিছুই জোটেনি, পনের টাকার জন্য বিয়েটি আর হয়নি। 

একদিন মাও চলে গেল শ্মশান ঘাটে, শুন্য ঘরে পার করে দিলো সে জীবনের বাকি দিনগুলো। 

 যৌবনে উপকারী পুরুষেরা হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল, 

কিন্তু একটি হাতও ছিলনা দায়ীত্ব নেবার । 
 সব কামনা বাসনাকে নির্বাসনে পাঠিয়ে পার করে দিয়েছিল যৌবনের রঙিন দিনগুলো, বৃদ্ধা আশাবরী'র পাশে আর দেখা যায়নি উপকারী পুরুষের আনাগোনা। 
আজ আশাবরী অনন্তের পথ যাত্রী। 
 পৌষের শেষ রাতে 'বলো হরি বল ' আরও জোড়ালো হতে থাকে। 

রেবেকা সুলতানা (রেবা ) 


শুধুই তোমার ফাঁদে পড়তে রাজি। 


 তুমি যদি আমার ঠেলে দাও অগ্নিতে, 
বিনা চেষ্টায় মরে যাব চিরতরে 
মৃত্যুর ভয় করে নেবো যে আগেই বিয়োগ। 

 তুমি যদি আমার বলো চলো ডুবে যাই নদীতে, 
 বলবো আমি নদীতে নয় চলো প্রেমের সাগরে ডুবে মরি। 

 তুমি যদি আমায় অবহেলার কালো মেঘে ঢেকে দাও 
বুকের ভিতর টা শিলা বর্ষনের আঘাতে হয়ে যাবে খানখান। 

 শিলা গুলো একটা সময় গলে গিয়ে তৈরি হবে বিশাল জলাশয়। 

 তুমি যদি আমায় পিশে করো ধুলোবালি অসহায়ের মতো এপথ থকে ওপথে উড়ে উড়ে যাবো আমি।

 স্মৃতি গুলো খুঁজে ফিরবে তোমায় এই পথের মাঝে। 
ব্যাথা জমে কালো চোখ নিদ্রা আসেবেনা কভু বেদনার অশ্রু ফোঁটা গড়িয়ে আসবে দুটি চোখে দূর থেকে তোমার কথা বড্ড কানে বাজেবে 
আমি তখন তলিয়ে যাবো তোমার কন্ঠস্বরে। 

 নিমেষেই ঢোকগিলে আবার নিরব হরে যাবো ফুলে ফেঁপে উঠেবে কন্ঠনালির অগ্রভাগে। 

 তুমি যদি আমার ছিঁড়ে দাও পাখা 
পড়তে পড়তে জড়িয়ে ধরবো তোমার শাখা 
যদি শাখা থেকে তুমি ফেলে দাও নিচে 
তখন শক্ত করে জড়িয়ে ধরবো তোমাকে।

আইরিন মনীষা 


অসময়ে এলে তুমি 


দুই যুগ পরে কেন এলে তুমি 
জবাব কি দিবে তুমি মোর জানা নেই, 
অসময়ের এক সারথী হয়ে ঝরাপাতার কাছে তুমি 
কেনই বা আসলে বৃষ্টি ভেজা এই সব্ধ্যা গগণে?  

আমার সমস্ত আশা আকাঙখা দুমড়ে মুচড়ে দিয়ে 
গিয়েছিলে ফিরে তুমি একদিন এমনই এক সন্ধ্যায়, 
আমার স্বপ্ন গুলো ভেঙে খান খান হয়েছিলো 
প্রচণ্ড বেগে ঢেউয়ের তাণ্ডব বয়ে গিয়েছিলো সুকুমার মনে। 

 অনেকদিন পক্ষাঘাত গ্রস্থ হয়ে পড়েছিলাম বিছানায় 
অশ্রু গড়িয়ে পড়তে পড়তে এক সময় দৃষ্টি শক্তি হারিয়ে ফেলি, 
খাওয়া দাওয়া ভুলে গিয়েছিলাম বলে শরীরটাও জীর্ণ শীর্ণ 
 এক বিষাক্ত অতীতের সাক্ষী হয়ে এখনো বেঁচে আছি। 

 তুমি তো ঘর সংসার সবই করলে মনের খেয়ালে 
আর সুখেই ত ছিলে আমি যতটুকু জেনেছি, 
 কিন্তু আজ হঠাৎ কি মনে হলো তোমার 
 আমার কাছে চলে এলে উদভ্রান্তের মত হয়ে? 

 তবে কি তুমি অনুশোচনার অনলে পুড়ে ছারখার হয়ে 
 আমার কাছে শুধু ক্ষমা প্রার্থনা করতে এসেছো? 
তা বেশ তাও দিলান তোমাকে কারণ এর,চেয়ে বেশি কিছু নেই 
যা আমি তোমাকে দিয়ে একটু প্রশান্তির ছোঁয়া দিতে পারব। 

কোথায় ছিলো তোমার প্রতিশ্রুতি সেদিন 
 যেদিন আমার স্বপ্ন সাধ ধূলিস্যাৎ করে চলে গিয়েছিলে? 
 তাইতো হয়নি আমার আর সংসার দুটা আত্মার মিলনে 
তবে হ্যাঁ এখন এতিমদের নিয়ে ভালোই আছি আমি আমার মতই।

ফারজানা আফরোজ




মৃত্তিকার মায়ায় 


 মৃত্তিকার মায়ায় বসে আছি পরিত্যক্ত ঘরে
পরজীবিরা বেঁচে আছে বৃক্ষকে আঁকড়ে ধরে। 
আকাশ চেয়ে আছে দিগন্তের পানে, 
যেখানে সূর্যের আলো আসে জানালার ফাঁকে। 
চাঁদের আলো এসে পড়ে চিলেকোঠায়। 
ধূলি উড়া দীর্ঘ পথবাঁকে ঘাসেরা চিরসবুজ। 
অজস্র প্রশ্ন কড়া নাড়ে মনের দরজায়। 
মেঘের আজ ভীষণ মন খারাপ 
আখর পরে আখর সাজিয়ে লিখেছি কাব্য। 
পূর্বসূরিরা ছিল কোন একদিন এখানেই। 
নিজের অস্তিত্ব নিয়ে ভাবনারা এলোমেলো। 
জীবনের পৃষ্ঠাগুলো উল্টেপাল্টে দেখি, 
কতো রং বদল,পালাবদল চারপাশে। 
রংধনুর রং যেন এসে পড়ে জীবন ধারায়। 
কালের বিবর্তনে মিলিয়ে গেছে অনেক কিছু। 
ভাঙ্গা গড়ার চিরবৈরীতা নিত্য অবনী মাঝে, 
স্রোতস্বিনী নদীবক্ষে জেগেছে বালুচর। 
জীবনের আনন্দ,বেদনা সেতো; 
ঘাসের ডগায় একবিন্দু শিশির কণা। 
বুঝা যায় তা অতীতে দৃষ্টি দিলে।
 মানব জীবনের সময়ের পরিক্রমায়, 
মূহুর্তগুলো বয়ে চলে নিরবে নিভৃতে। 
তমাল বন নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে কালের সাক্ষী হয়ে। 
একলা আকাশেই বুঁদ হয়ে থাকি নিরালা, 
প্রানের ডাহুক পড়ে রয় অরন্যে। 
হেঁটে চলেছি নিরন্তর অজানার পথে।

১৬ আগস্ট ২০২১

দেলোয়ার হোসেন সজীব 

 











দু 'মুঠো' স্বপ্ন 


 দু'হাতে দু 'মুঠো স্বপ্ন আছে 

দু 'মুঠো স্বপ্ন ছুঁতে যাছে, 

দু 'মুঠো ইচ্ছে ও আছে 

দু মুঠোর আশে তা বাঁচে। 


 দু 'মুঠোর ইচ্ছে ঐ একটাই 

দু 'মুঠো হাতে দু'মুঠো চাই, 

দু' মুঠো ছাড়া চাওয়া নাই 

দু'মুঠো যেন দু'মুঠোয় পাই।

মোঃ হা‌বিবুর রহমান 

 


জলকণা 



 হঠাৎ আমার এক শব্দগর্জনে তু‌মি একদম হা‌রিয়ে গে‌লে, 
সেই থে‌কে শুরু হ‌লো যেন যোজন ‌যোজন দূরুত্ব দুজ‌নের মা‌ঝে। আ‌গের মত তোমার স‌নে মোর আর হয় না কথন কার‌ণে বা অকার‌ণে, 
দু‌টি হৃদয় শু‌কি‌য়ে হ‌য়ে‌ছে চৌ‌চির, চিড় ধ‌রেছে আমাদের সম্প‌র্কের। 
মা‌ঝে মা‌ঝে ম‌ন ব‌লে এই বু‌ঝি দেখা হ‌য়ে গে‌লো চলার প‌থে,
এমন‌টি হ‌লে মো‌টেই মন্দ হ‌বে না ভে‌বে তাই খুব ভালই লা‌গে।
ত‌বে দেখার প‌রের দৃশ‌্যপট কল্পনায় আ‌সে না কেমন তা হ‌তে পা‌রে, 
হয়তবা দেখা হ‌লে দুজনই হ‌বো মূহ‌্যমান জমা ক্ষোভে আর অভিমানে। 
অব‌শে‌ষে দুজ‌নের একজ‌নে হয়তবা কোমল হৃদ‌য়ে বল‌বো- 
অ‌নেক দিন‌তো গত হ'ল-এবার মান অ‌ভিমা‌নের পালা ছাড়ো। 
দু‌টি হৃদ‌য়ে এত‌দিন জ‌মে থাকা অ‌ভিমা‌নের অনল ছিল অ‌নেকটা 
পর্বত সম, 
অব‌শে‌ষে‌ দুজ‌নের দেখা হ‌য়ে অঙ্গারটি রূপ নি‌লো যেন জ‌লকণার মত ।

ফারজানা আফরোজ জ্যোতি

 




আজকের কবি ফারজানা আফরোজ জ্যোতি স্বরচিত কবিতা পাঠে