স্বরচিত কবিতা পাঠে কবি সানি সরকার
আপনারাও পাঠান আপনাদের স্বরচিত কবিতা পাঠ করে অবশ্যই প্রকাশ পাবে স্বপ্নসিঁড়ি পত্রিকার পেজে ।
মোবাইলে টাইম পাশ, সম্বৃদ্ধ উল্লাস সাহিত্য হাসি ঠাট্টা খুনসুটি বিন্দাস পড়তে হবে নইলে মিস করতেই হবে। মোবাইল +91 9531601335 (হোয়াটসঅ্যাপ) email : d.sarkar.wt@gmail.com
স্বরচিত কবিতা পাঠে কবি সানি সরকার
আপনারাও পাঠান আপনাদের স্বরচিত কবিতা পাঠ করে অবশ্যই প্রকাশ পাবে স্বপ্নসিঁড়ি পত্রিকার পেজে ।
শুন্য যাযাবর
আমি জীবন কে তাল গাছের মত ভাবি
যার প্রতিটি পরদে বাবুই পাখির বাসা দেখি,
আমি দেখি স্বপ্ন আশা,অটাল ভালোবাসা
বেঁচে থাকার যুদ্ধে আমি তাতে পাই ভরসা।
আমার চারপাশে অজস্র বাবুই পাখি উড়ে
মুখে কিছু খরখুটো, খুব যতনে বাসা বুনে,
ওরা আমার মত গরীব ডালভাতে সুখি
আমি ভাবি হায় হতাম যদি বাবুই পাখি।
আমার ইচ্ছে করে মুক্ত বিহঙ্গ উড়ে বেড়াতে
পাখির মত সামান্য খরখুটো তে সুখ পেতে,
আমি প্রকৃতি প্রেমী, এক শুন্য যাযাবর
লক্ষাধিক জায়গা রাখি বুকের ভিতর।
আমি কবিতা লিখি, কবিতায় মিশি
কবিতায় ডুব দেই,কবিতা ভালোবাসি,
কবি ও কবিতা দুইয়ে মিশে থাকা
আর আছে ভালবাসার দুই পাখা।
ভয়
ভয়-ভয়-ভয়,চারিদিকে ভয়,
আসলে ভয়ের নেইতো কিছুই,
আত্মবিশ্বাসের দুর্বলতায় হৃদয়ের ক্ষয়,
প্রতিহত হয় ভয়,বিশ্বাসের অটুট ধারায়,
মন যদি রাঁঙ্গে বিজয়ের চেতনায়।
ভয়!
আছে নিরবে মিশে,প্রতিটি হৃদয় জুড়ে,
শারিরীক ভয়,মানষিক ভয়,
স্মৃতিতে ভয়,দুঃস্মৃতিতে ভয়,
হারানোর ভয়,চেতনায় ভয়,
সম্ভাবনায় ভয়,পেয়ে হারানোর ভয়,
চারিদিকে শুধু ভয়ের শ্বাসন,
নিরবে নিভৃতে মিশে প্রতিটি হৃদয়ে,
তিলে তিলে করে দেয় হৃদয়টা ক্ষয়।
ভয়!
কিশোর বেলায় ভয়,বাবার শাসন,
স্কুলেতে ভয় শিক্ষকের,
পরীক্ষাতে ভয় ফেল-পাশের-আর,
খেলার মাঠে ভয় পরাজয়ের;
সবখানে ভয় করেছে শাসন,
দেয়নি ছেড়ে মুক্তির অবসান,
তবুও সহসায় হারিয়ে পেয়েছে,
বিজয়েরী জয়।
ভয়!
যুবক বেলাতেও দেইনিতো ছাড়,
পাড়ার দাদাদের দৌরাত্মের ভয়,
প্রেমে পড়ে প্রিয়ার,সন্তুষ্টিতে ভয়,
ভয় ভয় ভয় চারিদিকে ভয়,
রুখতে পারনি তবু,ভয়ের দুঃশাসন
অবশেষে হয়েছে বিজয়ের জয়।
ভয়!
ভালোবেসে প্রিয়াকে হারানোর ভয়,
ভালোবাসি কথা বলতে যেন ভয়,
প্রিও কিছু পেয়ে হারানোর ভয়,
অনুভবের আবেগের নিয়ন্ত্রনে ভয়,
স্বপ্নকে নিয়ে রাঙ্গাঁতে ভয়,
ভয়-ভয়-ভয়,চারিদিকে ভয়,
আসলে ভয়ের নেইতো কিছুই,
আত্মবিশ্বাসের দুর্বলতাই,
শুধু হৃদয় ক্ষয়ে যায়।
ভয়!প্রতিহত হয় ভয়,বিশ্বাসের অটুট ধারায়,
প্রেমিক-প্রেমিকার মিলন মেলায়,
সোনালী স্বপনে আকাঁ,স্বার্থক জীবন,
পূর্ণতার সাধ পায়,বিজয়ের মিলন,
ভয় বলে নেইতো কিছুই,সবি হৃদয়ের ভ্রম।
রমজানের খশবু (গজল)
(রচনাকালঃ-১৩/০৪/২০২১ রাত ৯টা ২১ মিনিট। )
রমজানেরি খশবু এলো পাপেরি ধরায়,
আদর করে চুমে নেরে মাখরে সারা গায়;
হৃদয় খুলে যে যা পারিস দুহাতে দান কর,
জ্বিন,ফেরেশতা খুশিতে আজ সিজদাতে লুটায়!
রমজানেরি খশবু এলো পাপেরি ধরায়!
মর্জিমতো চলাফেরা ছেড়ে দে সবাই ;
রোজার মাসে যাদের ঘরে খাবার টুকু নাই,
খুরমা,খেজুর কেনার মতো পয়সা যাদের নাই,
দুঃখী জনের মুখে হাসি ফোটা ভালোবাসি,
নিজেকে আজ বিলিয়ে দে তাদেরি সেবায়!
রমজানেরি খুশবু এলো পাপেরি ধরায়!
বেহেশতে আজ যেতে যে চাস মওলারি দরবার ;
শুকিয়ে থেকে রোজা রেখে ফায়দা হবেনা,
সাচ্ছা মনে না চলিলে কিছুই হবেনা,
অন্ধ হয়ে অহংবোধে ভুল পথে না চলে;
চক্ষু খুলে দেখবো আগে শরীয়ত কি বলে;
রোজার মাসে তওবা করো থাকতে রে সময়!
রমজানেরি খুশবো এলো পাপেরি ধরায়!
আদর করে চুমে তারে মাখরে সারা গায়!!
পরিণাম
"রয় হে প্রিয়তমা,মনের গভীর তলে এক অদ্ভুত ময়ী প্রেম-প্রীতি রহস্য"
ধ্বনি দিকভ্রান্ত কৃষ্ণ চূড়া বাসন্তবাতাসে ভেসে ওঠে যৌবন ব্যাকুলতার হাস্য।
"দিক দিনান্তরে যৌবন তাহার অস্থির ভেসে তরী পশ্চিম বাতাসে,
চঞ্চল প্রেম স্মৃতির ঝর্ণা বৃষ্টিতে ভাসে পরিপূর্ন দুর্দান্ত নয়ন জল ঊর্ধ্বশ্বাসে।"
দিন প্রতি নির্জলা মিথ্যাচার যৌবন তাহার দুর্লভ উড়নচণ্ডী
রাশি রাশি রত্ন প্রভাত হাসি, যুগল যুগ্ল মিলন মৃত্যু দন্দী।
"অনন্ত দিগন্ত যেথা দূর প্রান্ত সেথা চন্দ্র সূর্য গ্রহ তারা,
অস্তিত্বহীন প্রেম উর্বর মৃত্তিকা ভূমি, নিম্ম অন্ততমিল ধারা।"
"অতীত প্রেমময় অগ্নী দীপ্তশিখা প্রখর প্রভাস লয় বক্ষে তোমার নাম,
শত রুপে শত বার লাবাণ্য প্রেম পিরিতি,নাহি দিলে তাহা উচ্ছ্বাস পূর্ণ পরিণাম।
স্বপ্নের সিঁড়ি
নীলাকাশে আমার হৃদয় উড়ে বেড়ায় রোজি,
মেঘের কোলে রবির আলো সারাদিনই খুঁজি।
সবুজ মাঠের সবুজ আভা পাগল করে মোরে,
হিমবাহের হেম-কান্তি চোখের নজর কাড়ে।
মরুভূমির তপ্ত-বালি আমার হৃদয় টানে-
ঘুরে বেড়ায় মনটা আমার সুনালী-গম-ধানে।
নানান রকম ফুলের শোভায় মন যে আমার হারায়।
ভেসে বেড়ায় মোনানন্দে নদীর কল ধারায়।
ঘুরে বেড়ায় সাগর-নদী কত কানন-গিরি,
পাহাড়-পর্বত চড়ি আমি দিয়ে স্বপ্নের সিঁড়ি।
তবু মনে তৃপ্তি নাহি আরো উড়তে থাকি,
মনে মনে নানান কত স্বপ্নের ছবি আঁকি।
জন্মেই করেছি ভুল
নানান রঙে রঞ্জিত হয়ে বেঁচে থাকব
এমনটাই ছিল জন্মের সত্য কথা
তারপর বুঝতে শিখে ,বলছি
জন্মেই করেছি ভুল!
মৃত্যু আসছে বারবার
পরাধীন খাচ্ছে গিলে
আমরা অবাক, নামে শুধু স্বদেশ ভূমি।
নেইকো কারো বেঁচে থাকার
অন্য জীবনের গল্প
এ যেন বেঁচে থাকা আমার কাছে
আগুনে পুড়ে যাওয়া এক মর্মান্তিক গল্প।
জন্মেই করেছি ভুল
হিসেবটা বড় গোলমাল
বড্ড বেমানান
শুধুই অবাক করার ঘটনা, অবাক হচ্ছি রোজ!
মনে হয় জন্মেই করেছি ভুল
শুধুই পদাঘাতেই জীর্ণ হচ্ছি রোজ
বিদ্রোহ দেখছিনা চারিদিক কখনো
অবাক পৃথিবী, অবাক হচ্ছি রোজ।
নেইকো বাঁচার গল্প কথা
নেইকো প্রেমে ভালোবাসা
নেই সত্যের প্রতিবাদ, বিদ্রোহী কথা
এই ভাবেই বেঁচে থাকা
বিপ্লবদা হবে কবে ? দেখছি নাতো
চারিদিকে বিদ্রোহ, জনম নিয়ে করেছি ভুল
এ পৃথিবী অবাক পৃথিবী ।অবাক হচ্ছি রোজ।।
মিষ্টির হাঁচি
ট্রেনের মধ্যে ভিড়ের মাঝে
উঠলো একটি ফেরিওলা
কাঁধে ঝোলানো জলেরকৌট
হাতে মিষ্টিরথালা।
বাঁ হাতের তালুতে বসানো মিষ্টিরথালা
ঠেলালেগে গেল পড়ে
ট্রেনযাত্রি একটা ফুগলা বুড়ো
ঘুমাচ্ছিল হাঁ করে।
একটা মিষ্টি ছিটকে পড়ল বুড়োরমুখে
বুড়ো বলল কেরেপাজী
কথা শেষ হতেনাহতেই
বুড়োর মুখে উঠল হঁচি।
মুখে থেকে মিষ্টি ছিটকে পড়ল
এক চশমাপড়া ভদ্রলোকের নাকে
আচমকা ফলতেগিয়ে পড়ল
এক মাষ্টার মশায়ের টাকে।
মিষ্টি গেল গড়াগরি
লাগলো লোকের হুরোহুরি
রসভর্তি জামাকাপড়
করছে সবাই ঝাড়াঝুরি।।
মুক্তির খোঁজে
কাটাকুটি খেলা শেষে দাঁড়াতে চায় মন্দির প্রাঙ্গণে
দুর্বাশার অভিশাপ ভয় মুক্তির প্রার্থনায় দেবতার আয়োজন।
চারিদিকে রুগ্ন শিরায় বয়ে চলছে এক বিশাল ট্র্যাজেডি
মৃত্যু লগ্নে দাঁড়িয়ে বাঁচার আনন্দে
স্রোতস্বিণী কবিতার ধারায় বহুদূরের সূর্য কে প্রণাম
শত যোজন পার করে ছুঁয়েছে গভীর অরণ্য প্রণয় প্রত্যাশায়
কাজল টিপে তুলে রেখেছে মুক্তির খোঁজ স্নেহের কঠিণ সময়ে।
সব দিতে চাইছে দীর্ঘশ্বাস, নিস্পাপ পরে আছে
কবিতা উচ্চারণে --দেবতাসনে।
স্বপ্নসন্ধানী
স্বপ্নের সিঁড়ি বেয়ে
একটা নীল আকাশ দেখতে চাই,
যে আকাশ চেতনার রঙে রঙিন.....
সজীবতার আলোয় অন্তহীন ,
ভালোবাসার কোমলতায় পেলব
জীবনবোধে চির উজ্জ্বল |
এমন একটা আকাশ দিতে পারো ?
পারো কি দিতে
যে আকাশে নেই স্বার্থান্ধতার কলুষতা।
যেথায় আছে কেবল
স্বপ্নের বিনিসুতোর আলাপচারিতা।
রবীন্দ্রনাথ
ভোরের আকাশ প্রভাতি সুরে
জাগিয়া উঠিলো বিশ্বভুবন,
শঙ্খ ধ্বনি আকাশে বাতাসে
সুরের মাধুরি পঁচিশে বৈশাখে ।
যত শুনি তোমার কথা
তত জুড়ায় প্রাণের ব্যাথা,
স্নেহে প্রেমে মান অভিমানে
জেগে আছো গীতাঞ্জলীর গুনে ।
সবার রবি সবার কবি
তোমায় গেঁথেছি মনে,
গল্প ছড়া উপন্যাস
কবিতা আর গানে।
তোমার বিরহে পাই যত জ্বালা
তত জাগে আশা মোহ ভালোবাসা,
প্রাণের সাধনা মনের বাসনা
মুছে যায় যত মরিচিকা আশা।
জীবনের টানে
তোমর জন্য অপেক্ষা করেছি,
কত দিন নিদারুন প্রত্যাশা করেছি!
আজ রাতটা কাটুক তবে আদ্র ভোরের টানে । যে
শতাব্দীর নৃশংস মহামারী পেরিয়ে যখন আমি
প্রত্যাশার ব্যার্থতায় প্রাচীর তুলে দাঁড়াবো
তোমার সম্মুখে,
লজ্জা নিবারণের কোন আবরণ দিয়ে ঢাকতে মুখ আমার সম্মুখে ,
কি শাস্তি মাথাপেতে নেবে নিজের অপরাধের, কিভাবে মানবে নিজের হাতের মুঠোয় থাকা সময় কে হারানোর আফসোস।
সময় থাকতে তুমি যে হাত ধরলে না আপন মনে, প্রবল প্রতিকূলতার সময় যে তুমি
আলিঙ্গন করতে মুখ ফিরিয়েছো সন্ধে- সকালে।
খেয়ালি বালখিল্লোতায় বুঝলেনা
সঠিক সময় প্রিয়জন আর প্রয়োজনের
সরলরেখার সামানুপাত।
তুলির টানে
মধ্য গগনে নীল নীলিমায় এঁকেছি তোমায় মনের গহনে
কি করে বল ভুলি গো তোমায়
পায়ে পায়ে পথ চলা মধুময় জীবনে!
কত মান অভিমান কত সুখ দুঃখ সহেছি গোধূলি বেলায়
পড়ে আছি একা নদীর ঘাটে
দিনান্তের ক্লান্ত রবি যায় জে পাটে।
যাবার বেলায় একে দিয়ে যাব কত স্মৃতি কথা,
ছবি হয়ে যাবে মনোবীণায় হৃদয়ের ব্যথা।
এক দিন এই পৃথিবী নতুন করে জন্ম নেবে
হয়তো সেদিন, থাকবো না আমি এই-ভাবে!
ইচ্ছে করে রোজ
ইচ্ছে করে রোজ ঘাসের উপর
তোমার ছড়ানো আঁচলে
আকাশী রং হয়ে উঠি
ভালোবাসার গল্প কবিতায়।
কথা বলতে বলতে নতুন শব্দ
সাদা পৃষ্ঠা জুড়ে হিজিবিজি করি
রং তুলিতে আঁকি তোমার ব্যস্ততা।
তুমি আর ব্যস্ততা দেখিয়ো না
সারাদিন ভাবতে ভাবতে নিঃশ্বাস ফেলি
গেয়ে উঠি নানান কথায় শুধু গান।
তুমি মনের মধ্যে দুচোখ জুড়ে আছো
তাই অন্য কিছু ভাবতে পারিনা
শুধুই ভাবি তোমার কথা তোমাকে নিয়ে
রোজ ভাবি প্রতিটি মুহূর্তে।
অবিকল একটা সকাল বেলার মতো
তুমি থেকো আমার হৃদয় জুড়ে
শুধুই বেঁচে রাখতে আমাকে
শুধুই কবিতার পংক্তি জুড়ে
বাঁচিয়ে রাখতে শুধুই আমাকে।
তোমার দু'টি চোখ
তোমার দু'টি চোখ
স্রষ্টার দেওয়া শ্রেষ্ঠ উপহার দু'টি সুখ পাখি
যা আজও আমার কাছে সাদৃশ্যহীন সুন্দর।
তোমার দু'টি চোখ
রুষ্ট হওয়া নীলাভ নীলনদ
যার আঁচড়ে পড়া ঢেউ
প্রতি নিয়তই তীব্র আঘাত হানে বুকের বাম পাশে।
তোমার দু'টি চোখ
দীপ্তিময় দু'টি ভাগ্যগ্রহ
যার তেজোময় আলোর ফোয়ারা বয় নির্ঝরিণী হয়ে
দারুন অভিনব তোমার দু'টি চোখ।
তোমার দু'টি চোখ
লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির শ্রেষ্ঠ চিত্রকর্ম।
তোমার দু'টি চোখ
অবাধ প্রণয় পূর্ণ।
তোমার দু'টি চোখ
ম্রিয়মাণ হৃদয় জাগরণের প্রথম তারুণ্য।
তোমার দু'টি চোখ
অব্যক্ত গহীন অরণ্য।
তোমার দু'টি চোখ
শান্ত ঝিলের উদ্দীপ্ত লাল ললিত পদ্ম।
তোমার দু'টি চোখ
দিগন্ত ছোঁয়া ছন্দ।
তোমার দুটি চোখ
বিধাতার পূণ্যময় মহাকাব্য।
তোমার দুটি চোখ
উন্নিদ্র কবির অনিশেষ কবিত্ব!
ওগো রাণী
সুনয়নী
যত্নে থেকো তুমি
যত্নে রেখো তোমার দীঘল পাতার কাজল দুটি চোখ।
( এই ছবি প্রকাশ আইনত লেখকের । পত্রিকা: দফতরের নয় )
কবি শঙ্খ ঘোষ স্মরণে
থেমে যায় কতো ছায়াপথ
আকাশে আজ অকাল শ্রাবণ
বাতাসের চোখ দুটি ভারি ভারি
সাহিত্যে আজ আরেক উজ্জ্বল নক্ষত্র পতন
ভেসে যাবে ভেলা দূর থেকে দূর
নিষ্পলক চোখ সময়ের ক্যানভাস
চুপিসারে ভোর আসে
আশীর্বাদের হাতটা রেখো মাথার ওপর
অন্তরের বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই
সবার মননে শঙ্খ
(শ্রদ্ধেয় কবি শঙ্খ ঘোষের অমৃতলোকের যাত্রায় শোকস্তব্ধ হয়ে তাঁর প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধায় আমার কবিতা )
যখন চারিদিক ভয়াবহ প্রতিকূলতায়,
মানুষ বড়ই অসহায়।
চিল শকুনরুপি সাম্রাজ্যবাদী শক্তির
দাপটে বেঁচে থাকা নিরর্থক।
অসহায় ,বঞ্চনা, সংশয়ে দিশেহারা মানুষ,
তখন আশাহত মনে প্রস্ফুটিত
'পাঁজরে দাঁড়ের শব্দ', 'প্রহর জোড়া ত্রিতাল'
'সকাল বেলার আলোয় ' আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি' র অপরাজেয় শঙ্খ ঘোষ।
আজ অতিমারী ছিনিয়ে নিল নির্ভীক শঙ্খ,
যাত্রা হল সীমাহীন অনন্ত পথে।
অমৃতলোকের যাত্রা হোক শুভ,
সকল প্রতিকূলতা হোক পরাভূত।
আমরাও জেগে উঠি' বাবরের প্রার্থনা',
'আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি 'র দৃঢ় প্রত্যয়ে
নির্ভীক সৈনিক মননের শঙ্খে ।
শঙ্খধ্বনি
সে কি তবে, চলে গেল
বহু চোখের ভাষা ছেড়ে
আমি তো জানি,
শঙ্খ বোবা না
সে এখন জ্বলন্ত,নিবিড় সূর্যালোকের বাসিন্দা
সে এখন সমুদ্র
সে এখন নিদ্রার ভেতরের আলো
গ্রহের বাইরেও আজ শঙ্খের ধ্বনি