১৫ জানুয়ারি ২০২১

 ঙ

 ত

 ূ

 উ

 ই

 খ

 অ

১৪ জানুয়ারি ২০২১

ফাহমিদা ইয়াসমিন ( ইংল্যান্ড)



কবিতার ছন্দ


সাদা কালো এ জীবনের মাঝে

তুমি শুধু করেছো আমায় রঙ্গিন। 

তোমায় নিয়ে লেখা কবিতায় দিয়েছি কত উপমা কত আবেগী আবেশ।


আমার হাতের মুঠোয় রেখেছি তোমার উষ্ণ হাত। 

ভোরের আলোর মতো উজ্জ্বল হয়ে ফুটেছে প্রেমের লাল ফুল।


কত রাত তোমার সান্নিধ্য চেয়েছি 

কতবার চেয়েছি তোমার স্পর্শ অসীম।


তুমি তো দিয়েছো আমায় লাল কৃষ্ণচূড়া ফুলের বেণি। খোঁপায় বেধেছি রাঙা ভোর।


আমি  বসেছিলাম নিয়ে শুধু গানের সুর

তুমিই তো আমার আঁধার আলো

তুমিই আমার সুর কবিতার ছন্দ।

ড: সৈয়দ আজিজ


হৃদয়েশ্বরী


কৈলাশ হতে কেশর এনে মাখাবো তোমার মুখে 

ফুলরেণু ঘ্রাণে পরেশ সুবাসে চিত্তানন্দে সুখে 

সূর্য হতে আনব আবীর, মাখাবো কেশর সাথে 

জোছনা লুটবো ফুটফুটে ঐ মাঘী পূর্ণিমা রাতে 

অসীম আকাশ সসীম নীলের পরাবো কাঁচলখানি 

কণ্ঠে পরাবো মুক্তার মালা সিন্ধু সেঁচিয়া আনি

লু-হাওয়াতে নেকাব পরাবো ধূলার পর্দা টানি 

কোনো দুরাচার যেন স্পর্ধায় কভূ নাহি ডাকে হাতছানি 

সোনার বাংলা শ্যামলিমাতে শ্যামল মাখাবো গায় 

অরুন্ধতীর টিপ পরাবো স্বর্ণালি সন্ধ্যায়,

রংধনু থেকে লাল রং আনি আলতা পরাবো পায়

কুরঙ্গী চোখের কাজল মাখাবো তোমার আঁখির বায় 

নারাঙ্গী রসে সিক্ত করবো আপন যুগল সৃক্কণী 

কবি হৃদয়ের অধীশ্বরী শত কোহিনুর মণি।

মিলন ভৌমিক


কল্পনার দেশ


"'পৃথিবী যদি কল্পনার দেশ হতো

মানবজাতি থাকত সুখে।

সীমাহীন দারিদ্রতা পৃথিবীতে

যদি না থাকতো, থাকতো মহাআনন্দে।

দুঃনীতি,কম'হীন,দূবলশ্রেনী

যদি না থাকতো, প্রতিবাদ, বিক্ষোভ,ধম'ঘটে,

 হতোনা গণআন্দোলন।

সাইকোথ্যাব যদিনা থাকতো

ওরা অনেক বছর বাঁচত।

শক্তিধর রাষ্ট্রযন্ত্রের দাদাগিরি

শোষনও শাষনে যদিনা থাকতো

ছোট্ট রাষ্ট্র গুলো শান্তি পেত।

বুদ্ধিজীবীরা পৃথিবীময় যদি একহতো

স্বর্গের দেশ হতো।

মহাভারতে রথের কল্পনা থেকে

রকেটের যদি হয় সৃষ্টি,

যুগের শেষে কল্পজগৎ

হতে পারে বাস্তব মুখী।

কল্পদেশে থাকবো বেঁচে

অনন্তকাল ধরে,

বিদায় চাইনা পৃথিবীর কাছে।

মমতা রায়চৌধুরী


অমলিন অনুভব


জীবনে ভালবাসার রং এখনো

ধূসর হয়ে যায় নি ।

ঝড় ঝাপটায় অস্পষ্ট হয়নি-

প্রথম কথা বলা,কাছে আসার 

অনুভবের সুখস্মৃতি।,

তোমার হৃদয়ের উষ্ণতা সর্বত্র ছড়িয়ে  ,

তাই অন্য তাপ নেবার প্রয়োজন হয় নি।

জীবন তরঙ্গে  দু'জনে এখন অনেক দূরে..

তবু ভালোবাসার প্রতিধ্বনি ,প্রতিচ্ছবি 

স্বপ্নে আসে বারবার ঘুরেফিরে।

প্রথমবারের ছোঁয়ায় আজো খুঁজে

, পাই পারদ জড়ানো সেই স্পর্শ, গন্ধ।

হাজার বছর  পথ হাঁটবো এভাবে  নস্টালজিকে।

তাই ফ্যাকাশে হয় নি কিছুই আমার কাছে।

একটুখানি ‌ হাত বাড়াও ,একটু হৃদয় দিয়ে

অনুভব করো ,বুঝতে পারবে ষোলআনাই খাঁটি,

তোমার আমার ভালোবাসার দিনলিপি।

অলোক দাস




উদয় 


 আমাদের প্রভাতদা রোজ প্রভাতে সাইকেল নিয়ে যান হাওড়া স্টেশনে I প্রতিদিনের কাগজ আনতে, ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে I প্রভাতদা আমাদের কাছে রানার I বয়েস তিয়াত্তর ছুঁই ছুঁই, লোকে বলে মোনের জোর I শীত, গ্রীষ্মে, বর্ষায় কোনো কামাই নেই I এখনো লড়াই কোরে যাচ্ছেন I কাজের শেষে এপাড়া ও ওপাড়া করেন বাড়তি কাজের আসায় I কার কলে জল আসছে না, কার টালি দিয়ে জল পড়ছে, কার জানলা, কপাট রং করতে হবে, কার রেডিও, ঘড়ি খারাপ - সবাই দেখি চিৎকার কোরে ডাকে " প্রভাতদা ও প্রভাতদা I" তাই ভাবি সবায়ের ছুটি আছে, প্রভাতদার ছুটি নেই I তিনি যে সুপ্রভাত I